Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

৩০ জুলাই, ২০২৬ ০২:১১ অপরাহ্ণ

অপুষ্পক ও সপুষ্পক উদ্ভিদ

Ø  রাজ্য- : প্লান্টি (উদ্ভিদজগৎ

জর্জ বেনথাম ডাল্টন হুকার এর প্রাকৃতিক শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী উদ্ভিদ জগৎকে নিম্নলিখিত ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

 

Ø  অপুষ্পক উদ্ভিদ

যেসব উদ্ভিদে ফুল, ফল বীজ উৎপন্ন হয় না তাদেরকে অপুষ্পক উদ্ভিদ বলে। যেমন: মস, ফার্ণ ইত্যাদি। এরা স্পোর বা রেনুর মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে থাকে। অপুষ্পক উদ্ভিদকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

 

 সমাঙ্গবর্গীয় উদ্ভিদ: এসব উদ্ভিদের দেহ মূল, কাণ্ড পাতায় বিভক্ত করা যায় না। এদের মধ্যে যাদের ক্লোরোফিল আছে, ফলে তারা নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে। যেমন: স্পাইরোগাইরা। আর যাদের দেহে ক্লোরোফিল নেই, ফলে নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে না, তারা ছত্রাক। যেমন: এগারিকাস।

 

মসবর্গীয় উদ্ভিদ: এদের দেহ কাণ্ড পাতায় বিভক্ত করা যায়। কিন্তু এদের মূল নেই, মূলের পরিবর্তে রাইজয়েড নামক সূত্রাকার অঙ্গ থাকে। সাধারণত এরা পুরানো ভেজা দেয়ালে কার্পেটের মতো নরম আস্তরণ করে জন্মায়। যেমন: ব্রায়াম।

 

ফার্নবর্গীয় উদ্ভিদ: ফার্নবর্গীয় উদ্ভিদের দেহ মূল, কাণ্ড পাতায় বিভক্ত। এদের দেহে পরিবহণ টিস্যু রয়েছে কচি পাতাগুলো কুণ্ডলীত থাকে। বাড়ির পাশে স্যাতস্যাতে ছায়াযুক্ত স্থানে এবং পুরোনো দালানের প্রাচীরে এদের জন্মাতে দেখা যায়। যেমন: টেরিস।

 

Ø  সপুষ্পক উদ্ভিদ

যেসব উদ্ভিদে ফুল উৎপন্ন হয় তাদেরকে সপুষ্পক উদ্ভিদ বলে। যেমন: আম, কাঁঠাল, ধান, নারিকেল ইত্যাদি। এদের দেহ সুস্পষ্টভাবে মূল, কাণ্ড এবং পাতা বিভক্ত। ফুলের মাধ্যমে পরাগায়ন প্রক্রিয়ায় এদের বংশবিস্তার ঘটে। বীজের আবরণের উপর নির্ভর করে সপুষ্পক উদ্ভিদকে আবার নগ্নবীজী এবং আবৃতবীজী এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়। নগ্নবীজী উদ্ভিদের ফুলে গর্ভাশয় থাকে না বলে ফল উৎপন্ন হয় না। তাই বীজ নগ্ন অবস্থায় থাকে। উদাহরণ: সাইকাস, পাইনাস ইত্যাদি। আর আবৃতবীজী উদ্ভিদের ফুলে গর্ভাশয় থাকায় ফল উৎপাদন হয় এবং বীজ আবৃত থাকে। উদাহরণ: আম, জাম, সুপারি ইত্যাদি।

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট