Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৬:৪৩ অপরাহ্ণ

নিরাপদ পানি
পাঠ্য বইয়ের চিত্রঃ পৃষ্ঠা নং-  ৩৮ # 
নিরাপদ পানি হলো এমন স্বচ্ছ, গন্ধহীন ও স্বাদহীন পানি যা ক্ষতিকর জীবাণু, রাসায়নিক পদার্থ ও ভারী ধাতু মুক্ত এবং মানবদেহের জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ; এটি পান করা, রান্না করা ও দৈনন্দিন কাজে ব্যবহার করা যায়, যা রোগ প্রতিরোধে ও সুস্থ জীবনযাপনের জন্য অপরিহার্য, কারণ দূষিত পানি কলেরা, ডায়রিয়া ও অন্যান্য পেটের পীড়ার কারণ হতে পারে। জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG 6) অনুযায়ী, সকলের জন্য নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন নিশ্চিত করা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যা নিশ্চিত করতে পানির উৎস সংরক্ষণ, পরিশোধন এবং দক্ষ ব্যবস্থাপনা জরুরি। 
  • দৃষ্টিতে স্বচ্ছ, গন্ধহীন ও স্বাদহীন: কোনো ময়লা, আবর্জনা বা অপ্রীতিকর গন্ধ থাকবে না।
  • জীবাণু ও রাসায়নিক মুক্ত: এতে রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, বা ক্ষতিকর রাসায়নিক (যেমন আর্সেনিক) থাকবে না
সঠিক PH ও খনিজ: পানির PH স্তর (৬.৫-৮.৫) এবং খনিজ উপাদানের পরিমাণ সঠিক মাত্রায় থাকবে। 
  • স্বাস্থ্য সুরক্ষা: দূষিত পানি পান করলে টাইফয়েড, কলেরা, ডায়রিয়া, আমাশয় ও হেপাটাইটিসের মতো রোগ হতে পারে।
  • দৈনন্দিন কাজ: রান্না, শাকসবজি ধোয়া, বাসনপত্র পরিষ্কার করার জন্যেও এটি প্রয়োজন।
  • টেকসই উন্নয়ন: মানুষের অস্তিত্ব ও সভ্যতার উন্নতির জন্য নিরাপদ পানির প্রাপ্যতা অপরিহার্য। 

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের গবেষণা অনুযায়ী, বাজারে প্রচলিত অনেক 'জার' বা বোতলজাত পানিও সম্পূর্ণ নিরাপদ নয়, তাই উৎস যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ। 
মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট