Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

২৪ জুলাই, ২০২৬ ০৯:১৩ অপরাহ্ণ

সালামের সুচনা কিভাবে হল

সালামের সূচনা কীভাবে হলো?

রাসুলুল্লাহ বলেছেন:

আল্লাহ তাআলা যখন আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করলেন, তখন তাঁকে বললেন, "ওই ফেরেশতাদের দলের কাছে যাও এবং তাদের সালাম দাও। তারা তোমার সালামের কী জবাব দেয় তা মনোযোগ দিয়ে শোনো। কারণ এটাই হবে তোমার এবং তোমার সন্তানের অভিবাদন।"

তখন আদম (আ.) বললেন:

السَّلَامُ عَلَيْكُمْ

আসসালামু আলাইকুম।

ফেরেশতারা জবাব দিলেন:

السَّلَامُ عَلَيْكَ وَرَحْمَةُ اللَّهِ

আসসালামু আলাইকা ওয়া রাহমাতুল্লাহ।

অর্থাৎ, তারা "ওয়া রাহমাতুল্লাহ" বাক্যটি যোগ করে আরও উত্তম জবাব দিলেন।

তথ্যসূত্র: সহিহ বুখারি (হাদিস: ৬২২৭, ৩৩২৬) এবং সহিহ মুসলিম (হাদিস: ২৮৪১)

'আসসালামু আলাইকুম' এর অর্থ কী?

  • السَّلَامُ (আস-সালাম): শান্তি, নিরাপত্তা। এটি আল্লাহর ৯৯টি সুন্দর নামের (আসমাউল হুসনা) একটি।

  • عَلَيْكُمْ (আলাইকুম): আপনাদের/তোমাদের ওপর।

অর্থ: "আপনাদের ওপর আল্লাহর শান্তি, নিরাপত্তা ও কল্যাণ বর্ষিত হোক।"

কুরআনে সালামের গুরুত্ব

আল্লাহ তাআলা বলেন:

وَإِذَا حُيِّيتُمْ بِتَحِيَّةٍ فَحَيُّوا بِأَحْسَنَ مِنْهَا أَوْ رُدُّوهَا

অর্থ: "যখন তোমাদেরকে কোনো শুভেচ্ছা জানানো হয়, তখন তোমরা তার চেয়ে উত্তম শুভেচ্ছা জানাও অথবা অনুরূপ জবাব দাও।"
(
সূরা আন-নিসা, ৪:৮৬)

কেন সালাম এত গুরুত্বপূর্ণ?

রাসুলুল্লাহ বলেছেন:

"তোমরা সালামের ব্যাপক প্রচলন কর।"

(সহিহ মুসলিম)

আরও বলেছেন:

"তোমরা ঈমানদার না হওয়া পর্যন্ত জান্নাতে প্রবেশ করবে না। আর পরস্পরকে ভালোবাসা না হওয়া পর্যন্ত প্রকৃত ঈমানদার হতে পারবে না। আমি কি তোমাদের এমন একটি কাজ বলে দেব, যা করলে তোমাদের মধ্যে ভালোবাসা সৃষ্টি হবে? তোমরা নিজেদের মধ্যে সালামের প্রচলন কর।"

(সহিহ মুসলিম)

সারসংক্ষেপ: ইসলামে সালামের প্রচলন শুরু হয় হযরত আদম (আ.)-এর মাধ্যমে। আল্লাহ নিজেই তাঁকে ফেরেশতাদের সালাম দিতে নির্দেশ দেন, এবং সেই সালামই মানবজাতির ইসলামী অভিবাদন হিসেবে নির্ধারিত হয়। এরপর সব নবী এবং সর্বশেষ নবী মুহাম্মদ এই সালামকে উম্মতের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত ও ব্যাপকভাবে প্রচার করেছেন।

Top of Form

 

 

Bottom of Form

 

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট