Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

৩১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০২ অপরাহ্ণ

বাট্টা(Discount)

বাট্টা (Discount):

সাধারণ অর্থে, কোন বস্তুর নির্ধারিত মূল্য অপেক্ষা কম মূল্যে ক্রয় সম্ভব হলে, যতটুকু মূল্য কম পরিশোধ করা হলো, তা-ই বাট্টা। ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে এই বাট্টা দেওয়া ও পাওয়া উভয়ই হয়ে থাকে।

সাধারণত বাট্টা দুই ধরনের বাট্টাঃ

১। কারবারি বাট্টা (Trade Discount):

বিক্রেতা পণ্যের বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করে। বিক্রয় বৃদ্ধির জন্য বিক্রেতা যখন পূর্বনির্ধারিত বিক্রয়মূল্য অপেক্ষা কম মূল্যে পণ্য বিক্রয় করে, তা কারবারি বাট্টা হিসেবে গণ্য করা হয়। এই কারবারি বাট্টা বিক্রেতার জন্য বিক্রয় বাট্টা এবং ক্রেতার জন্য ক্রয় বাট্টা। ক্রেতা বা বিক্রেতা কেউই এই বাট্টার হিসাব রাখে না। প্রকৃত যে মূল্যে ক্রয় – বিক্রয়  হয়েছে, তা-ই হিসাবে লিপিবদ্ধ করা হয় ৷

উদাহরনস্বরূপঃ মিঃ রহিম ১০% বাট্টায় মিঃ করিমের নিকট ১০,০০০ টাকার পণ্য বিক্রি করলেন। এক্ষেত্রে উভয়ের হিসাব বইতে পণ্যের মোট মূল্য ১০,০০০ টাকা হতে ১০%(১,০০০টাকা) কারবারি বাট্টা বাদ দিয়ে হিসাবভূক্ত করতে হবে। অর্থাৎ এখানে হিসাবের বইতে পণ্য ক্রয়/বিক্রয় বাবদ ৯,০০০ টাকা হিসাবভূক্ত করতে হবে।

২। নগদ বাট্টা (Cash Discount):

ব্যবসায়ের ক্রয়- বিক্রয় প্রায়ই বাকিতে সংঘটিত হয়। ক্রেতা-বিক্রেতার মাঝে দেনা-পাওনার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিক্রেতা ক্রেতাকে যে টাকা ছাড় দেয় তাই নগদ বাট্টা। মনে রাখতে হবে এটার, নাম নগদ বাট্টা হলেও এটা দেনাদার ও পাওনাদারের সাথে সম্পর্কিত । উভয় পক্ষ তাদের হিসাবের বইতে এই বাট্টা লিপিবদ্ধ করে।

এটি দুই প্রকারঃ প্রাপ্ত বাট্টা ও নগদ বাট্টা।

প্রাপ্ত বাট্টা পাওনাদারের সাথে সম্পর্কিত ও প্রদত্ত বাট্টা দেনাদারের সাথে সম্পর্কিত ।

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট