সহকারী শিক্ষক
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ১০:৩০ পূর্বাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
👉 HSC ২০২৬ রেজাল্ট চেক করুন এখানে
👉 এক ক্লিকে এইচএসসি রেজাল্ট দেখুন
👉 সার্ভার বন্ধ থাকলেও এখানে ক্লিক ক্রে এইচএসসি রেজাল্ট দেখুন
এইচএসসি রেজাল্ট ২০২৬ নিয়ে অপেক্ষার অবসান ঘটেছে। আজ ৩১ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার বেলা ১১টায় সারাদেশে একযোগে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এ বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছে।
ফলাফল জানার জন্য আপনাকে আর কলেজে ছুটতে হবে না, না থাকতে হবে অজানার আতঙ্কে। এই একটি পোস্টেই পাবেন এইচএসসি রেজাল্ট ২০২৬ দেখার প্রতিটি উপায় — অনলাইনে দুটি ওয়েবসাইট দিয়ে, ১৬১৪০ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে, মার্কশিটসহ ফলাফল দেখা ও ডাউনলোড, প্রতিষ্ঠানভিত্তিক (EIIN) রেজাল্ট, ১১টি বোর্ডের আলাদা নির্দেশনা, এবং সাইট ডাউন-ভুল রোল-এসএমএস না আসার মতো প্রতিটি সমস্যার সমাধান। পাশাপাশি জানবেন বোর্ড চ্যালেঞ্জের (পুনঃনিরীক্ষণ) তারিখ ও নিয়ম এবং ফলাফলের পর আপনার করণীয়।
ফলাফল সংক্রান্ত মূল তথ্যগুলো এক জায়গায় দেখে নিন, যাতে বারবার খুঁজতে না হয়।
বিষয় | তথ্য |
ফলাফল প্রকাশ | ৩১ অক্টোবর ২০২৬, বেলা ১১টা |
পরীক্ষার্থী | ১২,৭০,৫৮৩ জন |
বোর্ড সংখ্যা | ১১টি (৯ সাধারণ + মাদ্রাসা + কারিগরি) |
অনলাইন ওয়েবসাইট | |
এসএমএস নম্বর | ১৬১৪০ |
এসএমএস ফরম্যাট | HSC <বোর্ড কোড> <রোল> ২০২৬ |
বোর্ড চ্যালেঞ্জ | ১–৭ নভেম্বর ২০২৬ (অনলাইনে) |
২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৫৮.৮৩ শতাংশ। ২০২৬ সালের পাসের হার সম্পর্কে এখন পর্যন্ত বোর্ডের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সংখ্যা ঘোষণা করা হয়নি — যেখানেই ২০২৬-এর পাসের হারের নামে কোনো সংখ্যা দেখবেন, সেটি গুজব বলে ধরে নিন।
ফলাফল জানার মোট চারটি নির্ভরযোগ্য উপায় আছে। আপনার সুবিধামতো যেকোনোটি বেছে নিন:
অনলাইনে ওয়েবসাইট দিয়ে — সবচেয়ে জনপ্রিয় উপায়। educationboardresults.gov.bd অথবা eboardresults.com সাইটে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফলাফল ও মার্কশিট দেখা যায়। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
এসএমএস পাঠিয়ে — মোবাইলের মেসেজ অপশন থেকে `HSC DHA 123456 2026` লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠালেই ফিরতি এসএমএসে ফলাফল। প্রতি এসএমএসে খরচ প্রায় ২.৫০ টাকা।
প্রতিষ্ঠানভিত্তিক (EIIN) রেজাল্ট — কলেজের EIIN নম্বর দিয়ে পুরো কলেজের ফলাফল একসাথে দেখা যায়। শিক্ষক ও অভিভাবকদের জন্য উপযোগী।
কলেজ থেকে সরাসরি — ফলাফল প্রকাশের দিন কলেজের নোটিশ বোর্ডেও ফলাফল টানানো হয়।
মনে রাখবেন, এই চারটির বাইরে ফেসবুক পেজ, ইউটিউব চ্যানেল বা অপরিচিত কোনো অ্যাপ "রেজাল্ট দেখে দেবে" বলে দাবি করলে সেটি প্রতারণা হতে পারে — এ বিষয়ে শেষের দিকে আলাদা সতর্কতা অংশ আছে।
অনলাইনে রেজাল্ট দেখা সবচেয়ে সহজ ও নির্ভুল উপায়। নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন:
ধাপ ১: মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউজারে যান educationboardresults.gov.bd ঠিকানায়। এটি শিক্ষা বোর্ডগুলোর ফলাফল দেখার প্রধান ওয়েবসাইট।
ধাপ ২: ফরমে "Name of Board" ঘর থেকে আপনার বোর্ড নির্বাচন করুন (যেমন: Dhaka)।
ধাপ ৩: "Name of Examination" থেকে HSC/Alim নির্বাচন করুন।
ধাপ ৪: "Year of Examination" থেকে 2026 নির্বাচন করুন।
ধাপ ৫: "Type of Result" থেকে Individual Result নির্বাচন করুন (মার্কশিটসহ দেখতে চাইলে Single Result/মার্কশিট অপশন)।
ধাপ ৬: Roll Number ঘরে আপনার ৬ সংখ্যার রোল নম্বর লিখুন। রোল নম্বর পাবেন আপনার প্রবেশপত্রে (Admit Card)।
ধাপ ৭: Registration Number ঘরে আপনার রেজিস্ট্রেশন নম্বর লিখুন।
ধাপ ৮: ছবিতে দেখানো CAPTCHA কোডটি ঠিকমতো লিখুন।
ধাপ ৯: "View Result" বাটনে ক্লিক করুন। সঙ্গে সঙ্গে স্ক্রিনে আপনার ফলাফল, গ্রেড ও জিপিএ দেখা যাবে।
পুরো প্রক্রিয়াটি শেষ করতে দুই মিনিটের বেশি লাগে না। ফলাফল প্রকাশের প্রথম এক-দুই ঘণ্টায় সাইটে প্রচুর চাপ থাকে, তাই একবারে না খুললে ঘাবড়াবেন না — নিচে "ওয়েবসাইট কাজ না করলে করণীয়" অংশে সমাধান দেওয়া আছে।
educationboardresults.gov.bd হলো বাংলাদেশের সব শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের কেন্দ্রীয় ওয়েবসাইট। এইচএসসি, এসএসসি, জেএসসিসহ সব পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল এখানেই সবার আগে প্রকাশ করা হয়। ২০২৬ সালের এইচএসসি ফলাফলও এই সাইটেই লাইভ আছে।
সাইটটি ব্যবহারের সময় কয়েকটি বিষয় মনে রাখুন। প্রথমত, ফলাফল দেখা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে — কোনো ফি বা রেজিস্ট্রেশন লাগে না। দ্বিতীয়ত, সাইটে ঢুকে সরাসরি রোল-রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়েই ফলাফল পাওয়া যায়, কোনো অ্যাকাউন্ট খুলতে হয় না। তৃতীয়ত, ফলাফল প্রকাশের দিন দুপুর ১১টা থেকে বিকেল পর্যন্ত সাইটে ঢুকতে কিছুটা সময় লাগতে পারে — এটি স্বাভাবিক, কারণ একই সময়ে লাখ লাখ শিক্ষার্থী সাইটে ঢোকে।
একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা: `eduboardresults.gov.bd` (e ছাড়া শুরু) নামে আরেকটি ঠিকানা অনেকে ব্যবহারের পরামর্শ দেয়, কিন্তু বর্তমানে সেই সাইটটি ডাউন — সেখানে গিয়ে সময় নষ্ট করবেন না। নিচে এ নিয়ে আলাদা অংশে বিস্তারিত বলা হয়েছে।
eboardresults.com হলো ফলাফল দেখার দ্বিতীয় নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট — এর পুরো নাম "Web Based Result Publication System"। প্রধান সাইটে চাপ বেশি থাকলে বা খুলতে দেরি হলে এই সাইটটি চমৎকার বিকল্প হিসেবে কাজ করে।
ব্যবহারের নিয়ম প্রায় একই রকম:
ধাপ ১: ব্রাউজারে eboardresults.com লিখে প্রবেশ করুন।
ধাপ ২: Examination-এর ঘর থেকে HSC/Alim Equivalent নির্বাচন করুন।
ধাপ ৩: Year থেকে 2026 নির্বাচন করুন।
ধাপ ৪: Board থেকে আপনার বোর্ড নির্বাচন করুন।
ধাপ ৫: Result Type থেকে Individual Result নির্বাচন করুন।
ধাপ ৬: Roll নম্বর লিখুন।
ধাপ ৭: নিচের সিকিউরিটি কোড/ক্যাপচা পূরণ করে "Get Result" বাটনে ক্লিক করুন।
এই সাইটের একটি বড় সুবিধা হলো এখানে মার্কশিটসহ বিস্তারিত ফলাফল এক ক্লিকেই দেখা যায়, এবং প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল দেখার অপশনও এখানে সহজে পাওয়া যায়। ফলাফল প্রকাশের ভিড়ের সময় দুটি সাইটের মধ্যে যেটি দ্রুত খুলছে সেটি ব্যবহার করুন — ফলাফল দুটোতেই একই।
শুধু জিপিএ জানলেই অনেকের কাজ শেষ হয় না — কোন বিষয়ে কত নম্বর পেয়েছেন সেটি জানতে মার্কশিট দেখতে হয়। মার্কশিটসহ ফলাফল দেখার নিয়ম:
eboardresults.com সাইটে যান।
Examination, Year (2026), Board নির্বাচন করুন।
Result Type-এর জায়গায় "Individual Result"-এর পরিবর্তে মার্কশিট অপশন (Detailed/Marksheet) নির্বাচন করুন।
Roll নম্বর দিন (কিছু ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন নম্বরও চাইতে পারে)।
সিকিউরিটি কোড দিয়ে Get Result চাপুন।
তাহলে প্রতিটি বিষয়ের প্রাপ্ত নম্বর, গ্রেড পয়েন্ট, মোট জিপিএ — সব একসাথে দেখা যাবে। educationboardresults.gov.bd সাইটেও "Type of Result" থেকে Single Result ধরনের অপশন নির্বাচন করে মার্কশিটসহ ফলাফল দেখা যায়।
মনে রাখুন, অনলাইনে দেখা এই মার্কশিটটি প্রাথমিক/অনানুষ্ঠানিক — ভর্তি বা চাকরির আবেদনে সাধারণত এটি দিয়েই প্রাথমিক কাজ চলে, তবে চূড়ান্ত ভর্তির সময় কলেজ থেকে দেওয়া মূল মার্কশিট ও সনদপত্র লাগে।
অনলাইন মার্কশিটটি সংরক্ষণ করে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ — ভর্তির ফরম পূরণ বা বিভিন্ন আবেদনে এটি বারবার লাগে। ডাউনলোডের নিয়ম:
মোবাইল দিয়ে:
মার্কশিটসহ ফলাফল স্ক্রিনে আনার পর ব্রাউজারের মেনু (তিন ডট) থেকে "Share" বা "Print" নির্বাচন করুন।
Print থেকে "Save as PDF" বেছে নিলে মার্কশিটটি PDF হিসেবে ফোনে সেভ হয়ে যাবে।
চাইলে স্ক্রিনশট নিয়েও গ্যালারিতে সংরক্ষণ করতে পারেন।
কম্পিউটার দিয়ে:
ফলাফলের পেজ খোলা অবস্থায় Ctrl+P চাপুন।
Printer-এর জায়গায় "Save as PDF" বা "Microsoft Print to PDF" নির্বাচন করুন।
Save চাপলেই PDF ডাউনলোড হয়ে যাবে। প্রিন্টার থাকলে সরাসরি প্রিন্টও নিতে পারেন।
PDF ফাইলটির নাম বদলে `HSC_Marksheet_2026_আপনার-রোল.pdf` এর মতো করে রাখুন, যাতে পরে খুঁজে পেতে সুবিধা হয়। মার্কশিট ডাউনলোড নিয়ে আরও বিস্তারিত জানতে মার্কশিট ডাউনলোডের বিস্তারিত গাইড দেখতে পারেন।
রোল নম্বর দিয়েই মূলত ফলাফল দেখা হয় — দুটি ওয়েবসাইটেই রোল নম্বর প্রধান পরিচয় হিসেবে কাজ করে। educationboardresults.gov.bd সাইটে রোলের পাশাপাশি রেজিস্ট্রেশন নম্বরও বাধ্যতামূলক, তবে eboardresults.com সাইটে শুধু রোল নম্বর দিয়েও ফলাফল দেখা যায়।
রোল নম্বরটি আপনার প্রবেশপত্রের (Admit Card) উপরে বড় অক্ষরে লেখা থাকে — সাধারণত ৬ সংখ্যার হয়। রোল লেখার সময় খেয়াল রাখুন: বাংলায় নয়, ইংরেজি সংখ্যায় লিখুন; আগে-পিছে কোনো স্পেস দেবেন না; ভুল করে রেজিস্ট্রেশন নম্বর রোলের ঘরে বসাবেন না। রোল ভুল হলে "Invalid Roll Number" বার্তা আসে — এ নিয়ে সমস্যা সমাধান অংশে বিস্তারিত আছে।
রেজিস্ট্রেশন নম্বর হলো আপনার স্থায়ী শিক্ষার্থী পরিচয় — নবম শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশনের সময় যে নম্বর পেয়েছিলেন সেটিই এইচএসসি পর্যন্ত একই থাকে। educationboardresults.gov.bd সাইটে ফলাফল দেখতে রোলের পাশাপাশি এই রেজিস্ট্রেশন নম্বর দেওয়া বাধ্যতামূলক।
রেজিস্ট্রেশন নম্বর পাবেন আপনার রেজিস্ট্রেশন কার্ডে। কার্ডটি হারিয়ে গেলে কলেজ অফিসে যোগাযোগ করুন — তাদের কাছে রেকর্ড থাকে। অনেকে রোল মনে রাখলেও রেজিস্ট্রেশন নম্বর মনে রাখেন না; ফলাফল প্রকাশের আগেই দুটি নম্বরই মোবাইলের নোটে লিখে রাখুন, যাতে ফলাফলের দিন খোঁজাখুঁজি করতে না হয়।
হ্যাঁ, যাবে — তবে সব সাইটে নয়। educationboardresults.gov.bd সাইটে রেজিস্ট্রেশন নম্বর ছাড়া ফলাফল দেখা যায় না, কারণ সেখানে দুটি ঘরই বাধ্যতামূলক। কিন্তু eboardresults.com সাইটে Individual Result দেখতে শুধু রোল নম্বরই যথেষ্ট — রেজিস্ট্রেশন নম্বর না জানলেও ফলাফল পাবেন।
আর সবচেয়ে সহজ বিকল্প হলো এসএমএস: `HSC <বোর্ড কোড> <রোল> 2026` লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠালে রেজিস্ট্রেশন নম্বর ছাড়াই ফলাফল চলে আসে। তাই রেজিস্ট্রেশন কার্ড হাতের কাছে না থাকলে ঘাবড়াবেন না — SMS বা eboardresults.com ব্যবহার করুন।
ইন্টারনেট না থাকলেও বা ওয়েবসাইটে ঢুকতে না পারলেও মোবাইলে এসএমএস পাঠিয়ে ফলাফল জানা যায়। এটি সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বিকল্প উপায়, বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে বা ফলাফল প্রকাশের ভিড়ের সময়।
এসএমএস পাঠানোর নিয়ম:
মোবাইলের মেসেজ/বার্তা অপশনে যান।
লিখুন: `HSC <বোর্ডের ৩ অক্ষরের কোড> <রোল নম্বর> <2026>`
পাঠিয়ে দিন ১৬১৪০ নম্বরে।
কিছুক্ষণের মধ্যে ফিরতি এসএমএসে আপনার নাম, রোল, বোর্ড, প্রাপ্ত গ্রেড/জিপিএ জানিয়ে দেওয়া হবে।
উদাহরণ: ঢাকা বোর্ডের একজন শিক্ষার্থীর রোল ১২৩৪৫৬ হলে লিখবেন `HSC DHA 123456 2026` — তারপর ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাবেন।
মনে রাখবেন, এসএমএস পাঠানোর নম্বর শুধুমাত্র ১৬১৪০। ১৬২২২ বা অন্য কোনো নম্বরে পাঠাবেন না — সেগুলোতে ফলাফল আসে না। সব মোবাইল অপারেটর (গ্রামীনফোন, বাংলালিংক, রবি, টেলিটক) থেকে এই নম্বরে এসএমএস পাঠানো যায়।
৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের (ঢাকা, রাজশাহী, কুমিল্লা, যশোর, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ) শিক্ষার্থীরা একই ফরম্যাট ব্যবহার করবেন:
`HSC <বোর্ড কোড> <রোল নম্বর> 2026`
প্রতিটি অংশের মাঝে একটি করে স্পেস দিতে হবে। যেমন:
ঢাকা বোর্ড: `HSC DHA 123456 2026`
রাজশাহী বোর্ড: `HSC RAJ 654321 2026`
কুমিল্লা বোর্ড: `HSC COM 112233 2026`
ভুল বোর্ড কোড দিলে ফলাফল আসবে না বা ভুল বোর্ডের ফলাফল আসতে পারে, তাই নিচের টেবিল থেকে আপনার বোর্ডের কোড মিলিয়ে নিন।
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষার্থীদের SMS ফরম্যাট:
`HSC MAD <রোল নম্বর> 2026`
