Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

০৬ আগস্ট, ২০২৬ ১২:২৪ পূর্বাহ্ণ

রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেল

১৯১১ সালে বিজ্ঞানী আর্নেস্ট রাদারফোর্ড তার বিখ্যাত আলফা কণা বিচ্ছুরণ পরীক্ষার ওপর ভিত্তি করে পরমাণুর এই মডেল প্রস্তাব করেন। একে পরমাণুর সৌর মডেল বা নিউক্লীয় মডেল  বলা হয়, কারণ এতে পরমাণুর কেন্দ্রকে সূর্যের সাথে এবং ইলেকট্রনকে গ্রহগুলোর সাথে তুলনা করা হয়েছে।


রাদারফোর্ড পরমাণু মডেলের মূল বৈশিষ্ট্য
পরমাণুর দুটি অংশ: পরমাণু মূলত দুটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত—কেন্দ্র বা নিউক্লিয়াস এবং কেন্দ্র বহির্ভূত ইলেকট্রন অঞ্চল। 
নিউক্লিয়াস: পরমাণুর কেন্দ্রে অত্যন্ত ক্ষুদ্র পরিসরে একটি ধনাত্মক চার্জযুক্ত ভারী কণা থাকে। একে নিউক্লিয়াস বলে। পরমাণুর সমস্ত ভর এই নিউক্লিয়াসে জমা থাকে।
শূন্যস্থান: পরমাণুর বেশিরভাগ জায়গাই ফাঁকা।
ইলেকট্রনের ঘূর্ণন: সৌরজগতের সূর্যের চারদিকে গ্রহগুলো যেভাবে ঘোরে, তেমনি ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ইলেকট্রনগুলোও নিউক্লিয়াসের চারপাশে নির্দিষ্ট বৃত্তাকার পথে উচ্চ গতিতে ঘুরে বেড়ায়। স্থির বৈদ্যুতিক আকর্ষণ বলের কারণে ইলেকট্রন ও নিউক্লিয়াস একসাথে থাকে।
মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট