পল্লী কবি জসীম উদ্দিন ১৯২৯ সালে নকশী কাঁথার মাঠ কাব্য গ্রন্থটি লিখেন এই রুপা মিয়াকে নিয়ে ।
রুপা মিয়া ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলার শিলাসী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন ।যুবক রুপার গায়ে যেমন শক্তি ছিল তেমন লাঠি খেলায় পারদর্শী ছিলেন । সাহসী মানুষ ছিলেন রুপাই । সাহস ও বীরত্বের কারনে তাঁর কাছে কেউ যাইতে চাইতো না ।
পল্লী কবি জসীম উদ্দিন ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলার একটি বাজারের একটি চায়ের দোকানে বসে রুপার খোজ খবর নিতেন তাঁর বীরত্বের কথা জানতে চাইতেন ।
নকশী কাঁথার মাঠ কাব্য গ্রন্থের নায়িকা ছিলেন সাজু ।রুপার পাশের গ্রাম মশাখালীর বাসিন্দা ছিলেন সাজু । সাজুর আসল নাম ছিল ললীতা । ললীতাকে রুপাই ভালোবাসতো ।
নকসী কাঁথা র মাঠ কাব্য গ্রন্থ লিখতে গিয়ে পল্লী কবি জসীম উদ্দিন বহুবার ময়মনসিংহ গফরগাঁওয়ে গমন করেন ।
পল্লী কবি জসীম উদ্দিন সংগীত চর্চা করার জন্য একবার ময়মনসিংহ জেলার বনগাঁও গ্রামের তাঁর বন্ধু মৌলভী জব্বারের বাড়িতে অবস্থান কালে জমির ধান কাটা নিয়ে ঝগড়া দেখেন । এই ঝগড়া কবির মনে গভীরভাবে রেখাপাত করে ।গ্রাম অঞ্চলের এই কাইজ্জাকে নিয়ে তিনি একটা কাব্যগ্রন্থ লিখেছেন ।নকশী কাঁথার মাঠ ।
২০০৭ সালের জানুয়ারি মাসে নকশী কাঁথার মাঠ কাব্য গ্রন্থের নায়িকা সাজু পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে পরপারে চলে যান ।
২০০৮ সালের ২২ এপ্রিল নকশী কাঁথার মাঠ কাব্য গ্রন্থের নায়ক রুপা মিয়া পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে পরপারে চলে যান ।