সিনিয়র শিক্ষক
২৯ মে, ২০২৬ ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ণ
বেগুন চাষ পদ্ধতি।
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ দশম
বিষয়ঃ কৃষি শিক্ষা
অধ্যায়ঃ অধ্যায় ৪
- উপযুক্ত জাত: অঞ্চলভেদে বারি বেগুন-১, বারি বেগুন-১০, নয়ন কাজল, বা হাইব্রিড জাতগুলো বেছে নেওয়া যায়।
- বীজতলা: উঁচু, ছায়ামুক্ত ও পানি নিষ্কাশনের সুবিধাযুক্ত স্থানে বীজতলা তৈরি করতে হবে। বীজ বপনের আগে ৮-১০ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখলে অঙ্কুরোদগম ভালো হয়।
- চারা রোপণ: চারা ২৫-৩০ দিনের (৩-৪ পাতা বিশিষ্ট) হলে তা মূল জমিতে রোপণের উপযোগী হয়। চারাগুলো বিকেলে রোপণ করা সবচেয়ে ভালো। [1, 2, 3, 4, 5]
- জমি তৈরি: জমি ৪-৫ বার আড়াআড়ি চাষ ও মই দিয়ে ঝুরঝুরে ও সমান করে নিতে হবে।
- সারের মাত্রা (প্রতি শতকে): ২০-২৫ কেজি পচা গোবর, ২৫০ গ্রাম ইউরিয়া, ২০০ গ্রাম টিএসপি এবং ১৫০ গ্রাম এমপি সার প্রয়োগ করতে হবে।
- প্রয়োগ পদ্ধতি: চারা লাগানোর আগে মাটির সাথে অর্ধেক ইউরিয়া বাদে অন্য সব সার মিশিয়ে দিতে হবে। বাকি ইউরিয়া সমান তিন কিস্তিতে চারা লাগানোর ১৫ দিন পর, ফুল আসার সময় এবং ফল তোলার সময় প্রয়োগ করতে হবে। [1, 2, 3]
- পোকা মাকড়: বেগুনের প্রধান শত্রু ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা। এছাড়াও জাব পোকা ও মাকড়ের আক্রমণ হতে পারে।
- প্রতিকার: পোকা দমনে ‘সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা’ (IPM) বা ফেরোমোন ফাঁদ ব্যবহার সবচেয়ে নিরাপদ। এছাড়া আক্রান্ত ডগা কেটে ফেলে দিতে হবে এবং প্রয়োজনে কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ অনুযায়ী কীটনাশক বা জৈব বালাইনাশক স্প্রে করতে হবে।
- ঢলে পড়া রোগ: এটি ছত্রাকজনিত সমস্যা। আক্রান্ত গাছ দ্রুত তুলে ধ্বংস করতে হবে এবং জমিতে চুন বা ট্রাইকোডার্মা ব্যবহার করতে হবে।