Loading..

উদ্ভাবনের গল্প

রিসেট

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:৪০ অপরাহ্ণ

ঝুম বৃষ্টিতে আনন্দের ছোঁয়া: গানে ও আনন্দে শিশুমন বিকাশের একটি ছোট উদ্যোগ

ঝুম বৃষ্টিতে আনন্দের ছোঁয়া: গানে ও আনন্দে শিশুমন বিকাশের একটি ছোট উদ্যোগ

​বিভাগ:

​উদ্ভাবনের গল্প 

​বিবরণ/গল্পের বিবরণী:

​মূল ভাবনা ও প্রেক্ষাপট:

প্রাথমিক শিক্ষার অন্যতম মূল লক্ষ্য হলো শিশুদের জন্য একটি আনন্দদায়ক, সহানভূতিশীল এবং আকর্ষণীয় বিদ্যালয় পরিবেশ গড়ে তোলা। বৃষ্টিমুখর দিনে সাধারণত শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। কিন্তু এই বৃষ্টিকেই যদি শিখন ও আনন্দের উৎস বানিয়ে নেওয়া যায়, তবে তা শিশুদের মানসিক বিকাশে দারুণ ভূমিকা রাখে।

​উদ্ভাবনী উদ্যোগ:

বর্ষার দিনে বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিশুদের নিয়ে নিরাপদ পরিবেশে বৃষ্টি উপভোগ করার একটি ছোট উদ্যোগ গ্রহণ করি। ছাতা মাথায় শিশুদের নিষ্পাপ আনন্দ, ছোটাছুটি এবং বৃষ্টির শব্দে তাদের উচ্ছ্বাস ছিল দেখার মতো। তাদের এই নিষ্পাপ আনন্দকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলতে কোনো রকম বাদ্যযন্ত্র বা প্রথাগত অনুশীলন ছাড়াই খালি গলায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বর্ষার কালজয়ী গান “বরিষ ধরা-মাঝে শান্তির বারি” পরিবেশন করি।

​প্রভাব ও ফলাফল:

১. বিদ্যালয়মুখী মনোভাব: প্রকৃতির সাথে সুরের এই মেলবন্ধন শিশুদের মন থেকে বিদ্যালয় ভীতি দূর করে এবং তাদের উপস্থিতির হার বাড়াতে সাহায্য করেছে।

২. সহপাঠক্রমিক কার্যক্রমের বিকাশ: শিশুদের মাঝে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অনুধাবন করা এবং সঙ্গীত ও সংস্কৃতির প্রতি ভালোবাসা তৈরি হয়েছে।

৩. শিক্ষক-শিক্ষার্থী সুসম্পর্ক: প্রথাগত শিক্ষক কেন্দ্রিক পাঠদানের বাইরে এসে শিশুদের সাথে শিক্ষকের একটি বন্ধুত্বপূর্ণ ও আস্থার সম্পর্ক তৈরি হয়েছে।

​উপসংহার:

গানের প্রথাগত ব্যাকরণ বা সুর-তালের নিখুঁততার চেয়ে শিশুদের হাসিমুখ ধরে রাখা এবং স্মৃতি তৈরি করাটাই ছিল এই উদ্যোগের মূল সাফল্য। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিটা শিশুই যেন আনন্দে ও ভালোবাসায় বেড়ে ওঠে—এই প্রত্যাশায় ভিডিওটি শিক্ষক বাতায়নে সহকর্মীদের অনুপ্রেরণার জন্য শেয়ার করা হলো।

ফৌজিয়া ইয়াসমিন 

সহকারী শিক্ষক 

৫৩ নং বাটিকামারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

মুকসুদপুর গোপালগঞ্জ। 

মন্তব্য করুন