Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:৩২ পূর্বাহ্ণ

শেয়ার বন্ড ও ডিবেঞ্চার..



 ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং

তৃতীয় অধ্যায়: শেয়ার, বন্ড ও ডিবেঞ্চার


শিখনফল

এই অধ্যায় শেষে শিক্ষার্থীরা—

  • শেয়ার, বন্ড ও ডিবেঞ্চারের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • শেয়ার ও বন্ডের পার্থক্য নির্ণয় করতে পারবে।
  • ডিবেঞ্চারের বৈশিষ্ট্য বলতে পারবে।
  • বিভিন্ন ধরনের শেয়ার সম্পর্কে জানতে পারবে।
  • কোম্পানির মূলধন সংগ্রহে শেয়ার, বন্ড ও ডিবেঞ্চারের ভূমিকা ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • পরীক্ষায় সৃজনশীল, সংক্ষিপ্ত ও বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে।

১. মূলধন কী?

ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা ও সম্প্রসারণের জন্য যে অর্থের প্রয়োজন হয় তাকে মূলধন (Capital) বলে।

একটি কোম্পানি বিভিন্ন উৎস থেকে মূলধন সংগ্রহ করতে পারে। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ দুটি উৎস হলো—

১. মালিকানা মূলধন → শেয়ার
২. ঋণমূলধন → বন্ড ও ডিবেঞ্চার

সহজভাবে মনে রাখো:

শেয়ার = মালিকানার অংশ
বন্ড = ঋণের দলিল
ডিবেঞ্চার = কোম্পানির ঋণের দলিল


২. শেয়ার (Share)

সংজ্ঞা

কোম্পানির মোট মূলধনকে সমান ক্ষুদ্র অংশে ভাগ করলে প্রতিটি অংশকে শেয়ার বলে।

যে ব্যক্তি শেয়ার ক্রয় করেন তাকে শেয়ারহোল্ডার বলা হয়।

উদাহরণ

ধরা যাক, একটি কোম্পানির মূলধন ১০ লাখ টাকা এবং তা ১০,০০০টি শেয়ারে বিভক্ত।

তাহলে,

প্রতি শেয়ারের মূল্য = ১০,০০,০০০ ÷ ১০,০০০ = ১০০ টাকা।

কেউ যদি ১০০টি শেয়ার কেনেন, তাহলে তিনি কোম্পানির মালিকানার একটি অংশের অধিকারী হবেন।

শেয়ারহোল্ডারের সম্ভাব্য অধিকার

  • কোম্পানির মালিকানায় অংশীদারিত্ব থাকে।
  • নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে ভোটাধিকার থাকতে পারে।
  • কোম্পানি লাভ করলে লভ্যাংশ পেতে পারেন।
  • কোম্পানির আর্থিক সাফল্য বা ব্যর্থতার সঙ্গে তার বিনিয়োগের মূল্য পরিবর্তিত হতে পারে।

৩. শেয়ারের প্রকারভেদ

শেয়ার প্রধানত দুই ধরনের—

ক. সাধারণ শেয়ার (Equity/Ordinary Share)

যে শেয়ারের মালিক কোম্পানির সাধারণ মালিক হিসেবে অধিকার ভোগ করেন তাকে সাধারণ শেয়ার বলে।

বৈশিষ্ট্য:

  • সাধারণত ভোটাধিকার থাকে।
  • লভ্যাংশ নির্দিষ্ট নয়।
  • কোম্পানি ভালো করলে বেশি লভ্যাংশ পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
  • কোম্পানি বন্ধ হয়ে গেলে পাওনা পরিশোধের ক্ষেত্রে ঋণদাতাদের পরে অবস্থান করে।

খ. অগ্রাধিকার শেয়ার (Preference Share)

যে শেয়ারের মালিক সাধারণ শেয়ারহোল্ডারের তুলনায় লভ্যাংশ ও মূলধন ফেরতের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পান তাকে অগ্রাধিকার শেয়ার বলে।

বৈশিষ্ট্য:

  • লভ্যাংশ পাওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার থাকে।
  • কোম্পানি বিলুপ্ত হলে মূলধন ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে সাধারণ শেয়ারের আগে থাকে।
  • সাধারণত লভ্যাংশের হার নির্দিষ্ট থাকে।

৪. বন্ড (Bond)

সংজ্ঞা

কোম্পানি, সরকার বা কোনো প্রতিষ্ঠান দীর্ঘমেয়াদি অর্থ সংগ্রহের জন্য যে ঋণপত্র ইস্যু করে তাকে বন্ড বলে।

বন্ড ক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানকে অর্থ ধার দেন এবং নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী সুদ/রিটার্ন পাওয়ার অধিকারী হন।

সহজ উদাহরণ

একটি কোম্পানির ১০ কোটি টাকা দরকার। কোম্পানি জনগণের কাছ থেকে ঋণ নেওয়ার জন্য বন্ড ইস্যু করল।

তুমি একটি বন্ড কিনলে কোম্পানির মালিক হবে না; বরং কোম্পানিকে ঋণ দিলে।


৫. ডিবেঞ্চার (Debenture)

সংজ্ঞা

কোম্পানি দীর্ঘমেয়াদি ঋণ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে যে ঋণপত্র ইস্যু করে তাকে ডিবেঞ্চার বলে।

ডিবেঞ্চারহোল্ডার কোম্পানির পাওনাদার, মালিক নন।

ডিবেঞ্চারের বৈশিষ্ট্য

  • এটি ঋণপত্র।
  • ডিবেঞ্চারহোল্ডার কোম্পানির পাওনাদার।
  • সাধারণত নির্দিষ্ট হারে সুদ প্রদান করা হয়।
  • ডিবেঞ্চারের মেয়াদ থাকতে পারে।
  • ডিবেঞ্চারহোল্ডার সাধারণত ভোটাধিকার পান না।
  • কোম্পানির সম্পদের ওপর নিরাপত্তা থাকতে পারে, তবে সব ডিবেঞ্চার একই ধরনের নয়।

শেয়ার, বন্ড ও ডিবেঞ্চার—সহজ পার্থক্য

বিষয়শেয়ারবন্ডডিবেঞ্চার
প্রকৃতিমালিকানার অংশঋণপত্রঋণপত্র
ধারকশেয়ারহোল্ডারবন্ডহোল্ডারডিবেঞ্চারহোল্ডার
অবস্থানমালিকপাওনাদারপাওনাদার
আয়লভ্যাংশসুদ/রিটার্নসুদ
ভোটাধিকারসাধারণ শেয়ারে থাকতে পারেসাধারণত নেইসাধারণত নেই
আয়ের নিশ্চয়তাসাধারণত নির্দিষ্ট নয়শর্ত অনুযায়ী নির্ধারিতসাধারণত নির্দিষ্ট
ঝুঁকিতুলনামূলক বেশিতুলনামূলক কমতুলনামূলক কম
কোম্পানি বন্ধ হলেশেষে দাবিঋণদাতা হিসেবে দাবিঋণদাতা হিসেবে দাবি

🧠 মনে রাখার কৌশল

শেয়ার → Share of Ownership → মালিকানা
বন্ড → Borrowed Money → ধার করা টাকা
ডিবেঞ্চার → Debt → ঋণ


📝 SSC পরীক্ষার উপযোগী গুরুত্বপূর্ণ সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর


প্রশ্ন ১: শেয়ার কী?

উত্তর: কোম্পানির মোট মূলধনকে সমান ক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত করলে প্রতিটি অংশকে শেয়ার বলে।

প্রশ্ন ২: শেয়ারহোল্ডার কাকে বলে?

উত্তর: যে ব্যক্তি কোনো কোম্পানির শেয়ার ক্রয় করে কোম্পানির মালিকানায় অংশীদার হন তাকে শেয়ারহোল্ডার বলে।

প্রশ্ন ৩: বন্ড কী?

উত্তর: সরকার, কোম্পানি বা কোনো প্রতিষ্ঠান কর্তৃক দীর্ঘমেয়াদি ঋণ সংগ্রহের জন্য ইস্যুকৃত ঋণপত্রকে বন্ড বলে।

প্রশ্ন ৪: ডিবেঞ্চার কী?

উত্তর: কোম্পানি কর্তৃক দীর্ঘমেয়াদি ঋণ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ইস্যুকৃত ঋণপত্রকে ডিবেঞ্চার বলে।

প্রশ্ন ৫: ডিবেঞ্চারহোল্ডার কে?

উত্তর: যে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কোনো কোম্পানির ডিবেঞ্চার ক্রয় করে কোম্পানিকে ঋণ প্রদান করেন তাকে ডিবেঞ্চারহোল্ডার বলে।

প্রশ্ন ৬: শেয়ারহোল্ডার ও ডিবেঞ্চারহোল্ডারের মধ্যে পার্থক্য কী?

উত্তর: শেয়ারহোল্ডার কোম্পানির মালিকানার অংশীদার, কিন্তু ডিবেঞ্চারহোল্ডার কোম্পানির পাওনাদার।

প্রশ্ন ৭: অগ্রাধিকার শেয়ার কী?

উত্তর: যে শেয়ারের মালিক সাধারণ শেয়ারহোল্ডারের তুলনায় লভ্যাংশ ও মূলধন ফেরতের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পান তাকে অগ্রাধিকার শেয়ার বলে।

প্রশ্ন ৮: সাধারণ শেয়ার কী?

উত্তর: যে শেয়ারের মালিক কোম্পানির সাধারণ মালিক হিসেবে অধিকার ভোগ করেন তাকে সাধারণ শেয়ার বলে।


✍️ SSC সৃজনশীল প্রশ্ন–১


উদ্দীপক:
‘সোনালী লিমিটেড’ ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য ৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে চায়। প্রতিষ্ঠানটি কিছু অর্থ শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে এবং কিছু অর্থ ডিবেঞ্চার ইস্যুর মাধ্যমে সংগ্রহ করল। রাকিব কোম্পানির শেয়ার কিনল এবং সুমন ডিবেঞ্চার কিনল।

ক. শেয়ার কী?

উত্তর: কোম্পানির মোট মূলধনকে সমান ক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত করলে প্রতিটি অংশকে শেয়ার বলে।

খ. ডিবেঞ্চারহোল্ডারকে পাওনাদার বলা হয় কেন?

উত্তর: ডিবেঞ্চার ক্রয়ের মাধ্যমে ডিবেঞ্চারহোল্ডার কোম্পানিকে ঋণ প্রদান করেন। কোম্পানি তাকে নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী সুদ ও মূলধন পরিশোধ করে। তাই তিনি কোম্পানির মালিক নন, বরং পাওনাদার।

গ. রাকিব ও সুমনের অবস্থানের পার্থক্য ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: রাকিব শেয়ার ক্রয় করায় কোম্পানির মালিকানায় অংশীদার হয়েছে। অন্যদিকে সুমন ডিবেঞ্চার ক্রয় করায় কোম্পানির পাওনাদার হয়েছে। রাকিব সাধারণ শেয়ারের ক্ষেত্রে ভোটাধিকার ও লভ্যাংশ পাওয়ার সুযোগ পেতে পারে। কিন্তু সুমন সাধারণত ভোটাধিকার পায় না এবং নির্ধারিত হারে সুদ পাওয়ার অধিকারী।

ঘ. কোম্পানির জন্য শেয়ার ও ডিবেঞ্চারের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের তুলনামূলক গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।

উত্তর: শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে কোম্পানি মালিকানা মূলধন সংগ্রহ করতে পারে এবং সাধারণত এই অর্থ নির্দিষ্ট সময়ে ফেরত দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকে না। তবে শেয়ারহোল্ডারদের মালিকানা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশগ্রহণ বাড়ে।

অন্যদিকে ডিবেঞ্চারের মাধ্যমে কোম্পানি ঋণমূলধন সংগ্রহ করে। এতে মালিকানা ভাগ হয় না, কিন্তু নির্ধারিত সুদ ও মূলধন পরিশোধের দায় সৃষ্টি হয়। তাই কোম্পানির আর্থিক অবস্থার ওপর ভিত্তি করে কোন উৎস ব্যবহার করা হবে তা নির্ধারণ করা গুরুত্বপূর্ণ।


✍️ SSC সৃজনশীল প্রশ্ন–২


উদ্দীপক:
একটি কোম্পানি ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের ৫০,০০০টি সাধারণ শেয়ার ইস্যু করল। পাশাপাশি ৫ বছর মেয়াদি ডিবেঞ্চারও ইস্যু করল। মিতু ২০০টি শেয়ার এবং নাবিল ১০টি ডিবেঞ্চার ক্রয় করল।

ক. সাধারণ শেয়ার কী?

উত্তর: যে শেয়ারের মালিক কোম্পানির সাধারণ মালিক হিসেবে অধিকার ভোগ করেন তাকে সাধারণ শেয়ার বলে।

খ. ডিবেঞ্চারকে ঋণপত্র বলা হয় কেন?

