ডেটা ট্রান্সমিশন স্পিড অনুযায়ী ব্যান্ডউইথের প্রকারভেদ
ডেটা স্থানান্তরের গতির ওপর ভিত্তি করে ব্যান্ডউইথকে মূলত ৩টি ভাগে ভাগ করা হয়:
১. ন্যারো ব্যান্ড (Narrowband)
- গতি (Speed): ৪৫ bps (bits per second) থেকে ১.৫ Kbps (Kilobits per second) পর্যন্ত।
- বৈশিষ্ট্য: এটি সবচেয়ে ধীরগতির ডেটা ট্রান্সমিশন মাধ্যম। এতে সাধারণত কেবল টেক্সট বা লিপি জাতীয় ডেটা পাঠানো হয়।
- ব্যবহার: টেলিগ্রাফিতে (Telegraphy) বার্তাপ্রেরণের জন্য ন্যারো ব্যান্ড ব্যবহৃত হতো।
২. ভয়েস ব্যান্ড (Voiceband)
- গতি (Speed): সাধারণ গতি ৯৬০০ bps (৯.৬ Kbps) পর্যন্ত হতে পারে।
- বৈশিষ্ট্য: এটি মাঝারি গতির ডেটা ট্রান্সমিশন ব্যান্ড। এটি মূলত মানুষের কণ্ঠস্বর (Voice) স্থানান্তরের উপযোগী করে তৈরি।
-
ব্যবহার:
- টেলিফোন নেটওয়ার্ক।
- কম্পিউটার থেকে প্রিন্টার বা কার্ড রিডারে ডেটা পাঠানোর কাজে।
৩. ব্রডব্যান্ড (Broadband)
- গতি (Speed): ন্যূনতম ১ Mbps (Megabits per second) থেকে শুরু করে কয়েক Gbps বা তারও বেশি।
- বৈশিষ্ট্য: এটি অত্যন্ত উচ্চগতির ডেটা ট্রান্সমিশন মাধ্যম। এর মাধ্যমে একই সাথে বিশাল পরিমাণ অডিও, ভিডিও এবং ভিজ্যুয়াল ডেটা আদান-প্রদান সম্ভব।
-
ব্যবহার:
- ফাইবার অপটিক ক্যাবল (Optical Fiber Cable)।
- স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন (Satellite Communication)।
- Wi-Fi এবং মোবাইল নেটওয়ার্ক (4G / 5G)।