উদাহরণ: `HSC MAD 123456 2026` লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠান। মনে রাখবেন, আলিম পরীক্ষার ক্ষেত্রেও প্রথমে HSC লিখতে হয়, তারপর বোর্ড কোড MAD। অনেকে ভুল করে ALIM লিখে ফেলেন — সঠিক ফরম্যাটে প্রথম শব্দ সবসময় HSC।
বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের (ভোকেশনাল, বিএমটি/ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা) পরীক্ষার্থীদের ফরম্যাট:
`HSC TEC <রোল নম্বর> 2026`
উদাহরণ: `HSC TEC 123456 2026` লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠান। ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং পরীক্ষার্থীদের জন্য এই ফরম্যাট প্রযোজ্য নয় — এটি শুধু এইচএসসি সমমান (ভোকেশনাল/বিএমটি) পরীক্ষার্থীদের জন্য।
নিচের টেবিলে ১১টি বোর্ডের নাম ও ৩ অক্ষরের কোড দেওয়া হলো। SMS পাঠানোর আগে আপনার বোর্ডের কোডটি নিশ্চিত হয়ে নিন।
বোর্ডের নাম | বোর্ড কোড | SMS উদাহরণ |
ঢাকা | DHA | HSC DHA 123456 2026 |
রাজশাহী | RAJ | HSC RAJ 123456 2026 |
কুমিল্লা | COM | HSC COM 123456 2026 |
যশোর | JES | HSC JES 123456 2026 |
চট্টগ্রাম | CHI | HSC CHI 123456 2026 |
বরিশাল | BAR | HSC BAR 123456 2026 |
সিলেট | SYL | HSC SYL 123456 2026 |
দিনাজপুর | DIN | HSC DIN 123456 2026 |
ময়মনসিংহ | MYM | HSC MYM 123456 2026 |
মাদ্রাসা | MAD | HSC MAD 123456 2026 |
কারিগরি | TEC | HSC TEC 123456 2026 |
বোর্ড কোড সবসময় ইংরেজি বড় হাতের অক্ষরে লিখুন। ছোট হাতের অক্ষরেও সাধারণত কাজ করে, তবে নিরাপদ থাকতে বড় হাতের অক্ষর ব্যবহার করাই ভালো।
১৬১৪০ নম্বরে এসএমএস পাঠানো প্রিমিয়াম সার্ভিস — প্রতি এসএমএসে খরচ হয় প্রায় ২.৫০ টাকা (ভ্যাটসহ অপারেটরভেদে সামান্য কমবেশি হতে পারে)। তাই SMS পাঠানোর আগে নিশ্চিত হয়ে নিন:
মোবাইলে পর্যাপ্ত ব্যালেন্স আছে কি না (কমপক্ষে ৫ টাকা রাখা নিরাপদ)।
ফরম্যাটটি ঠিক আছে কি না — ভুল ফরম্যাটে পাঠালেও চার্জ কাটতে পারে কিন্তু ফলাফল আসবে না।
একই ফলাফলের জন্য বারবার SMS না পাঠিয়ে একবার পাঠিয়ে উত্তরের অপেক্ষা করুন।
ফিরতি এসএমএস পেতে সাধারণত ২–৫ মিনিট সময় লাগে। ফলাফল প্রকাশের প্রথম ঘণ্টায় নেটওয়ার্কে চাপ বেশি থাকলে ১৫–৩০ মিনিট পর্যন্তও লাগতে পারে।
SMS পাঠিয়েছেন কিন্তু ফিরতি বার্তা আসছে না? নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন:
১৫–২০ মিনিট অপেক্ষা করুন — ফলাফলের দিন সার্ভারে প্রচুর চাপ থাকে, উত্তর আসতে দেরি হওয়া স্বাভাবিক।
ফরম্যাট যাচাই করুন — Sent বক্সে গিয়ে দেখুন `HSC DHA 123456 2026` ফরম্যাটে ঠিকমতো লিখেছিলেন কি না। স্পেস বেশি বা কম হলে, বোর্ড কোড ভুল হলে উত্তর আসে না।
নম্বর যাচাই করুন — ১৬১৪০ নম্বরেই পাঠিয়েছিলেন কি না দেখুন। ১৬২২২ বা অন্য নম্বরে পাঠালে ফলাফল আসবে না।
ব্যালেন্স চেক করুন — ব্যালেন্স শেষ হয়ে গেলে SMS যায় না।
আবার পাঠান — সব ঠিক থাকার পরও ৩০ মিনিটে উত্তর না এলে একবার আবার পাঠান।
বিকল্প উপায় — SMS-এ না পেলে eboardresults.com সাইটে শুধু রোল নম্বর দিয়ে ফলাফল দেখুন।
একটি ভুল ধারণা দূর করা জরুরি: অনেকে পুরোনো তথ্য অনুযায়ী ১৬২২২ নম্বরে SMS পাঠান — এই নম্বরটি এখন আর ফলাফল সার্ভিস দেয় না। সঠিক নম্বর শুধু ১৬১৪০।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ড দেশের সবচেয়ে বড় বোর্ড — প্রতি বছর সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী এই বোর্ডের অধীনে পরীক্ষা দেয়। ঢাকা বোর্ডের ফলাফল দেখার নিয়ম:
অনলাইন: educationboardresults.gov.bd সাইটে Board থেকে "Dhaka" নির্বাচন করে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিন। বিকল্প হিসেবে eboardresults.com ব্যবহার করুন।
SMS: `HSC DHA <রোল> 2026` লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠান।
মার্কশিট: eboardresults.com থেকে মার্কশিটসহ ফলাফল দেখা ও PDF ডাউনলোড করা যায়।
ঢাকা বোর্ডের অধীনে ঢাকা মহানগর, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, নরসিংদীসহ আশপাশের জেলার কলেজগুলো রয়েছে। ফলাফল প্রকাশের দিন এই বোর্ডের সার্ভারে সবচেয়ে বেশি চাপ পড়ে, তাই ঢাকার শিক্ষার্থীদের eboardresults.com বিকল্প হিসেবে হাতের কাছে রাখা উচিত।
রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড উত্তরবঙ্গের শিক্ষার্থীদের বোর্ড। ফলাফল দেখার নিয়ম:
অনলাইন: educationboardresults.gov.bd সাইটে Board থেকে "Rajshahi" নির্বাচন করুন। বিকল্প: eboardresults.com।
SMS: `HSC RAJ <রোল> 2026` লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠান।
মার্কশিট: দুটি সাইট থেকেই মার্কশিটসহ ফলাফল দেখা যায়।
রাজশাহী বোর্ডের অধীনে রাজশাহী বিভাগের সব জেলার কলেজ রয়েছে। বোর্ডের নিজস্ব ওয়েবসাইটেও ফলাফল সংক্রান্ত নোটিশ পাওয়া যায়, তবে মূল ফলাফল দেখার জন্য উপরের দুটি কেন্দ্রীয় সাইটই ব্যবহার করুন।
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল দেখার নিয়ম:
অনলাইন: educationboardresults.gov.bd সাইটে Board থেকে "Cumilla" নির্বাচন করে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিন। বিকল্প: eboardresults.com।
SMS: `HSC COM <রোল> 2026` লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠান।
লক্ষ্য করুন, কুমিল্লার বোর্ড কোড COM — অনেকে ভুল করে CUM লিখে ফেলেন, যা ভুল। সঠিক কোড COM ব্যবহার করুন। কুমিল্লা বোর্ডের অধীনে কুমিল্লা, চাঁদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নোয়াখালী, ফেনী, লক্ষ্মীপুর জেলার কলেজগুলো রয়েছে।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল দেখার নিয়ম:
অনলাইন: educationboardresults.gov.bd সাইটে Board থেকে "Chattogram" নির্বাচন করুন। বিকল্প: eboardresults.com।
SMS: `HSC CHI <রোল> 2026` লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠান।
চট্টগ্রামের কোড CHI — এটি মনে রাখা সহজ, কারণ এটি "Chattogram"-এর সংক্ষিপ্ত রূপের মতো। এই বোর্ডের অধীনে চট্টগ্রাম বিভাগের কলেজগুলো রয়েছে। পার্বত্য জেলার শিক্ষার্থীরাও এই বোর্ডের অধীনে ফলাফল পাবেন।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল দেখার নিয়ম:
অনলাইন: educationboardresults.gov.bd সাইটে Board থেকে "Barisal" নির্বাচন করুন। বিকল্প: eboardresults.com।
SMS: `HSC BAR <রোল> 2026` লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠান।
বরিশাল বোর্ডের অধীনে বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার কলেজ রয়েছে। দক্ষিণাঞ্চলের অনেক শিক্ষার্থীর ইন্টারনেট সুবিধা সীমিত — তাদের জন্য ১৬১৪০ নম্বরে SMS পাঠানো সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায়।
সিলেট শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল দেখার নিয়ম:
অনলাইন: educationboardresults.gov.bd সাইটে Board থেকে "Sylhet" নির্বাচন করুন। বিকল্প: eboardresults.com।
SMS: `HSC SYL <রোল> 2026` লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠান।
সিলেট বোর্ডের অধীনে সিলেট বিভাগের চার জেলার (সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ) কলেজগুলো রয়েছে। প্রবাসী অধ্যুষিত এই অঞ্চলের অনেক অভিভাবক বিদেশ থেকে ফলাফল জানতে চান — তাদের জন্য অনলাইন সাইট দুটি সবচেয়ে সুবিধাজনক, কারণ SMS শুধু দেশের মোবাইল নম্বর থেকে পাঠানো যায়।
দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল দেখার নিয়ম:
অনলাইন: educationboardresults.gov.bd সাইটে Board থেকে "Dinajpur" নির্বাচন করুন। বিকল্প: eboardresults.com।
SMS: `HSC DIN <রোল> 2026` লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠান।
দিনাজপুর বোর্ডের অধীনে রংপুর বিভাগের আট জেলার কলেজ রয়েছে। উত্তরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য পরামর্শ: ফলাফল প্রকাশের দিন সকালে নেটওয়ার্ক ব্যস্ত থাকলে দুপুরের দিকে চেষ্টা করুন, অথবা SMS ব্যবহার করুন।
ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড তুলনামূলক নতুন বোর্ড হলেও এর ফলাফল প্রক্রিয়া অন্য বোর্ডগুলোর মতোই। ফলাফল দেখার নিয়ম:
অনলাইন: educationboardresults.gov.bd সাইটে Board থেকে "Mymensingh" নির্বাচন করুন। বিকল্প: eboardresults.com।
SMS: `HSC MYM <রোল> 2026` লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠান।
ময়মনসিংহ বোর্ডের অধীনে ময়মনসিংহ বিভাগের চার জেলার (ময়মনসিংহ, জামালপুর, নেত্রকোনা, শেরপুর) কলেজগুলো রয়েছে। নতুন বোর্ড হওয়ায় অনেকে দ্বিধায় থাকেন — নিশ্চিন্ত থাকুন, ফলাফল দেখার সব উপায় এই বোর্ডের জন্যও একইভাবে কাজ করে।
বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষার ফলাফলও একই দিনে প্রকাশিত হয়েছে। আলিম পরীক্ষার্থীদের জন্য নির্দেশনা:
অনলাইন: educationboardresults.gov.bd সাইটে Board থেকে "Madrasah" নির্বাচন করে Examination-এ "Alim" বেছে নিন। বিকল্প: eboardresults.com।
SMS: `HSC MAD <রোল> 2026` লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠান।
মার্কশিট: eboardresults.com থেকে বিষয়ভিত্তিক নম্বরসহ মার্কশিট দেখা যায়।
আলিমের ফলাফলে কুরআন, হাদিস, আরবি, ফিকহসহ মাদ্রাসা কারিকুলামের বিষয়গুলোর নম্বর আলাদাভাবে দেখা যায়। মাদ্রাসা বোর্ডের ফলাফল নিয়েও বোর্ড চ্যালেঞ্জের সুযোগ আছে — নিয়ম সাধারণ বোর্ডের মতোই।
বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ভোকেশনাল ও ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা (বিএমটি) পরীক্ষার ফলাফলও ৩১ অক্টোবর ২০২৬ প্রকাশিত হয়েছে।
অনলাইন: educationboardresults.gov.bd সাইটে Board থেকে "Technical" নির্বাচন করুন। বিকল্প: eboardresults.com।
SMS: `HSC TEC <রোল> 2026` লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠান।
মার্কশিট: ট্রেডভিত্তিক বিষয়ের নম্বরসহ মার্কশিট eboardresults.com থেকে দেখা যায়।
কারিগরি বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের রোল নম্বর সিরিজ সাধারণ বোর্ড থেকে আলাদা হতে পারে — প্রবেশপত্রের রোল নম্বরটি হুবহু ব্যবহার করুন। ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং পরীক্ষার্থীরা এই ফলাফলের আওতায় নন; এটি শুধু এইচএসসি সমমান পর্যায়ের জন্য।
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) অধীনে এইচএসসি প্রোগ্রামের ফলাফল বাউবির নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। বাউবির পরীক্ষার সময়সূচি ও ফলাফল প্রকাশের তারিখ সাধারণ বোর্ডগুলোর থেকে আলাদা হতে পারে।
বাউবির শিক্ষার্থীরা বাউবির অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের রেজাল্ট সেকশনে স্টুডেন্ট আইডি দিয়ে ফলাফল দেখতে পারেন। আপনার টিউটোরিয়াল কেন্দ্র বা আঞ্চলিক কেন্দ্রেও ফলাফল সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায়। সাধারণ বোর্ডের SMS সিস্টেম (১৬১৪০) বাউবির ফলাফলের জন্য প্রযোজ্য নয়।
শিক্ষক, কলেজ কর্তৃপক্ষ বা অভিভাবকরা চাইলে একটি কলেজের সব শিক্ষার্থীর ফলাফল একসাথে দেখতে পারেন — এজন্য দরকার কলেজের EIIN নম্বর (প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের স্বতন্ত্র পরিচয় নম্বর)।
নিয়ম:
eboardresults.com সাইটে যান।
Result Type থেকে "Institution Result" নির্বাচন করুন।
Examination (HSC/Alim), Year (2026), Board নির্বাচন করুন।
EIIN ঘরে আপনার কলেজের ৬ সংখ্যার EIIN নম্বর লিখুন।
Get Result চাপুন — পুরো কলেজের ফলাফলের তালিকা, পাসের হার, জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংখ্যাসহ পরিসংখ্যান দেখা যাবে।
EIIN নম্বরটি কলেজের নোটিশ বোর্ডে, কলেজের ওয়েবসাইটে বা ব্যানবেইসের তালিকায় পাওয়া যায়। এই ফলাফল থেকে কলেজের সার্বিক পারফরম্যান্স এক নজরে বোঝা যায় — কোন বিভাগে কতজন পাস, কতজন জিপিএ-৫ পেয়েছে, সব দেখা যায়।
অনলাইন ফলাফল দেখার পর মূল কাগজপত্র সংগ্রহ করতে হয় কলেজ থেকে। প্রক্রিয়াটি:
ফলাফল প্রকাশের কয়েক দিনের মধ্যে কলেজ কর্তৃপক্ষ বোর্ড থেকে মার্কশিট ও সাময়িক সনদপত্র সংগ্রহ করে।
কলেজের নোটিশ বোর্ডে বিতরণের তারিখ জানিয়ে দেওয়া হয়।
নির্ধারিত দিনে প্রবেশপত্র বা পরিচয়পত্র নিয়ে কলেজ অফিসে গিয়ে মার্কশিট সংগ্রহ করুন।
মূল সনদপত্র (সার্টিফিকেট) পেতে সাধারণত কয়েক মাস অপেক্ষা করতে হয় — বোর্ড থেকে ছাপা হয়ে কলেজের মাধ্যমে বিতরণ করা হয়।
মার্কশিটে কোনো ভুল (নামের বানান, জন্মতারিখ) থাকলে সঙ্গে সঙ্গে কলেজ অফিসে জানান — বোর্ডে সংশোধনের আবেদন করার নিয়ম আছে, তবে সময়মতো জানানো জরুরি।
এইচএসসি ফলাফলে লেটার গ্রেড ও গ্রেড পয়েন্ট দিয়ে মূল্যায়ন করা হয়। প্রতিটি বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বর অনুযায়ী গ্রেড নির্ধারিত হয়:
নম্বরের শ্রেণি | লেটার গ্রেড | গ্রেড পয়েন্ট |
৮০–১০০ | A+ | ৫.০০ |
৭০–৭৯ | A | ৪.০০ |
৬০–৬৯ | A− | ৩.৫০ |
৫০–৫৯ | B | ৩.০০ |
৪০–৪৯ | C | ২.০০ |
৩৩–৩৯ | D | ১.০০ |
০–৩২ | F | ০.০০ |
কোনো বিষয়ে F গ্রেড (৩২-এর নিচে) পেলে সেই বিষয়ে ফেল বলে গণ্য হয়। সব বিষয়ে পাস করলেই শুধু চূড়ান্ত ফলাফলে জিপিএ দেওয়া হয় — এক বা একাধিক বিষয়ে ফেল থাকলে ফলাফল "F" দেখায়।
আপনার সার্বিক জিপিএ (GPA) বের করা হয় প্রতিটি বিষয়ের গ্রেড পয়েন্টের গড় থেকে। নিয়মটি:
প্রতিটি বিষয়ে প্রাপ্ত গ্রেড পয়েন্ট লিখুন (যেমন: বাংলায় A+ = ৫.০০, ইংরেজিতে A = ৪.০০)।
চতুর্থ বিষয় (ঐচ্ছিক বিষয়) থাকলে তার গ্রেড পয়েন্ট থেকে ২.০০ বাদ দিয়ে বাকিটা যোগ করুন (যদি পয়েন্ট ২.০০-এর বেশি হয়)।
সব বিষয়ের (সমন্বিত) পয়েন্ট যোগ করে মোট বিষয় সংখ্যা (চতুর্থ বিষয় বাদে) দিয়ে ভাগ করুন।
ফলাফল ৫.০০-এর বেশি হলে ৫.০০-ই চূড়ান্ত জিপিএ — এর বেশি হয় না।
উদাহরণ: ৬টি মূল বিষয়ে পয়েন্ট ৫+৫+৪+৪+৩.৫+৩.৫ = ২৫; চতুর্থ বিষয়ে A+ (৫.০০) পেলে (৫−২) = ৩ যোগ হবে; মোট ২৮ ÷ ৬ = ৪.৬৭ জিপিএ।
মার্কশিটে এই হিসাব আগে থেকেই করা থাকে, তবে নিজে মিলিয়ে দেখতে চাইলে উপরের নিয়ম ব্যবহার করুন।
এক বা দুটি বিষয়ে ফেল করলেও হতাশ হওয়ার কিছু নেই — সামনে সুযোগ আছে:
পরিপূরক পরীক্ষা: এক বা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা পরের বছর শুধু ফেল করা বিষয়গুলোতে পরিপূরক (কম্পার্টমেন্টাল) পরীক্ষা দিতে পারেন। পুরো পরীক্ষা আবার দিতে হয় না।
মানোন্নয়ন পরীক্ষা: ফলাফলে সন্তুষ্ট না হলে পরের বছর মানোন্নয়ন (ইমপ্রুভমেন্ট) পরীক্ষা দিয়ে জিপিএ বাড়ানোর সুযোগ আছে। তবে মানোন্নয়নের ফলাফল আগের চেয়ে খারাপ হলে আগের ফলাফলই বহাল থাকে না — নতুন ফলাফলই চূড়ান্ত হয়, তাই সিদ্ধান্ত ভেবেচিন্তে নিন।
পুনঃভর্তি: চাইলে একই কলেজে বা অন্য কলেজে পুনরায় ভর্তি হয়েও পরীক্ষা দেওয়া যায়।
ফেল করা বিষয়ের সংখ্যা ও নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে কলেজের শিক্ষকদের পরামর্শ নিন — তারাই আপনার নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে সঠিক পথ দেখাতে পারবেন।
ফলাফল নিয়ে সন্দেহ থাকলে — অর্থাৎ প্রত্যাশার চেয়ে অনেক কম নম্বর পেয়েছেন বলে মনে হলে — উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের (বোর্ড চ্যালেঞ্জ) আবেদন করতে পারেন। ২০২৬ সালের বোর্ড চ্যালেঞ্জের সময়সূচি:
আবেদনের সময়: ১ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর ২০২৬
আবেদনের মাধ্যম: শুধুমাত্র অনলাইনে
আবেদন শুরুর তারিখ: ১ নভেম্বর ২০২৬ থেকে
আবেদনের নিয়ম:
১ নভেম্বর থেকে পুনঃনিরীক্ষণের পোর্টাল rescrutiny.eduboardresults.gov.bd চালু হবে।
পোর্টালে রোল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বোর্ড ও মোবাইল নম্বর দিয়ে আবেদন ফরম পূরণ করুন।
যেসব বিষয়ে চ্যালেঞ্জ করতে চান সেগুলো নির্বাচন করুন (একাধিক বিষয়ে করা যায়)।
নির্ধারিত ফি মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পরিশোধ করুন।
আবেদন সফল হলে একটি ট্র্যাকিং নম্বর/এসএমএস পাবেন — সেটি সংরক্ষণ করুন।
একটি বিষয় পরিষ্কার রাখুন: পুনঃনিরীক্ষণে খাতা আবার দেখা হয় না — নম্বর যোগে ভুল হয়েছে কি না, কোনো উত্তরের নম্বর বাদ পড়েছে কি না, সেটিই যাচাই করা হয়। তাই অযৌক্তিক প্রত্যাশা না রেখে যুক্তিসংগত সন্দেহ থাকলেই আবেদন করুন। বোর্ড চ্যালেঞ্জের বিস্তারিত নিয়ম নিয়ে আলাদা বিস্তারিত পোস্ট পড়তে পারেন।
পুনঃনিরীক্ষণের জন্য প্রতি পত্রে (প্রতি বিষয়ের প্রতি পত্রে) ফি দিতে হয়। ২০২৫ সালে এই ফি ছিল প্রতি পত্র ১৫০ টাকা। ২০২৬ সালের ফি এখনো বোর্ডের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি — ১ নভেম্বর আবেদন পোর্টাল চালু হলে সেখানেই চূড়ান্ত ফি জানা যাবে।
