1) চাঁদের থেকে সূর্য 27.7 কোটি গুন বড় এবং 255 লক্ষ গুণ বেশি ভারী।
2) পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব অপেক্ষা সূর্যের দূরত্ব 391 গুণ বেশি।
3) পৃথিবীর উপর চাঁদের আকর্ষণ বল সূর্য থেকে- 2.2 গুণ বেশি।
4) পৃথিবী থেকে চাঁদের গড় দূরত্ব 3 লক্ষ 84 হাজার 401 কিমি।
5) পৃথিবীর চারিদিকে চাঁদের একবার ঘুরে আসতে সময় লাগে 27 দিন 8 ঘণ্টা।
6) জোয়ার ভাটা সৃষ্টির প্রধান কারণ-সূর্য ও চাদের আকর্ষণ বল ও পৃথিবীর আবর্তন জনিত কেন্দ্রাতিগ বল।
7)চাঁদের প্রত্যক্ষ প্রভাবে সৃষ্ট জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বলে।
8)কেন্দ্রাতিগ বল এর প্রভাবে যে জোয়ার সৃষ্টি হয় তাকে গৌণ জোয়ার বলে।
9)জোয়ারের দুটি সমকোন স্থানে যেখানে জল সরেযায় সেখানে ভাটার সৃষ্টি হয়।
10)একই সময়ে পৃথিবীর দুটি অংশে জোয়ার এবং দুটি অংশে ভাটা হয়।
11)পৃথিবীর যেকোনো স্থানে প্রতিদিন দুবার জোয়ার ও দুবার ভাটা হয়।
12)চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্যের সিজিগি বা সারলরৈখিক অবস্থানে যে তীব্র জোয়ার হয় তাকে ভরা কোটাল বলে।
13)ভরা কোটাল জোয়ারের তীব্রতা বেশি হয়।
13)চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্যের সমকোণীক অবস্থানে মরা কোটাল হয়।
14)মরা কোটাল দুটো তিথিতে হয়- শুক্লপক্ষ ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথি।
15)মরা কোটালে জোয়ারের তীব্রতা কম হয়।
16)চাঁদ ও পৃথিবী যখন একই সরলরেখায় অবস্থান করে তখন তাকে সিজিগি বলা হয়।
17)সিজিগি কথার অর্থ হল সহযোগে বা একসঙ্গে থাকা।
18)সিজিগি হলো -সরলরৈখিক অবস্থান বা 180° অবস্থান।
19)সিজিগির দুটি অবস্থা- সংযোগ অবস্থা বা অমাবস্যা এবং প্রতিযোগ অবস্থা বা পূর্ণিমা।
20)চাঁদ যখন সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে থাকে তাকে -সংযোগ বলে।
21)পৃথিবী যখন সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে থাকে তাকে- প্রতিযোগ অবস্থান বলে।
22)পূর্ণিমা অপেক্ষা আমাবর্ষার ভরা কোটালে জোয়ারের বেগ বেশি হয়।
23) পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব যখন সর্বাধিক হলে (4.07 লক্ষ্য কিমি) তাকে -অ্যাপোজি অবস্থান বলে।
24) পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব যখন সবচেয়ে কম হলে (3.57 লক্ষ্য কিমি) তাকে- পেরিজি অবস্থান বলে।
25)সমুদ্রের জোয়ারের জল প্রবল বেগে নদীতে প্রবেশ করে জলোচ্ছ্বাস ঘটায় তাকে- বানডাকা বলে।
26)দুটি ষাড়ের লড়াই বাধলে যে গর্জন সৃষ্টি হয়, ততটাই গর্জন করে বান এলে ষাঁড়াষাঁড়ির বান বলে।
27)পশ্চিমবঙ্গের হুগলি নদীর মোহনার নিকট ষাঁড়াষাঁড়ির বান দেখা যায।
28)ফানেল আকৃতির নদী মোহনাকে- খাড়ি বলে।
পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবনে আণেক- খাড়ি দেখা যায়।
29)কোন স্থানে দিনে দুবার জোয়ার ও দুবার ভাটা হয়। একবার মুখ্য ও একবার গৌণ জোয়ার হয়।
30)পৃথিবীর কোন স্থানে দুটি মুখ্য জোয়ারের মধ্যে সময়ের ব্যবধান 24 ঘণ্টা 52 মিনিট।
31)একটি মুখ্য জোয়ার ও একটি গৌণ জোয়ারের মধ্যে সময়ের ব্যবধান 12 ঘন্টা 26 মিনিট।
32)একটি জোয়ার একটি ভাটার মধ্যে সময়ের ব্যবধান হল- 6 ঘন্টা 13মিনিট।
33)মুখ্য জোয়ার ও গৌণ জোয়ারের মধ্যে কৌণিক দূরত্ব- 180°।
34)জোয়ার ও ভাটার মধ্যে কৌণিক দূরত্ব -90 ডিগ্রি।