Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০২:৪৩ অপরাহ্ণ

উদ্বায়ী পদার্থের ঊর্ধ্বপাতন (Sublimation)
পাঠ্য বইয়ের চিত্রঃ ২.১১ # 
উদ্বায়ী পদার্থের ঊর্ধ্বপাতন (Sublimation) হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে কোনো কঠিন পদার্থ তরল অবস্থায় না গিয়ে সরাসরি বাষ্প বা গ্যাসীয় অবস্থায় পরিণত হয় এবং বাষ্পকে ঠান্ডা করলে পুনরায় সরাসরি কঠিনে রূপান্তরিত হয়; ন্যাপথালিন, কর্পূর, আয়োডিন, শীতলীকৃত কার্বন ডাই অক্সাইড (শুষ্ক বরফ) ইত্যাদি উদ্বায়ী পদার্থের উদাহরণ, যা তাপ প্রয়োগে বাষ্পীভূত হয়ে কঠিন অবস্থা এড়িয়ে যায়। 
ঊর্ধ্বপাতন প্রক্রিয়া
  • সংজ্ঞা: কিছু বিশেষ কঠিন পদার্থ, যাদের বাষ্পচাপ গলনাঙ্কের নিম্ন তাপমাত্রাতেই বায়ুমণ্ডলীয় চাপের চেয়ে বেশি হয়, তারা তাপ পেলে কঠিন থেকে সরাসরি গ্যাসে এবং গ্যাস থেকে সরাসরি কঠিনে পরিবর্তিত হয়—এই প্রক্রিয়াকে ঊর্ধ্বপাতন বলে।
  • কারণ: পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে আকর্ষণ বল কম থাকলে, অল্প তাপেও তারা কঠিন অবস্থা ত্যাগ করে গ্যাসীয় অবস্থায় যেতে পারে, যা তরল অবস্থা এড়িয়ে যায়।
  • উদাহরণ:
    • ন্যাপথালিন (Naphthalene): কাপড় থেকে পোকামাকড় তাড়াতে ব্যবহৃত হয়, যা ধীরে ধীরে কঠিন থেকে বাষ্পে পরিণত হয়।
    • কর্পূর (Camphor): পূজা ও ভেষজে ব্যবহৃত হয়, যা জ্বালালে সরাসরি বাষ্প হয়ে যায়।
    • আয়োডিন (Iodine): কঠিন আয়োডিনকে উত্তপ্ত করলে বেগুনি বাষ্প তৈরি হয়।
    • শুকনো বরফ (Dry Ice): কঠিন কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2) স্বাভাবিক চাপে সরাসরি গ্যাসীয় CO2-এ পরিণত হয়। 
বৈশিষ্ট্য
  • এই প্রক্রিয়ায় পদার্থটির কোনো তরল অবস্থা দেখা যায় না।
  • শীতল করলে গ্যাস থেকে সরাসরি কঠিন অবস্থায় ফিরে আসে। 
ব্যবহার
  • পৃথকীকরণ: মিশ্রণ থেকে উদ্বায়ী পদার্থকে আলাদা করতে এই পদ্ধতি (ঊর্ধ্বপাতন) ব্যবহার করা হয়, যেমন - মিশ্রণ থেকে বিশুদ্ধ আয়োডিন বা কর্পূর আলাদা করা। 
মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট