Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

০১ নভেম্বর, ২০২৬ ১১:৪২ অপরাহ্ণ

মৌলিক হিসাব সমীকরণ

হিসাববিজ্ঞানের মূল ভিত্তি হলো মৌলিক হিসাব সমীকরণ (Basic Accounting Equation)। এটি ব্যবসায়ের আর্থিক অবস্থা বা ব্যালেন্স শিটের মূল ভারসাম্য প্রকাশ করে।

সমীকরণটি হলো:

A+L+OE
  • A = Assets (সম্পদ)

  • L = Liabilities (দায়)

  • OE = Owner’s Equity (মালিকানাস্বত্ব বা ইকুইটি)

উপাদানসমূহের বিশদ বিবরণ:

  • ১. সম্পদ (Assets - A):

    • ব্যবসায়ের মালিকানাধীন এমন সব বস্তু বা সুবিধা যা ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক সুবিধা প্রদান করে।

    • উদাহরণ: নগদ অর্থ, ব্যাংক জমা, দেনাদার/প্রাপ্য হিসাব, আসবাবপত্র, যন্ত্রপাতি, মজুদ পণ্য এবং জমি বা ভবন।

  • ২. দায় (Liabilities - L):

    • তৃতীয় পক্ষের প্রতি ব্যবসায়ের আর্থিক বাধ্যবাধকতা বা ঋণ। ভবিষ্যতে এটি পরিশোধ করতে হয়।

    • উদাহরণ: পাওনাদার/প্রদেয় হিসাব, ব্যাংক ঋণ, বকেয়া খরচপত্র এবং প্রদেয় বিল বা নোট।

  • ৩. মালিকানাস্বত্ব (Owner’s Equity - OE):

    • মোট সম্পদের ওপর ব্যবসায়ের মালিকের যে দাবি থাকে, তাকে মালিকানাস্বত্ব বলে। অর্থাৎ, সমস্ত দায় পরিশোধের পর অবশিষ্ট অংশের মালিকানা।

    • মূল উপাদানসমূহ:

      • মূলধন (Capital / C): মালিকের বিনিয়োগ।

      • আয় (Revenue / R): পণ্য বিক্রয় বা সেবামূলক কাজের মাধ্যমে প্রাপ্ত আয়।

      • ব্যয় (Expenses / E): ব্যবসা পরিচালনাজনিত খরচ।

      • উত্তোলন (Drawings / D): মালিক কর্তৃক ব্যক্তিগত প্রয়োজনে নেওয়া অর্থ বা পণ্য।

সমীকরণের বর্ধিত রূপ (Expanded Equation):

$$\text{Assets} = \text{Liabilities} + (\text{Capital} + \text{Revenue} - \text{Expenses} - \text{Drawings})$$
$$\text{A} = \text{L} + (\text{C} + \text{R} - \text{E} - \text{D})$$

মূল তাৎপর্য:

প্রতিটি আর্থিক লেনদেনের দুটি দিক থাকে (দুতরফা দাখিলা পদ্ধতি)। কোনো লেনদেন সম্পন্ন হওয়ার পর সম্পদের মোট মান সর্বদা দায় ও মালিকানাস্বত্বের সমষ্টির সমান থাকে। এই ভারসাম্যের ওপর ভিত্তি করেই আর্থিক বিবরণী তৈরি করা হয়।

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট