Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

০১ অক্টোবর, ২০২৬ ০৬:৪২ অপরাহ্ণ

পুকুরের পানিতে প্রাকৃতিক খাদ্যের উপস্থিতি নির্ণয় করতে সাধারণত সেক্কি ডিস্ক পরীক্ষা ও গ্লাস পরীক্ষা ।।

পুকুরের পানিতে প্রাকৃতিক খাদ্যের উপস্থিতি নির্ণয় করতে সাধারণত সেক্কি ডিস্ক পরীক্ষা ও গ্লাস পরীক্ষা করা হয়।

১. সেক্কি ডিস্ক পরীক্ষা

উদ্দেশ্য: পানিতে প্ল্যাঙ্কটনের পরিমাণ ও পানির স্বচ্ছতা সম্পর্কে ধারণা নেওয়া।

প্রয়োজনীয় উপকরণ:

  • সেক্কি ডিস্ক
  • দড়ি
  • মাপার স্কেল

পদ্ধতি:

  1. সেক্কি ডিস্কটি দড়ির সাহায্যে পানিতে ধীরে ধীরে নামাতে হবে।
  2. ডিস্কটি যখন আর দেখা যায় না, তখন দড়ির দৈর্ঘ্য মাপতে হবে।
  3. এরপর ডিস্কটি একটু ওপরে তুলে আবার দৃশ্যমান হওয়ার গভীরতা মাপতে হবে।
  4. দুই গভীরতার গড়কে সেক্কি গভীরতা বলা হয়।

ফলাফল: পানির স্বচ্ছতা দেখে পুকুরে প্রাকৃতিক খাদ্য, বিশেষ করে প্ল্যাঙ্কটনের উপস্থিতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।

২. গ্লাস পরীক্ষা

উদ্দেশ্য: পানিতে প্ল্যাঙ্কটনের উপস্থিতি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা।

পদ্ধতি:

  1. একটি স্বচ্ছ কাচের গ্লাসে পুকুরের পানি নিতে হবে।
  2. গ্লাসটি আলোতে রেখে কিছুক্ষণ স্থির রাখতে হবে।
  3. পানিতে ভাসমান বা তলানিতে জমা সূক্ষ্ম কণা/সবুজাভ পদার্থ লক্ষ্য করতে হবে।
  4. বেশি পরিমাণে সূক্ষ্ম সবুজ বা বাদামি কণা দেখা গেলে পানিতে প্ল্যাঙ্কটনের উপস্থিতি বেশি বলে ধারণা করা যায়।

সহজভাবে মনে রাখুন:
👉 সেক্কি ডিস্ক = পানির স্বচ্ছতা মাপা
👉 গ্লাস পরীক্ষা = পানিতে প্রাকৃতিক খাদ্য/প্ল্যাঙ্কটন চোখে দেখা

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট