Loading..

ভিডিও ক্লাস

রিসেট

০৯ জুলাই, ২০২৬ ১০:৩৬ অপরাহ্ণ

হবীবুল্লাহ্ বাহার রচিত ‘মরু-ভাস্কর’

হবীবুল্লাহ্ বাহার রচিত ‘মরু-ভাস্কর’ প্রবন্ধের মূলভাব হলো ইসলাম ধর্মের প্রবর্তক হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন, অসামান্য মানবিক গুণাবলী, মহৎ আদর্শ এবং মহানুভবতার আলোকচিত্র উপস্থাপন করা। লেখক এখানে 'মরু-ভাস্কর' বা 'মরুভূমির সূর্য' হিসেবে মহানবী (সা.)-এর চরিত্রকে তুলে ধরেছেন, যিনি তৎকালীন আরবের জাহেলিয়াত বা অন্ধকারের মাঝে আলো ও শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছিলেন।

মহানুভবতা ও ক্ষমার আদর্শ: মহানবী (সা.) ছিলেন চরম সহনশীল। মক্কা বিজয়ের পর তিনি তাঁর চরম শত্রুদেরও বুক পেতে ক্ষমা করে দিয়েছিলেন, যা মানব ইতিহাসের এক বিরল দৃষ্টান্ত। 

অহমিকাহীন সরল জীবনযাপন: সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ হওয়া সত্ত্বেও তাঁর মধ্যে কোনো অহংকার ছিল না। অগাধ ক্ষমতা ও সম্পদের মাঝে থেকেও তিনি একজন সাধারণ মানুষের মতো অতি সাধারণ জীবনযাপন করতেন। 

মানুষের প্রতি অফুরন্ত ভালোবাসা: জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের প্রতি তাঁর ভালোবাসা ছিল অতুলনীয়। তিনি দাস-দাসী, অসহায় ও দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং সমাজ থেকে কুসংস্কার দূর করে মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করেছেন।

নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠা: তৎকালীন অবহেলিত সমাজব্যবস্থায় নারীর পরাধীনতার শিকল ছিন্ন করে সমাজে নারীর অধিকার ও সর্বোচ্চ সম্মান নিশ্চিত করেছিলেন তিনি।

সত্যনিষ্ঠা ও ন্যায়বিচার: ব্যক্তিগত বা দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে তিনি সর্বদা সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল ছিলেন এবং সমাজে সুবিচার কায়েম করেছিলেন।

জ্ঞানচর্চার গুরুত্ব: তিনি অন্ধবিশ্বাসের বদলে জ্ঞান অর্জনের ওপর অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছিলেন এবং জ্ঞানকে মুমিনের হারানো সম্পদ হিসেবে অভিহিত করেছিলেন। 

মন্তব্য করুন