সিনিয়র শিক্ষক
১৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১১:০৬ অপরাহ্ণ
স্কুলে ফিরি, স্বপ্ন গড়ি”।
আমি
মোঃ
কামরুজ্জামান, সিনিয়র
শিক্ষক,
মুগুজী
মাস্টার ছোবহান
উচ্চ
বিদ্যালয়।
আজ
আমরা
কথা
বলবো
একটি
নীরব
কিন্তু
ভয়ংকর
সমস্যার কথা—
শিক্ষার্থী ঝরে
পড়া।”
“ঝরে পড়া
মানে
শুধু
একটি
শিশু
স্কুল
ছেড়ে
দেওয়া
নয়—
ঝরে
পড়া
মানে
একটি
স্বপ্ন
থেমে
যাওয়া,
একটি
সম্ভাবনা নষ্ট
হয়ে
যাওয়া।”
“আমাদের বিদ্যালয় পর্যায়ে ঝরে
পড়ার
প্রধান
কারণগুলো হলো—
দারিদ্র্য,
পড়াশোনার ভয়,
অভিভাবকের অসচেতনতা,
এবং
কখনো
কখনো
বিদ্যালয়ভীতি।
এই
কারণগুলো সময়মতো
বুঝতে
না
পারলে
একজন
শিক্ষার্থী হারিয়ে
যায়
নীরবে।”
“কিন্তু সমাধান আছে।
একজন সহানুভূতিশীল শিক্ষক,
একটি আনন্দময় শ্রেণিকক্ষ,
এবং সচেতন অভিভাবকের সহযোগিতা ।
এই তিনটি মিললেই
একজন ঝরে পড়া শিক্ষার্থী আবার স্কুলে ফিরতে পারে।
“যখন আমরা
শিক্ষার্থীর পাশে
দাঁড়াই,
তাকে
বিশ্বাস করি,
তখন
সে
নিজেই
বলে—
‘স্যার,
আমি
আবার
স্কুলে
আসতে
চাই।’”
“ঝরে পড়া রোধ করা মানে
একটি জীবন রক্ষা করা।
আসুন,
আমরা
সবাই
মিলে
এমন
একটি
বিদ্যালয় গড়ে
তুলি—
যেখানে
শিক্ষা
সবার
জন্য,
কেউ
যেন
বাদ
না
পড়ে।”
এই উদ্যোগটি অধিকতর উন্নয়নে আপনার পরামর্শ দিন------
নিয়মিত অনলাইন/অফলাইন মতবিনিময় সভা, সচেতনতামূলক ভিডিও ও বার্তা প্রদান করে অভিভাবককে উদ্যোগটির অংশীদার করতে হবে। এতে শিক্ষার্থীর বিদ্যালয়মুখিতা বৃদ্ধি পাবে।উদ্ভাবনী উদ্যোগটির কার্যকারিতা পরিমাপের জন্য শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকের কাছ থেকে নিয়মিত ফিডব্যাক সংগ্রহ করে প্রয়োজন অনুযায়ী হালনাগাদ করতে হবে।বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি ও শিক্ষা কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে উদ্যোগটির জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও বাজেট বরাদ্দ নিশ্চিত করা গেলে এটি টেকসই রূপ পাবে।