Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৮:৫০ অপরাহ্ণ

পৌষ্টিকতন্ত্র
যে তন্ত্রের সাহায্যে খাদ্যবস্তু গ্রহণ, পরিপাক, শোষণ এবং অপাচ্য অংশ মলরূপে দেহ থেকে নিষ্কাশিত হয়, তাকে মানব পরিপাকতন্ত্র বা পৌষ্টিকতন্ত্র বলে। 
মানুষের পৌষ্টিকতন্ত্র প্রধানত দুটি অংশ নিয়ে গঠিত: পৌষ্টিকনালি ও পৌষ্টিক গ্রন্থি।
পৌষ্টিকনালি
মুখ থেকে পায়ু পর্যন্ত বিস্তৃত ৮ থেকে ১০ মিটার লম্বা প্যাঁচানো নলটি হলো পৌষ্টিকনালি। এর প্রধান অংশগুলো হলো: 
মুখ ও মুখবিবর: খাদ্য গ্রহণের প্রথম অঙ্গ। এখানে দাঁত ও লালার সাহায্যে খাদ্য ভাঙা শুরু হয়।
গলবিল: মুখবিবরের পেছনের অংশ, যা খাদ্যকে অন্ননালিতে পাঠায়।
অন্ননালি: গলবিল থেকে পাকস্থলী পর্যন্ত খাদ্য পরিবহনের নল।
পাকস্থলী: থলির মতো অঙ্গ, যেখানে পেশির সংকোচনে খাদ্য পিষে মণ্ডে পরিণত হয় এবং গ্যাস্ট্রিক রসের সাহায্যে পরিপাক হয়।
ক্ষুদ্রান্ত্র: পাকস্থলী থেকে বৃহদন্ত্র পর্যন্ত দীর্ঘ প্যাঁচানো নল। এখানেই খাদ্যের অধিকাংশ পরিপাক ও শোষণ ঘটে।
বৃহদন্ত্র: ক্ষুদ্রান্তরের পরের অংশ, যা অপাচ্য খাদ্য থেকে পানি শোষণ করে এবং মল তৈরি করে।
পায়ু: পৌষ্টিকনালির শেষ প্রান্ত যার মাধ্যমে দেহ থেকে মল নির্গত হয়। 
পৌষ্টিক গ্রন্থি
যেসব গ্রন্থির রস খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে, সেগুলো পৌষ্টিক গ্রন্থি। এর মধ্যে রয়েছে:

লালাগ্রন্থি: লালারস তৈরি করে যা শর্করা পরিপাকে সাহায্য করে।
যকৃত: পিত্তরস তৈরি করে, যা চর্বি জাতীয় খাদ্য হজমে সাহায্য করে।
অগ্ন্যাশয়: অগ্ন্যাশয় রস তৈরি করে যাতে আমিষ, শর্করা ও চর্বি পরিপাকের উৎসেচক থাকে। 
মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট