Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১১:০৮ অপরাহ্ণ

কলয়েড (Colloid)

পাঠ্য বইয়ের চিত্রঃ ৮.০৭ #   কলয়েড (Colloid)
হলো এক ধরনের অসমসত্ত্ব মিশ্রণ যেখানে এক পদার্থের (কঠিন, তরল বা গ্যাস) খুব সূক্ষ্ম কণা অন্য পদার্থে এমনভাবে ছড়িয়ে থাকে (১ থেকে ১০০০ ন্যানোমিটার) যে কণাগুলো স্থায়ীভাবে ভেসে থাকে, থিতিয়ে পড়ে না এবং সাধারণ ফিল্টার পেপার দিয়ে আলাদা করা যায় না, যেমন দুধ, কুয়াশা, কালি বা ধোঁয়া; এটি প্রকৃত দ্রবণ ও निलম্বনের মধ্যবর্তী একটি অবস্থা এবং প্রায়শই টিন্ডাল প্রভাব (আলোর বিচ্ছুরণ) দেখায়। 
মূল বৈশিষ্ট্য: 
  • কণার আকার: ১ থেকে ১০০০ ন্যানোমিটার (১ ন্যানোমিটার =
    10-910 to the negative 9 power
    10−9
    মিটার) ব্যাসের কণা থাকে, যা অণুর চেয়ে বড় কিন্তু খালি চোখে দেখা যায় না।
  • স্থায়িত্ব: কণাগুলো অভিকর্ষ বলের প্রভাবে সহজে থিতিয়ে পড়ে না, ফলে মিশ্রণটি স্থিতিশীল থাকে (ব্রাউনীয় গতির কারণে)।
  • পৃথকীকরণ: সাধারণ ফিল্টার পেপার দিয়ে আলাদা করা যায় না, তবে বিশেষ পদ্ধতি (যেমন আলট্রাফিলট্রেশন) প্রয়োজন হতে পারে
টিন্ডাল প্রভাব: আলোকরশ্মি কলয়েডের মধ্য দিয়ে গেলে কণাগুলো দ্বারা আলো বিচ্ছুরিত হয় এবং আলোর পথ দৃশ্যমান হয় (যেমন ধোঁয়ার মধ্যে আলোর রেখা)। 
কলয়েডের উপাদান: 
  • বিস্তৃত দশা (Dispersed Phase): যে পদার্থটি ছড়িয়ে থাকে (কণা)।
  • বিস্তার মাধ্যম (Dispersion Medium): যে মাধ্যমে কণাগুলো ছড়িয়ে থাকে। 
উদাহরণ: 

  • তরল → কঠিন: জেলি, পনির, মাখন।
  • তরল → তরল (ইমালসন): দুধ (চর্বি-পানিতে), মেয়োনিজ, ক্রিম।
  • কঠিন → গ্যাস: ধোঁয়া (কঠিন কণা বাতাসে)।
  • তরল → গ্যাস (অ্যারোসল): কুয়াশা, স্প্রে (তরল কণা বাতাসে)।
  • কঠিন → কঠিন: রঙিন রত্নপাথর। 
মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট