Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৫:১০ অপরাহ্ণ

গলনাঙ্ক (Melting Point)
পাঠ্য বইয়ের চিত্রঃ ৭.০৪ # 
গলনাঙ্ক (Melting Point) নির্ণয় মানে হলো কোনো কঠিন পদার্থ যে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় গলে তরলে পরিণত হয়, সেই তাপমাত্রা পরিমাপ করা; এর জন্য একটি থার্মোমিটার ও একটি উৎস ব্যবহার করে পদার্থকে ধীরে ধীরে গরম করা হয় এবং তাপমাত্রার পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করা হয়, সাধারণত বিশুদ্ধ পদার্থে একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় গলন শুরু হয়, যা একটি মৌলিক পরীক্ষাগার পদ্ধতি। উচ্চ গলনাঙ্কের পদার্থের জন্য বিশেষ কৌশল, যেমন অপটিক্যাল পাইরোমিটার ব্যবহার করা হয়। 
সাধারণ পদ্ধতি (কম গলনাঙ্কের জন্য):
  1. উপকরণ: একটি টেস্টটিউব, থার্মোমিটার, ওয়াচ গ্লাস/স্ট্যান্ড, তারজালি, বার্নার বা স্পিরিট ল্যাম্প, এবং যে কঠিন পদার্থটির গলনাঙ্ক বের করতে হবে (যেমন: বরফ, ইউরিয়া)।
  2. ব্যবস্থা: টেস্টটিউবে অল্প পরিমাণে কঠিন পদার্থ নিয়ে সেটিকে একটি বিকারে রাখা জল বা তেল গরম করে তার মধ্যে ডোবানো হয় (জল/তেল গরম করার উৎস)।
  3. পর্যবেক্ষণ: থার্মোমিটারের সাহায্যে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় এবং যখন পদার্থটি গলতে শুরু করে এবং সম্পূর্ণ তরলে পরিণত হয়, সেই সময়কার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।
  4. ফলাফল: যে তাপমাত্রায় পদার্থটি সম্পূর্ণ তরলে পরিণত হয়, তাই তার গলনাঙ্ক। 
উচ্চ গলনাঙ্কের পদার্থের জন্য:
  • অত্যন্ত উচ্চ গলনাঙ্কের (যেমন ১,৮০০°C এর উপরে) পদার্থের ক্ষেত্রে, একটি ব্ল্যাক বডি ফার্নেসে উপাদানটিকে গরম করা হয় এবং তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য অপটিক্যাল পাইরোমিটার ব্যবহার করা হয়। 
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
  • বিশুদ্ধ পদার্থের গলনাঙ্ক একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রা হয়।
  • অবিশুদ্ধ পদার্থে গলনাঙ্কের সীমা থাকে এবং তা বিশুদ্ধ পদার্থের চেয়ে কম হয়। 
মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট