সিনিয়র শিক্ষক
০৫ অক্টোবর, ২০২০ ১১:৪২ পূর্বাহ্ণ
সিনিয়র শিক্ষক
“বিসর্জন +অর্জন+গর্জন = সফল জীবন”
- মোঃ সামছুল হোসেন
আমার কাছে মনে হয়েছে এটি একটি সফল জীবনের সূত্র হতে পারে । আমি আমার এই উদ্ভাবনের গল্পের মাধ্যমে সকল শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই বোধ টা জাগাতে চেয়েছি যে –
শিক্ষা জীবনের ১৭ টি বছর যদি তারা তাদের যাবতীয় আরাম-আয়েশ ত্যাগ করে নিবেদিত প্রান হয়ে এই সময়টা শিক্ষা অর্জনের পেছনে ব্যয় করে তবে তারা একটি সুখী,সমৃদ্ধ ও স্বাচ্ছন্দপূর্ণ জীবন যাপন করতে পারে।
জীবন হতে পারে ৬৫-৭০ বছরের। আর আমাদের শিক্ষা জীবন ১৭ বছরের।
এই ৬৫/৭০ বছরের জীবনে যদি কেউ মাত্র ১৭ টি বছর কষ্ট করে তবে সে ৪৮/৫৩ বছর আরাম আয়েশ করতে পারবে। পক্ষান্তরে ৬৫/৭০ বছরের জীবনে যদি কেউ পড়াশোনার সময় অর্থাৎ মাত্র ১৭ টি বছর ঠিক মত পড়াশুনা না করে আরাম আয়েশ করে কাঠায় তাহলে তাকে জীবনের সিংহভাগ সময় তাকে অর্থাৎ ৪৮/৫৩ বছর সময় কষ্টে সৃষ্টে জীবন অতিবাহিত করতে হবে।
কেননা সে তো তার জীবনের সেই সোনালী ১৭ টি বছর ঠিক মত কাজে লাগাতে পারেনি। তাহলে সে কিভাবে একটি সুখী,সমৃদ্ধ ও সাচ্ছন্দপূর্ণ জীবন প্রত্যাশা করতে পারে।
সুতরাং মানব জীবনের ৬৫/৭০ বছরের জীবনে যদি কেউ ১৭ টি বছর আরাম আয়েশ কিছুটা হলেও বিসর্জন দিতে পারে তাহলে সে ভালো একটি ফলাফলপূর্ণ সার্টিফিকেট অথবা কাজের দক্ষতা অর্জন করতে পারবে যা দিয়ে সে তার শিক্ষা/কাজ পরবর্তী জীবনে সে গর্জন ( প্রতিকী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে - হুংকার / ঘোষণা / আত্মবিশ্বাসের সাথে বলতে অথবা দাবি করা ) করতে পারে যে আমি শূন্য না ।আমি কিছু অর্জন করেছি যা দিয়ে আমি আমার পরবর্তী জীবনে কিছু করে খেতে পারবো। তাহলে কি দাঁড়ালো -
“বিসর্জন +অর্জন+গর্জন = সফল জীবন”
এই সূত্রে মাধ্যমে আমি আমার সকল শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটি আত্মবিশ্বাস জাগাতে চাই যে কম সময় মাত্র ১৭ টি বছর কষ্ট করলে বেশি সময় প্রায় ৪৮/৫৩ টি বছর আরাম আয়েশে জীবনযাপন করা যায়। পক্ষান্তরে কেউ যদি শিক্ষাজীবনের ১৭ টি বছর অথবা কাজ শেখার সময়টি ঠিক মত কাজ না শেখে অথবা পড়াশুনা ঠিকমত না করে তাহলে সে তার জীবনের সিংহভাগ সময় প্রায় ৪৮/৫৩ বছর সময় তাকে কষ্ট করে জীবনযাপন করতে হবে।
সবার জন্য দোয়া রইল “ ভালো থাকুন,ভালো রাখুন”।আমিন