সহকারী শিক্ষক
২২ মার্চ, ২০২১ ০৯:১৮ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ প্রথম
অধ্যায়ঃ প্রথম অধ্যায়
ক্লাস অথবা দৈনন্দিন কাজের ব্যস্ততায় যারা আমার মতো চুলের যত্ন করার সময় পান না এবং যেটুকু সময় পান তাও মাথায় প্যাক লাগিয়ে বসে থাকতে করতে ইচ্ছা করে না, তাদের একমাত্র সম্বল হল তেল। তেল আমাদের মাথার স্কাল্পে পুষ্টি যোগায় এবং হেয়ার গ্রোথকে প্রোমোট করতে সাহায্য করে। এছাড়া তেল চুলের ভেতরে ঢুকে চুলের ড্যামেজ সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে। যার ফলে চুল পড়া এবং ভাঙা কমে যায়। যেমন আমার চুল টিকেই আছে এখন হেয়ার অয়েলের গুণে। কিন্তু খাঁটি তেল না ব্যবহার করতে পারলে কিন্তু চুলের কোনো উন্নতিই হবে না।
অনেকেই বাজার থেকে হুট করে তেল কিনে আনেন এবং ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু লাভের লাভ কিছু হয় না। উল্টো টাকাগুলো জলে যায়। ইউটিউব এ অনেক ম্যাজিক হেয়ার অয়েলের রেসিপি আছে, কিন্তু দেখা যায় একজন ব্যবহার করে উপকার পাচ্ছে অন্য জনের কোনো উপকারই হচ্ছে না। তেল কতটা খাঁটি তার উপরেও কিন্তু এইসব বিষয় নির্ভর করে।
এখন অনেকেই প্রশ্ন করবেন যে, খাঁটি তেল কোথায় পাবো? এবং কীভাবে বুঝবো যে তেলটা খাঁটি?
উপায় তো আছেই! চুলের যত্নে নরমাললি যে তেলগুলো ব্যবহার করা হয়, তা হলো – কোকোনাট অয়েল, আমন্ড অয়েল, অলিভ অয়েল, আর্গান অয়েল। তো এইসকল তেলগুলো খাঁটি কিনা তা কীভাবে বুঝতে পারবেন সেটাই জানাবো আজ। তাহলে চলুন জেনে নিই এমন কিছু সহজ উপায় যা থেকে আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন চুলের যত্নে যে তেলটি পরম বিশ্বাসে তুলে নিচ্ছেন তা আসলে কতটুকু খাঁটি।
[picture]
(১) কোকোনাট অয়েল

(২) আমন্ড অয়েল
(৩) অলিভ অয়েল
(৪) আর্গান অয়েল
এইতো জেনে নিলেন, কীভাবে তেলের বিশুদ্ধতা যাচাই করবেন। আশা করছি এখন থেকে চুলের যত্নে খাঁটি তেলটি চিনে নিতে পারবেন। ভালো থাকুন।
ছবি – অর্গানিকফ্যাক্টস ডট নেট, নিউট্রিশন্সফ্যাক্টস ডট অর্গ,
লিখেছেন – জান্নাতুল মৌ