সহকারী শিক্ষক
১১ নভেম্বর, ২০২০ ০৫:৩৫ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা ও বন্ধ রাখা, এই নিয়ে চলছে যেন লুকোচুরি খেলা। পুরো বছরই যখন কাটল আতংক দিয়ে, তখন ১৫ দিনে নতুন উদ্ভাবন চিন্তাভাবনা শিশুদের জন্য কতটা মঙ্গল বয়ে আনবে?
সম্প্রতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে অ্যাসাইনমেন্ট লেখা নিয়ে যে হুমড়ি খেয়ে পড়েছে তাতে কতটা লাভবান শিক্ষার্থী?
মনে হচ্ছে অতি উৎসাহী বাবা-মা এটাকে উন্নতির সোপান ভাবছে।
অ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দিলেও তার উত্তর লেখার জন্য A4 সাইজের কাগজ সংগ্রহ, কভার পেইজ সংগ্রহ ইত্যাদিতে যে ভীড় পরিলক্ষিত হচ্ছে তাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা তো দূরের কথা বিদ্যালয় ছেড়ে এসে দোকানে দোকানে গাদাগাদি। তাই যদি হয় তাহলে বিদ্যালয়ে হলে ক্ষতি কি?
আসলে আমাদের সুষ্ঠু পরিকল্পনার বড্ড অভাব।
কিছু পরিকল্পনা হচ্ছে শিক্ষার্থীদের স্বার্থে, তার চেয়ে বেশি ভাবনা হচ্ছে শিক্ষককে কিভাবে busy রাখা যায়!
তবে আমি মনে করছি হারিয়ে যাওয়ার বছরকে নিয়ে ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া পরিকল্পনা না করে আগামী নতুন বছরকে কিভাবে শিক্ষার্থীকে মনোযোগী করা যায়,শিক্ষককে আন্তরিক করানো যায় তেমন কিছু ভাবা।
কাউকে ব্যস্ত রাখা নয়, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীকে পরস্পরের কাজে লাগানো যায় এমন চিন্তাভাবনা করতে মাঠপর্যায়ের সঠিক তথ্যের আলোকে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।