পাঠ্য বইয়ের চিত্রঃ পৃষ্ঠা নং-০৭ #
পাটের জিনোম আবিষ্কারক হলেন বাংলাদেশি জিনতত্ত্ববিদ
ডঃ মাকসুদুল আলম (Dr. Maksudul Alam) এবং তাঁর নেতৃত্বে একটি গবেষক দল, যারা ২০১০ সালে এই যুগান্তকারী আবিষ্কারের ঘোষণা দেন। এই আবিষ্কার পাটের উন্নত জাত উদ্ভাবন এবং পাট শিল্পে নতুন দিগন্ত উন্মোচনে সহায়তা করেছে, এবং এটি ছিল বাংলাদেশের জন্য একটি বড় বৈজ্ঞানিক অর্জন।
মূল বিষয়:
- প্রধান বিজ্ঞানী: ডঃ মাকসুদুল আলম।
- ঘোষণা: ২০১০ সালের ১৬ জুন।
- দল: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (BJRI) এবং ডাটাসফট-এর গবেষকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ছিল।
- গুরুত্ব: পাটের জিনোম সিকোয়েন্স আবিষ্কারের ফলে পাটের উন্নত ও অধিক ফলনশীল জাত তৈরি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, এবং অন্যান্য জিনগত সুবিধা লাভ করা সম্ভব হয়েছে।