সিনিয়র শিক্ষক
০৫ জানুয়ারি, ২০২১ ০৮:১১ অপরাহ্ণ
সিনিয়র শিক্ষক
ধরনঃ মাদ্রাসা শিক্ষা
শ্রেণিঃ ষষ্ঠ
বিষয়ঃ ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান
অধ্যায়ঃ পঞ্চম অধ্যায়
কৃষিনির্ভর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রাণিসম্পদ সাব-সেক্টরের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে। অনাদিকাল থেকেই এদেশের মানুষ তাদের জীবন-জীবিকার তাগিদে গবাদিপশু-পাঁখি লালন পালনে সম্পৃক্ত রয়েছে। জিডিপি’তে প্রাণিসম্পদ খাতের অবদান ২.৫%। এই উপখাত থেকে মানব দেহের জন্য অত্যাবশ্যকীয় খাদ্য উপাদান প্রাণিজ আমিষ (দুধ, মাংস ও ডিম) উৎপাদিত হয়। প্রাণিজ আমিষের প্রায় ৫০% প্রাণিসম্পদ সাব-সেক্টরে থেকে আসে। আমাদের জনসংখ্যার প্রায় ২২% সরাসরি এবং ৫০% পরোক্ষভাবে প্রাণিসম্পদ খাতের উপর নির্ভরশীল। সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার উল্লেখযোগ্য লক্ষ্য দারিদ্র বিমোচন, নারী-পুরুষে সমতা এবং নারীর ক্ষমতায়ন প্রাণিসম্পদ খাতের সাথে সম্পর্কযুক্ত। তাই বর্তমান সরকার এ খাতের উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন। এই উপখাতের সাথে সংশ্লিষ্ট মানুষ গতানুগতিক পদ্ধতিতে গবাদিপশু-পাঁখি লালন পালনে অভ্যস্ত, যদিও এ কর্মকান্ডসমূহের অধিকাংশই প্রযুক্তি নির্ভর। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর গবাদিপশু-পাখি পালনে উন্নত প্রযুক্তি উদ্বাবন, এর ব্যবহার ও সম্প্রসারণ, খামারিদের সচেতনতা বৃদ্ধি, খামারের জীব নিরাপত্তার উন্নয়ন, রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ, মার্কেট চেইন উন্নয়ন, উন্নত ঘাস চাষ, উন্নত জাতের সিমেন ব্যবহার করে গবাদিপশুর জাত উন্নয়নসহ নানাবিধ কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।