পরমাণু মূলত তিনটি মৌলিক কণা—প্রোটন, নিউট্রন ও ইলেকট্রন—দিয়ে গঠিত; পরমাণুর কেন্দ্রে থাকে নিউক্লিয়াস, যেখানে প্রোটন (ধনাত্মক চার্জ) ও নিউট্রন (চার্জহীন) থাকে এবং নিউক্লিয়াসের বাইরে বিভিন্ন শক্তিস্তরে ইলেকট্রন (ঋণাত্মক চার্জ) নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে ঘোরে, যা পরমাণুর বেশিরভাগ স্থান জুড়ে থাকে। প্রোটনের সংখ্যাই মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা নির্ধারণ করে, আর একটি নিরপেক্ষ পরমাণুতে প্রোটন ও ইলেকট্রনের সংখ্যা সমান থাকে।
পরমাণুর মূল উপাদান
প্রোটন: ধনাত্মক (+) চার্জযুক্ত কণা, নিউক্লিয়াসে থাকে।
নিউট্রন: চার্জবিহীন (নিরপেক্ষ) কণা, প্রোটনের সাথে নিউক্লিয়াসে থাকে।
ইলেকট্রন: ঋণাত্মক (-) চার্জযুক্ত কণা, নিউক্লিয়াসের বাইরে বিভিন্ন কক্ষপথে ঘোরে।
গঠন ও বৈশিষ্ট্য
নিউক্লিয়াস: পরমাণুর কেন্দ্রে অবস্থিত প্রোটন ও নিউট্রন দিয়ে গঠিত; এটি পরমাণুর প্রায় সমস্ত ভর ধারণ করে।
ইলেকট্রন মেঘ: নিউক্লিয়াসের চারপাশে ইলেকট্রনগুলো নির্দিষ্ট শক্তিস্তরে বা কক্ষপথে প্রদক্ষিণ করে।পারমাণবিক সংখ্যা (Atomic Number): নিউক্লিয়াসে থাকা প্রোটনের সংখ্যা, যা মৌলের পরিচয় বহন করে।চার্জ: একটি পরমাণুতে প্রোটন ও ইলেকট্রনের সংখ্যা সমান হওয়ায় পরমাণু সাধারণত আধান নিরপেক্ষ থাকে; তবে ইলেকট্রন গ্রহণ বা বর্জন করলে এটি আয়নে পরিণত হয়।