Loading..

উদ্ভাবনের গল্প

রিসেট

২৮ মে, ২০২০ ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ণ

গবেষণার সখ
<?xml encoding="utf-8" ?>

 স্কুল জীবনে একটি নাম আমার মনে গভীর দাগ কেটেছিল। সে নামটি হলো ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ (১০ জুলাই ১৮৮৫ - ১৩ জুলাই ১৯৬৯)। এর প্রধান কারণ তার সম্পর্কে অনেক কিছু জানতাম এমনটি নয়। আসলে তার নামের পূর্বে যে ডক্টর শব্দটি ছিল আমার লোভ ছিল তার প্রতি। ছাত্র হিসেবে আমি কখনোই খুব একটা মেধার পরিচয় দিতে পারিনি। তবুও গরিবের ঘোড়া রোগের মতো আমারও গবেষণার সাধ ছিল। গবেষণার ক্ষেত্রে আমার প্রথম সুপারভাইজার প্রফেসর আব্দুল খালেক (সাবেক ডীন, জীব ও ভূবিজ্ঞান অনুষদ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। সেখানে মসুর ডালের বায়োমেট্রিক্যাল স্টাডি দিয়ে গবেষণার হাতেখড়ি।

শিক্ষকতা শুরুর পর মাথায় চাগলো মাশরুমের পোকা। শুরু হলো মাশরুম নিয়ে কাজ। নিজের বাসায় ছোটখাটো গবেষণাগার তৈরি করে ফেললাম। পড়াশোনা আর অভিজ্ঞতার আলোকে একটি বইও লিখে ফেললাম। বইটির নাম ছিল মাশরুম (ISBN 984-07-4670-7) যা বাংলা একাডেমী ঢাকা থেকে ২০০৮ সালে প্রকাশিত হয়।

আবার সেই পুরনো রোগ মাথাচারা দিয়ে উঠলো। স্বপ্নও পূরণ হলো। ২০১১ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় টিস্যুকালচারের মাধ্যমে বাঁশের অনুচারা উৎপাদনের সুবাদে আমাকে স্বপ্নের ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করলো।

আমি জানি এমপিও ভুক্ত একটি কলেজে এসব ডিগ্রির কোন মূল্য নেই। কিন্তু ঐ যে স্বপ্ন! আমার অন্য কোন লাভ না হোক আমি আমার পেশার সম্মান রাখতে পেরেছি। শিক্ষার্থীদের ভালোবাসা পাচ্ছি। আর কি প্রয়োজন?

image_3266_5ecf31f293de6.png

মন্তব্য করুন