Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

০৪ মে, ২০২৬ ০৭:৫১ পূর্বাহ্ণ

স্বরধ্বনির উচ্চারণভিত্তিক সমন্বিত ছক২

স্বরধ্বনির উচ্চারণভিত্তিক সমন্বিত ছক


জিভের উচ্চতাজিভের অবস্থান (সম্মুখ)জিভের অবস্থান (মধ্য/পশ্চাৎ)ঠোঁটের আকৃতি
উচ্চসংবৃত (সংকুচিত)
উচ্চ-মধ্যঅর্ধ-সংবৃত
নিম্ন-মধ্যঅ্যাঅর্ধ-বিবৃত
নিম্ন-বিবৃত (প্রসারিত)

কিছু গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ:


  • বিবৃত ধ্বনি (আ): লক্ষ্য করলে দেখবেন, 'আ' উচ্চারণের সময় মুখ সবচেয়ে বেশি খোলে।

    এই কারণেই ছোটবেলায় ডাক্তাররা যখন আমাদের মুখ দেখতে চান, তখন 'আ' করতে বলেন।


  • সম্মুখ বনাম পশ্চাৎ: 'ই' উচ্চারণ করার সময় জিভ সামনের দিকে এগিয়ে আসে, কিন্তু 'উ' উচ্চারণের সময় জিভ পেছনের দিকে সরে যায় এবং

    ঠোঁট গোল হয়ে আসে।


  • অ্যা-এর গুরুত্ব: 'অ্যা' ধ্বনিটি বাংলা বর্ণমালায় আলাদা বর্ণ হিসেবে না থাকলেও উচ্চারণের ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

    (যেমন: 'দেখা' শব্দের উচ্চারণ অনেক সময় 'দ্যাখা' হয়)।


এই শ্রেণিবিভাগগুলো মূলত ড্যানিয়েল জোন্স-এর 'স্বরধ্বনি চতুর্ভুজ' (Vowel Quadrilateral) মডেল অনুসরণ করে তৈরি করা হয়েছে,

যা আধুনিক বাংলা ব্যাকরণে প্রমিত মান হিসেবে ধরা হয়।

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট