Loading..

উদ্ভাবনের গল্প

রিসেট

১৭ এপ্রিল, ২০২০ ০৭:৩১ অপরাহ্ণ

উদ্ভাবনের গল্প: এসো সুন্দর হই পর্ব-০১
<?xml encoding="utf-8" ?>

এসো সুন্দর হই: পর্ব-০১

মুহাম্মাদ আসআদুল্লাহ

প্রভাষক

সৈয়দ শাহ্ মোস্তফা কলেজ, মৌলভীবাজার

আমরা সবাই সুন্দর হতে চাই, তুমি চাও, আমি চাই। সবাই চাই।

কিন্তু এই সুন্দর বলতে আমরা কি বুঝি?

কিভাবে সুন্দর হওয়া যায়?

 

চলো আমরা এই প্রশ্নগুলির উত্তর খুঁজি।

 

সৌন্দর্যের দুটি রুপ আছে, একটি প্রকাশ্য রুপ, আরেকটি অপ্রকাশ্য রুপ।

 

প্রকাশ্য রুপটি সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ তায়ালার একান্ত দান।

যাকে খুশি যেমন খুশি দিয়েছেন। কেউ তা অর্জর করে নেয়নি।

  ছেলে বা মেয়ে হয়ে জন্মগ্রহণ করা, সাদা বা কালো হয়ে জন্মগ্রহণ করা, ধনি লোকের ঘরে জন্মগ্রহণ করা, নিখুঁত বা বিকলাঙ্গ হয়ে জন্মগ্রহণ করা, উন্নত বা গরিব দেশে জন্মগ্রহণ করা, এসবে কারো কোনো হাত নেই।

আল্লাহ তায়ালা কাউকে ফর্সা, কাউকে কালো, কাউকে লম্বা, কাউকে খাটো, কাউকে খোড়া, কাউকে অন্ধ এরকম বিভিন্ন ভাবে সৃষ্টি করেছেন। এখানে মানুষের কোনো দোষ বা কৃতিত্ব নেই।

 তাই এই প্রকাশ্য সৌন্দর্য নিয়ে গর্বের কিছু নেই।

 

আর অপ্রকাশ্য রুপটি আল্লাহ তায়ালা মানুষকে ততটুকু দেন যতটুকু পাওয়ার জন্য সে সাধনা করে, চেষ্টা করে, সংগ্রাম করে।

এবার তোমরাই বলো দয়ায় পাওয়া জিনিস মুল্যবান নাকি পরিশ্রম করে অর্জন করা বিষয় মুল্যবান।

দয়ায় পাওয়া জিনিস শ্রেষ্ঠ নাকি পরিশ্রম করে অর্জন করা বিষয় শেষ্ঠ।

 

মানুষ পরিশ্রম করে যা অর্জন করে তা নিয়ে তার গর্ব করা উচিত।

সুতরাং তোমরা যদি আমাকে প্রশ্ন করো কে সুন্দর?

তা হলে আমি বলবো

যে গুছিয়ে কথা বলা শিখেছে সে সুন্দর

যে ভাল কবিতা আবৃত্তি করতে পারে সে সুন্দর

যে ভাল গান গাইতে পারে সে সুন্দর

যে ভাল ছবি আকঁতে পারে সে সুন্দর

যে চমৎকার করে লিখতে পারে সে সুন্দর

যে মানুষকে দয়া করে সে সুন্দর

যে সৃষ্টির প্রতি অনুগ্রহশীল সে সুন্দর

ক্যামেরায় যে ভাল ছবি উঠায় সে সুন্দর

যে পিতা-মাতার কথা শুনে, বড়দের শ্রদ্ধা করে সে সুন্দর

যে ছোটদের স্নেহ করে সে সুন্দর


মন্তব্য করুন