(Thermal Conductivity) হলো কোনো পদার্থের মধ্য দিয়ে তাপ সঞ্চালিত হওয়ার ক্ষমতা, যা পদার্থের নিজস্ব ধর্ম; এটি পদার্থের তাপমাত্রা পরিবর্তনের সাথে সাথে তাপকে কতটা দ্রুত পরিবহন করতে পারে তা নির্দেশ করে এবং এর একক হলো ওয়াট প্রতি মিটার কেলভিন (W/m·K)। যে পদার্থের তাপ পরিবাহিতা বেশি (যেমন ধাতু), সে দ্রুত তাপ পরিবহন করে (সুপরিবাহী); আর যার কম (যেমন কাঠ, প্লাস্টিক), সে তাপ ধীরে পরিবহন করে বা তাপকে বাধা দেয় (কুপরিবাহী বা অন্তরক)।
তাপ পরিবাহিতার মূল বিষয়
সংজ্ঞা: একক তাপমাত্রা পার্থক্য (Kelvin/°C) ও একক পুরুত্বের মধ্য দিয়ে একক সময়ে একক ক্ষেত্রফলের উপর দিয়ে যে পরিমাণ তাপ প্রবাহিত হয়, তাকে তাপ পরিবাহিতা বলে।
প্রতীক ও একক: এটি
kk
𝑘
(কে),
λlambda
𝜆
(ল্যাম্বডা) বা
κkappa
𝜅
(কাপ্পা) দ্বারা প্রকাশ করা হয় এবং SI একক হলো ওয়াট প্রতি মিটার-কেলভিন (W/m·K)।
নির্ভরশীলতা: এটি পদার্থের উপাদানের প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে, কিন্তু তাপমাত্রা পার্থক্য, দৈর্ঘ্য বা প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের ওপর নির্ভর করে না।
প্রয়োগ: উচ্চ তাপ পরিবাহিতা সম্পন্ন পদার্থ (যেমন তামা) রান্নাঘরের পাত্র বা হিট সিঙ্কে ব্যবহৃত হয়, আর নিম্ন তাপ পরিবাহিতা সম্পন্ন পদার্থ (যেমন থার্মোকল) অন্তরক হিসেবে বাড়ি বা ফ্রিজে ব্যবহৃত হয়।
পদার্থের প্রকারভেদ (তাপ পরিবাহিতার ভিত্তিতে)
সুপরিবাহী (Good Conductors): যেসব পদার্থের তাপ পরিবাহিতা বেশি, যেমন - তামা, অ্যালুমিনিয়াম, লোহা।
কুপরিবাহী/অন্তরক (Poor Conductors/Insulators): যেসব পদার্থের তাপ পরিবাহিতা কম, যেমন - কাঠ, প্লাস্টিক, কাঁচ।