উত্তর: ডিবেঞ্চারের মাধ্যমে কোম্পানি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ঋণ গ্রহণ করে। তাই এটি কোম্পানির ঋণের প্রমাণস্বরূপ এবং একে ঋণপত্র বলা হয়।

গ. মিতুর বিনিয়োগের প্রকৃতি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: মিতু সাধারণ শেয়ার ক্রয় করায় সে কোম্পানির মালিকানায় অংশীদার হয়েছে। তার বিনিয়োগের বিনিময়ে সে লভ্যাংশ পাওয়ার সুযোগ পাবে এবং সাধারণ শেয়ারের ক্ষেত্রে ভোটাধিকারও থাকতে পারে।

ঘ. মিতু ও নাবিলের বিনিয়োগের মধ্যে কোনটি মালিকানা এবং কোনটি ঋণমূলধন—যুক্তিসহ ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: মিতুর বিনিয়োগ হলো মালিকানা মূলধন, কারণ সে শেয়ার ক্রয়ের মাধ্যমে কোম্পানির মালিকানায় অংশীদার হয়েছে। অন্যদিকে নাবিলের বিনিয়োগ হলো ঋণমূলধন, কারণ ডিবেঞ্চার ক্রয়ের মাধ্যমে সে কোম্পানিকে ঋণ দিয়েছে এবং কোম্পানি নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী তাকে সুদ ও মূলধন পরিশোধ করবে।

অতএব, মিতু = মালিকানার অংশীদার এবং নাবিল = পাওনাদার।


🎯 পরীক্ষায় খুব গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য


সাধারণ শেয়ার ও অগ্রাধিকার শেয়ার

বিষয়সাধারণ শেয়ারঅগ্রাধিকার শেয়ার
লভ্যাংশসাধারণত নির্দিষ্ট নয়সাধারণত নির্দিষ্ট
লভ্যাংশ পাওয়াঅগ্রাধিকার নেইঅগ্রাধিকার আছে
ভোটাধিকারসাধারণত থাকেসাধারণত সীমিত/শর্তসাপেক্ষ
ঝুঁকিবেশিতুলনামূলক কম
মূলধন ফেরতপরেআগে

🧠 MCQ প্রস্তুতি


১. কোম্পানির মূলধনের ক্ষুদ্রতম অংশকে কী বলে?
ক) বন্ড
খ) শেয়ার
গ) ডিবেঞ্চার
ঘ) ঋণ
উত্তর: খ) শেয়ার

২. শেয়ারের মালিককে কী বলা হয়?
ক) ঋণগ্রহীতা
খ) পাওনাদার
গ) শেয়ারহোল্ডার
ঘ) দেনাদার
উত্তর: গ) শেয়ারহোল্ডার

৩. ডিবেঞ্চারহোল্ডার কোম্পানির—
ক) মালিক
খ) পরিচালক
গ) পাওনাদার
ঘ) কর্মচারী
উত্তর: গ) পাওনাদার

৪. সাধারণ শেয়ারের আয়কে কী বলা হয়?
ক) সুদ
খ) লভ্যাংশ
গ) মুনাফা
ঘ) ভাড়া
উত্তর: খ) লভ্যাংশ

৫. বন্ড মূলত কী?
ক) মালিকানা দলিল
খ) ঋণপত্র
গ) ব্যবসায়িক লাইসেন্স
ঘ) শেয়ার সনদ
উত্তর: খ) ঋণপত্র

৬. কোনটি মালিকানা মূলধনের উদাহরণ?
ক) ডিবেঞ্চার
খ) ব্যাংক ঋণ
গ) সাধারণ শেয়ার
ঘ) বন্ড
উত্তর: গ) সাধারণ শেয়ার

৭. ডিবেঞ্চারের ধারক সাধারণত কী পান?
ক) লভ্যাংশ
খ) সুদ
গ) বেতন
ঘ) কমিশন
উত্তর: খ) সুদ


⭐ শেষ মুহূর্তের রিভিশন

এক লাইনে পুরো অধ্যায়টি মনে রাখো—

শেয়ার → মালিকানা → শেয়ারহোল্ডার → লভ্যাংশ

বন্ড → ঋণ → বন্ডহোল্ডার → সুদ/রিটার্ন

ডিবেঞ্চার → ঋণ → ডিবেঞ্চারহোল্ডার → সুদ


পরীক্ষায় বেশি গুরুত্ব দেবে

  1. শেয়ারের সংজ্ঞা ও বৈশিষ্ট্য
  2. সাধারণ ও অগ্রাধিকার শেয়ার
  3. বন্ডের ধারণা ও বৈশিষ্ট্য
  4. ডিবেঞ্চারের ধারণা ও বৈশিষ্ট্য
  5. শেয়ার ও ডিবেঞ্চারের পার্থক্য
  6. শেয়ারহোল্ডার ও ডিবেঞ্চারহোল্ডারের পার্থক্য
  7. মালিকানা মূলধন ও ঋণমূলধন
  8. উদ্দীপকভিত্তিক সৃজনশীল প্রশ্নে ক–খ–গ–ঘ উত্তর লেখার অনুশীলন।

চলবে... (রওনক)

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট