Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

০৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০১:৫২ অপরাহ্ণ

শব্দ তরঙ্গ
পাঠ্য বইয়ের চিত্রঃ ৭.১০ ।। 

শব্দ তরঙ্গ হল এক ধরনের যান্ত্রিক তরঙ্গ যা গ্যাস, তরল বা কঠিন পদার্থের মতো কোনো মাধ্যমের মধ্য দিয়ে ভ্রমণ করে। এটি উৎস থেকে কম্পনের মাধ্যমে তৈরি হয় এবং মাধ্যমের কণাগুলোকে সংকুচিত ও প্রসারিত করে অগ্রসর হয়, যার ফলে শক্তি সঞ্চারিত হয়। শব্দ তরঙ্গ একটি অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ, কারণ এর কম্পনের দিক এবং সঞ্চালনের দিক সমান্তরাল। 
শব্দের উৎপত্তি ও প্রচার
  • উৎপত্তি: কোনো বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ তরঙ্গের সৃষ্টি হয়। যেমন, স্পিকারের ডায়াফ্রামের কম্পন।
  • মাধ্যম: শব্দ সঞ্চালনের জন্য একটি মাধ্যমের প্রয়োজন (যেমন: বায়ু, জল, বা কঠিন পদার্থ)।
  • সঞ্চালন: উৎস থেকে সৃষ্ট কম্পন মাধ্যমের কণাগুলোর মাধ্যমে সঞ্চালিত হয়ে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। 
শব্দের প্রকারভেদ
  • অংশগত তরঙ্গ (Compressional wave): মাধ্যমের কণাগুলো সংকুচিত ও প্রসারিত হয়, যা শব্দ সঞ্চালনের দিক বরাবর ঘটে, তাই শব্দকে অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ বলা হয়।
  • তরঙ্গদৈর্ঘ্য ও কম্পাঙ্ক (Wavelength and Frequency): শব্দ তরঙ্গকে ফ্রিকোয়েন্সি (কম্পাঙ্ক), প্রশস্ততা (amplitude) এবং তরঙ্গদৈর্ঘ্য (wavelength) দ্বারা চিহ্নিত করা যায়।
  • শ্রবণযোগ্য সীমা (Audible range): মানুষের কান প্রায় ২০ হার্টজ (Hz) থেকে ২০ কিলোহার্টজ (kHz) পর্যন্ত কম্পাঙ্কের শব্দ শুনতে পায়, যা শ্রবণযোগ্য সীমা নামে পরিচিত।
  • শব্দেতর তরঙ্গ (Infrasound): ২০ Hz-এর কম কম্পাঙ্কের শব্দকে ইনফ্রাসাউন্ড বলা হয়।
  • শব্দোত্তর তরঙ্গ (Ultrasonic sound): ২০ kHz-এর বেশি কম্পাঙ্কের শব্দকে আল্ট্রাসাউন্ড বা শব্দোত্তর তরঙ্গ বলে। 
শব্দ তরঙ্গের বৈশিষ্ট্য

  • শব্দ একটি অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ।
  • এটি সঞ্চালনের জন্য একটি মাধ্যমের প্রয়োজন।
  • এর দ্বারা শক্তি সঞ্চারিত হয়, কিন্তু মাধ্যমের কণাগুলো স্থানান্তরিত হয় না।
মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট