বনমানুষ' গল্প নিয়ে কিছু কথা ও মূলভাব
- পটভূমি: দেশভাগের প্রাক্কালে কলকাতার বুকে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা এই গল্পের মূল ভিত্তি। ধর্মের নামে মানুষের হিংস্র রূপ এখানে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। [1, 2, 3]
- গল্পের সারসংক্ষেপ: গল্পের প্রধান চরিত্র বনের চাকরি ছেড়ে বেশি বেতনের আশায় কলকাতায় আসে। প্রথমে আধুনিক শহর ও সভ্য মানুষ দেখে সে মুগ্ধ হয়। কিন্তু দাঙ্গা শুরু হলে সে দেখে, ধর্মের অজুহাতে মানুষ একে অপরকে পশুর মতো হত্যা করছে। [1, 2]
- পশু বনাম মানুষ: লেখক দেখিয়েছেন যে বনের পশুরা সাধারণত অকারণে বা নিজেদের জাতের প্রাণীকে এভাবে নির্মমভাবে হত্যা করে না। কিন্তু তথাকথিত 'সভ্য' মানুষ হিংস্রতায় বনের পশু বা আদিম বনমানুষকেও ছাড়িয়ে গেছে। [1, 2]
- মূল বার্তা: বাহ্যিক আধুনিকতা মানুষকে প্রকৃত সভ্য করে তোলে না। মানুষের ভেতর যদি মানবিকতা, সহমর্মিতা ও বোধশক্তি না থাকে, তবে সে পোশাক-আশাকে সভ্য হলেও ভেতরে আসলে এক হিংস্র 'বনমানুষ'। [1, 2]