Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৯:২৯ অপরাহ্ণ

বনায়নের ধারণা
বনায়ন (Afforestation/Reforestation) হলো বৈজ্ঞানিক ও পরিকল্পিত পদ্ধতিতে কোনো ফাঁকা, পতিত বা বৃক্ষহীন জমিতে নতুন করে গাছ লাগিয়ে বনভূমি গড়ে তোলার প্রক্রিয়া। এটি শুধু গাছ লাগানোই নয়, বরং সেই গাছের নিয়মিত পরিচর্যা, সংরক্ষণ এবং তা থেকে পরিবেশ ও মানুষের কল্যাণে সুফল আহরণের একটি সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা।
বনায়নের মূল ধারণাটিকে সাধারণত দুটি ভাগে ভাগ করা হয়:
  1. অ্যাফোরেস্টেশন (Afforestation): যেখানে অতীতে কোনো বন ছিল না (যেমন: নতুন জেগে ওঠা চর বা পতিত জমি), সেখানে নতুন করে বন সৃষ্টি করা।
  2. রিফোরেস্টেশন (Reforestation): যেখানে আগে বন ছিল কিন্তু গাছ কেটে ফেলার কারণে বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে বন উজাড় হয়ে গেছে, সেখানে পুনরায় গাছ লাগিয়ে বন গড়ে তোলা।
বনায়নের মূল প্রকারভেদ এবং এর গুরুত্ব নিচে সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো:
বনায়নের প্রধান ধরণসমূহ
  • প্রাকৃতিক বনায়ন: কোনো রকম মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়া প্রকৃতির নিজস্ব নিয়মে বীজ থেকে যে বন গড়ে ওঠে (যেমন: সুন্দরবন)।
  • সামাজিক বনায়ন: স্থানীয় সাধারণ জনগণকে সম্পৃক্ত করে রাস্তার পাশে, রেললাইনের ধারে বা পতিত জমিতে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে বনায়ন।
  • কৃষি বনায়ন: একই জমিতে ফসলের পাশাপাশি পরিকল্পিতভাবে বহু বর্ষজীবী কাষ্ঠল বা ফলদ গাছ লাগানো।
  • উপকূলীয় বনায়ন: সমুদ্র উপকূলবর্তী চরাঞ্চল ও বেড়িবাঁধে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস ঠেকাতে ম্যানগ্রোভ বা লবণাক্ততা সহনশীল গাছের সবুজ বেষ্টনী তৈরি করা।
মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট