Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০৫:৫০ পূর্বাহ্ণ

দশম শ্রেনীর_ কৃষি শিক্ষা আন্দোলন মেহেদুল ইসলাম, মাহমুদপুর উচ্চ বিদ্যালয় ,ক্ষেতলাল,জয়পুরহাট,০১৭২৫৯৯৮৪৭৭

উৎপাদন[সম্পাদনা]

আখ একটি বর্ষজীবি উদ্ভিদ। প্রথাগতভাবে আখের কান্ডের একটি টুকরার দুই-তৃতীয়াংশ মাটিতে পুঁতে দিয়ে এর চাষ করা হয়। তবে ইদানীং বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে গবেষণাগারে টিস্যু কালচারের মাধ্যমেও আখের ব্যাপক চাষ হচ্ছে।

বাংলাদেশের আখের উৎপাদন[সম্পাদনা]

বাংলাদেশে গড়ে প্রতি বছর ০.৪৩ মিলিয়ন একর জমিতে ৭.৩ মিলিয়ন মে.টন আখ উৎপন্ন হয়। দেশের ১৫টি চিনিকলে বছরে গড়ে ১.৫-১.৯৯ লক্ষ মে. টন চিনি উৎপন্ন হয়, বাকিটা গুড় ও খাওয়ার জন্য ব্যবহার হয়। বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন BSFIC নামে প্রতিষ্ঠান চিনি শিল্প নিয়ন্ত্রণ করে।

বেসরকারিভাবে ২০০৭-এ আরো ৩টি কোম্পানি চিনি উৎপাদনে আসছে, যার মধ্যে মেঘনা গ্রুপের বাৎসরিক উৎপাদন ক্ষমতা ৬ লাখ মে. টন বলে বলা হচ্ছে। বাংলাদেশের বাৎসরিক চিনির চাহিদা ১০-১২ লক্ষ মে. টন যার ১.৫ লক্ষ টন দেশে উৎপন্ন হয়, বাকিটা আমদানি ও চোরাই পথে আসে।

বৈশ্বিক উৎপাদন[সম্পাদনা]

২০১৮ সালে সারা বিশ্বে আখের উৎপাদন
দেশের নামউৎপাদন
(দশ লক্ষ টন)
 ব্রাজিল746.8
 ভারত376.9
 গণচীন108.1
 থাইল্যান্ড104.4
 পাকিস্তান67.2
 মেক্সিকো56.8
 কলম্বিয়া36.2
 গুয়াতেমালা35.5
 অস্ট্রেলিয়া33.5
 যুক্তরাষ্ট্র31.3
World1,907
Source: FAOSTATUnited Nations[২]
শীর্ষ-১০ চিনি উৎপাদনকারী দেশ, ২০০৮[৩]
দেশের নামউৎপাদন
(টনে)
মন্তব্য
 ব্রাজিল৬৪৫,৩০০,১৮২
 ভারত৩৪৮,১৮৭,৯০০
 গণচীন১২৪,৯১৭,৫০২
 থাইল্যান্ড৭৩,৫০১,৬১০
 পাকিস্তান৬৩,৯২০,০০০
 মেক্সিকো৫১,১০৬,৯০০
 কলম্বিয়া৩৮,৫০০,০০০এফএও
 অস্ট্রেলিয়া৩২,৬২১,১১৩
 আর্জেন্টিনা২৯,৯৫০,০০০
 ফিলিপাইন২৬,৬০১,৪০০
মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট