সহকারী শিক্ষক
০৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১০:২২ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ অষ্টম
বিষয়ঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
অধ্যায়ঃ অধ্যায়-১
স্কাইপ (Skype) ছিল ইন্টারনেটের মাধ্যমে অডিও কল, ভিডিও কল ও বার্তা আদান-প্রদানের একটি জনপ্রিয় যোগাযোগ সফটওয়্যার। এর সাহায্যে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে অবস্থানকারী ব্যক্তিরা পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারতেন। এটি ব্যক্তিগত যোগাযোগ, অনলাইন সভা, শিক্ষা ও ব্যবসায় ব্যবহৃত হতো।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: মাইক্রোসফট ২০২৫ সালের ৫ মে স্কাইপ বন্ধ করে দেয়। বর্তমানে মাইক্রোসফট টিমস (Microsoft Teams) স্কাইপের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
স্কাইপের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো ছিল—
১. ভিডিও কল: ক্যামেরার সাহায্যে সামনাসামনি কথা বলার মতো যোগাযোগ করা যেত।
২. অডিও কল: ইন্টারনেটের মাধ্যমে কথা বলা ও শোনা যেত।
৩. তাৎক্ষণিক বার্তা: লিখিত বার্তা পাঠানো যেত।
৪. গ্রুপ কল: একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে একই সময়ে যোগাযোগ করা যেত।
৫. ফাইল আদান-প্রদান: বিভিন্ন ধরনের ফাইল পাঠানো যেত।
৬. স্ক্রিন শেয়ারিং: কম্পিউটারের পর্দা অন্যদের দেখানো যেত।
৭. আন্তর্জাতিক যোগাযোগ: ইন্টারনেট ব্যবহার করে বিভিন্ন দেশের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করা যেত।
স্কাইপ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হতো। যেমন—
স্কাইপ ব্যবহারের উল্লেখযোগ্য সুবিধাগুলো ছিল—
১. দূরবর্তী স্থানে থেকেও যোগাযোগ করা যেত।
২. ইন্টারনেটের মাধ্যমে অডিও ও ভিডিও কল করা যেত।
৩. সময় ও যাতায়াতের খরচ কমানো সম্ভব হতো।
৪. একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে একসঙ্গে আলোচনা করা যেত।
৫. বার্তা ও ফাইল আদান-প্রদান করা যেত।
স্কাইপ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর অনলাইন যোগাযোগের জন্য বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা যায়।
স্কাইপ ছিল ওয়েব কনফারেন্সিং ও অনলাইন যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যার। এর মাধ্যমে মানুষ সহজে ভিডিও কল, অডিও কল, বার্তা আদান-প্রদান ও অনলাইন সভায় অংশগ্রহণ করতে পারত। যদিও ২০২৫ সালের ৫ মে স্কাইপের সেবা বন্ধ হয়েছে, তবু ইন্টারনেটভিত্তিক যোগাযোগের ইতিহাসে এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।