পাঠ্য বইয়ের চিত্রঃ ১১.০৬ ।। রোধ (Resistance)
হলো কোনো পরিবাহীর সেই ধর্ম, যার কারণে এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয় বা বিঘ্নিত হয়; এর একক ওহম (Ω), একে R দ্বারা প্রকাশ করা হয় এবং ওহমের সূত্র অনুযায়ী
V=IRcap V equals cap I cap R
𝑉=𝐼𝑅
(বিভব পার্থক্য = তড়িৎ প্রবাহ x রোধ)। এটি পরিবাহীর দৈর্ঘ্য, প্রস্থচ্ছেদ, উপাদানের প্রকৃতি ও তাপমাত্রার উপর নির্ভর করে এবং তড়িৎ বর্তনীতে প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়।
রোধের মূল বিষয়:
- সংজ্ঞা: বিদ্যুৎ পরিবাহীর যে ধর্মের জন্য তার মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহে বাধা সৃষ্টি হয়, তাই রোধ।
- একক: রোধের SI একক হলো ওহম (Ohm), যার প্রতীক গ্রিক অক্ষর ওমেগা (Ω)।
- চিহ্ন: এটিকে সাধারণত অক্ষর দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
ওহমের সূত্র: কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায়, V=IRcap V equals cap I cap R
𝑉=𝐼𝑅
, যেখানে
হলো বিভব পার্থক্য,
হলো তড়িৎ প্রবাহ এবং
হলো রোধ।
নির্ভরশীলতা: রোধ মূলত নির্ভর করে:- দৈর্ঘ্য (L): দৈর্ঘ্য বাড়লে রোধ বাড়ে।
- প্রস্থচ্ছেদ (A): প্রস্থচ্ছেদ বাড়লে রোধ কমে।
- উপাদান: বিভিন্ন পদার্থের রোধ ভিন্ন হয় (যেমন: ধাতু, অপরিবাহী)।
- তাপমাত্রা: তাপমাত্রা বাড়লে রোধ (পরিবাহীর ক্ষেত্রে) বাড়ে।
ব্যবহার: বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিতে তড়িৎ প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে রোধক (Resistor) ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ:
ধাতব তারের রোধ কম, তাই বিদ্যুৎ সহজে চলাচল করে; কিন্তু অপরিবাহী পদার্থের (যেমন রাবার) রোধ অনেক বেশি, তাই বিদ্যুৎ চলাচল করতে পারে না।