Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৯:৩৭ অপরাহ্ণ

সূর্যের আলো ও ভিটামিন-ডি: রিকেটের প্রতিষেধক

রিকেট হলো একটি পুষ্টিজনিত রোগ, যা প্রধানত ভিটামিন-ডি-এর অভাবে শিশুদের মধ্যে দেখা যায়। ভিটামিন-ডি শরীরে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষণে সহায়তা করে, যা হাড়ের গঠন ও শক্তি বৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য। এর অভাবে হাড় নরম ও দুর্বল হয়ে যায়।

রিকেট রোগের কারণ:

১। ভিটামিন-ডি এর অভাব

২। পর্যাপ্ত সূর্যালোকের অভাব

৩। ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের অভাবযুক্ত খাদ্য

৪। হরমোনজনিত সমস্যা বা কিছু জেনেটিক রোগ

রিকেট রোগের লক্ষণ:

১। হাড় নরম ও অপরিণত হওয়া শিশুর শারীরিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়

২। পায়ের হাড় বেঁকে ধনুকের মতো আকৃতি গ্রহণ করে

৩। বুকের আকার অস্বাভাবিক হয়ে যায় (বুক সরু বা ‘পিগ-ডিগ’ আকৃতি)

৪। দাঁতের গঠন ও বৃদ্ধিতে ব্যাঘাত

৫। হাঁটতে শুরুর সময় বিলম্ব

৬। হাড়ে ব্যথা বা কোমর ও পায়ের অস্বস্তি

রিকেট রোগের পরিণতি: যদি রিকেট যথাযথ সময়ে চিকিৎসা না করা হয়, তবে শিশুর হাড়ের বিকৃতি স্থায়ী হতে পারে এবং হাড়ের জটিলতা বৃদ্ধি পেতে পারে।

রিকেট রোগের প্রতিরোধ:

১। পর্যাপ্ত সূর্যালোক গ্রহণ

২। ভিটামিন-ডি সমৃদ্ধ খাবার: ডিমের কুসুম, মাছের তেল, দুগ্ধজাত পণ্য, চিজ, লিভার ইত্যাদি।

৩। ভিটামিন-ডি সাপ্লিমেন্ট চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস সমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ।

রিকেট হলো ভিটামিন-ডি-এর অভাবে শিশুদের মধ্যে হওয়া একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ। যথাযথ পুষ্টি, পর্যাপ্ত সূর্যালোক গ্রহণ ও ভিটামিন-ডি সমৃদ্ধ খাদ্য শিশুকে রিকেট থেকে রক্ষা করতে পারে। রোগের প্রাথমিক ধাপে সতর্কতা ও চিকিৎসা নিলে হাড়ের বিকৃতি ও অন্যান্য জটিলতা প্রতিরোধ করা সম্ভব। তাই শিশুদের সঠিক পুষ্টি নিশ্চিত করা এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো অত্যন্ত জরুরি।

 

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট