১৯৯১ সালে গুইডো ভ্যান রসম (Guido van Rossum) তৈরি করেছিলেন। এটি তার সহজ এবং পরিষ্কার সিনট্যাক্স বা বাক্যগঠনের জন্য পরিচিত, যা কোড লেখাকে এবং পড়াকে সহজ করে তোলে।
প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ
- সহজবোধ্য সিনট্যাক্স: পাইথনের গঠন শৈলী সহজ, যা নতুনদের জন্য প্রোগ্রামিং শেখা শুরু করতে খুবই উপযুক্ত।
- বহুমুখী ব্যবহার: এটি একটি "সাধারণ উদ্দেশ্য" ভাষা, যার মানে এটি বিভিন্ন ধরনের অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহার করা যায়।
- অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড: পাইথন অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং সহ একাধিক প্রোগ্রামিং প্যারাডাইম সমর্থন করে।
- বিশাল লাইব্রেরি ও ফ্রেমওয়ার্ক: এতে প্রচুর পরিমাণে রেডিমেড কোড বা প্যাকেজ (যেমন Django, Flask, NumPy, Pandas) রয়েছে, যা ব্যবহার করে দ্রুত কাজ করা যায়।
- ওপেন সোর্স: পাইথন একটি মুক্ত সোর্স প্রোগ্রামিং ভাষা এবং এর ইন্টারপ্রেটার ও স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি বিনামূল্যে পাওয়া যায়।
ব্যবহার ও প্রয়োগক্ষেত্র
পাইথন বর্তমানে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে:
- ওয়েব ডেভেলপমেন্ট: Django, Flask-এর মতো জনপ্রিয় ফ্রেমওয়ার্ক ব্যবহার করে ওয়েবসাইট এবং ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করা হয়।
- ডেটা সায়েন্স ও মেশিন লার্নিং: ডেটা বিশ্লেষণ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং মেশিন লার্নিং (ML)-এর জন্য পাইথন ডেটা সায়েন্টিস্টদের পছন্দের ভাষা।
- সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট: ডেস্কটপ জিইউআই (GUI) অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতেও এটি ব্যবহৃত হয়।
- অটোমেশন ও সিস্টেম অ্যাডমিনিস্ট্রেশন: সিস্টেম অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের কাজ এবং বিভিন্ন অটোমেশন স্ক্রিপ্ট লেখার জন্য পাইথন খুবই কার্যকর।
- গেম ডেভেলপমেন্ট: গেম তৈরিতেও পাইথনের ব্যবহার রয়েছে।
এর সরলতা এবং বহুমুখীতার কারণে গুগল, ইউটিউব, ড্রপবক্স এবং ইনস্টাগ্রামের মতো বড় বড় প্রতিষ্ঠান তাদের বিভিন্ন প্রজেক্টে পাইথন ব্যবহার করে।