পেমেন্ট সাধারণত মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ, নগদ, রকেট) বা ডেবিট/ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে করা যায়। পেমেন্টের পর অবশ্যই ট্রানজেকশন আইডি ও আবেদনের কনফার্মেশন এসএমএস সংরক্ষণ করুন — পরে ফলাফল দেখতে বা কোনো সমস্যা হলে এগুলোই প্রমাণ। ভুয়া ওয়েবসাইটে ফি পরিশোধ করবেন না — শুধু বোর্ডের অফিসিয়াল পোর্টালেই পেমেন্ট করুন।
পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন শেষ হওয়ার পর বোর্ডগুলো সাধারণত ৩–৪ সপ্তাহের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করে। অর্থাৎ ৭ নভেম্বর আবেদন শেষ হলে ডিসেম্বর মাসের শুরুর দিকে ফলাফল পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
চ্যালেঞ্জের ফলাফলে তিনটি সম্ভাবনা থাকে: নম্বর বেড়ে গ্রেড পরিবর্তন হতে পারে, নম্বর একই থাকতে পারে, অথবা (বিরল ক্ষেত্রে) নম্বর কমতেও পারে। ফলাফল প্রকাশের পর বোর্ডের ওয়েবসাইট ও সংশ্লিষ্ট পোর্টালে রোল নম্বর দিয়ে ফলাফল দেখা যায়। ফলাফল পরিবর্তন হলে সংশোধিত মার্কশিট কলেজের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে হয়।
মনে রাখবেন, বোর্ড চ্যালেঞ্জের ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করতে করতে ভর্তির প্রস্তুতি থামিয়ে রাখবেন না — ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি যথারীতি চালিয়ে যান।
ফলাফল হাতে পাওয়ার পর পরবর্তী ধাপগুলো গুছিয়ে নিন:
১. ফলাফল ভালোভাবে যাচাই করুন — অনলাইন ফলাফলের সঙ্গে প্রবেশপত্রের রোল-রেজিস্ট্রেশন মিলিয়ে নিন। নামের বানান বা অন্য তথ্যে ভুল থাকলে কলেজে জানান।
২. মার্কশিট সংরক্ষণ করুন — অনলাইন মার্কশিটের PDF ডাউনলোড করে রাখুন এবং একটি প্রিন্ট কপিও রাখুন।
৩. পরবর্তী লক্ষ্য ঠিক করুন — ভালো ফলাফল হলে পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রস্তুতি নিন; ফলাফল আশানুরূপ না হলে বিকল্প পথ (জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, কারিগরি শিক্ষা, দক্ষতাভিত্তিক কোর্স) বিবেচনা করুন।
৪. বোর্ড চ্যালেঞ্জের সিদ্ধান্ত নিন — সন্দেহ থাকলে ১–৭ নভেম্বরের মধ্যে আবেদন করুন; দেরি করলে সুযোগ হাতছাড়া হবে।
৫. মূল কাগজপত্র সংগ্রহ করুন — কলেজ থেকে মূল মার্কশিট নেওয়ার তারিখ জেনে রাখুন।
৬. মানসিকভাবে শক্ত থাকুন — ফলাফল যেমনই হোক, এটি জীবনের শেষ কথা নয়। অনেক সফল মানুষের গল্প শুরু হয়েছে খারাপ ফলাফলের পরই।
এইচএসসির পর সবচেয়ে বড় লক্ষ্য উচ্চশিক্ষায় ভর্তি। ফলাফলের ভিত্তিতে পথ বেছে নিন:
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়: গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষাসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বিজ্ঞপ্তির দিকে নজর রাখুন। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদনের যোগ্যতায় নির্দিষ্ট জিপিএ চাওয়া হয় — মার্কশিট হাতে পেয়েই যোগ্যতা মিলিয়ে নিন।
মেডিকেল ও ডেন্টাল: ভর্তি পরীক্ষার জন্য এইচএসসির জীববিজ্ঞানসহ বিজ্ঞান বিষয়গুলোতে ভালো নম্বর জরুরি। ভর্তি বিজ্ঞপ্তি সাধারণত ফলাফলের পরপরই আসে।
ইঞ্জিনিয়ারিং (বুয়েট, রুয়েট, কুয়েট, চুয়েট): গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়নে নির্ধারিত গ্রেড থাকতে হয়।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়: অনার্স/ডিগ্রিতে ভর্তির জন্য জিপিএভিত্তিক মেধাতালিকা হয় — আবেদনের সময়সূচি মিস করবেন না।
বিদেশে উচ্চশিক্ষা: আইইএলটিএস/স্যাট প্রস্তুতির পাশাপাশি মার্কশিটের সত্যায়িত কপি তৈরি রাখুন।
ভর্তি সংক্রান্ত প্রতিটি বিজ্ঞপ্তির তারিখ ডায়েরিতে লিখে রাখুন — একটি তারিখ মিস মানেই এক বছর অপেক্ষা।
ফলাফল প্রকাশের দিন সবচেয়ে সাধারণ সমস্যা হলো ওয়েবসাইট না খোলা। এটি সাইটের ত্রুটি নয় — একই সময়ে লাখ লাখ ভিজিটরের চাপে সার্ভার ধীর হয়ে যায়। সমাধান:
বিকল্প সাইট ব্যবহার করুন — educationboardresults.gov.bd না খুললে eboardresults.com চেষ্টা করুন, অথবা উল্টোটা।
কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে আবার চেষ্টা করুন — ১০–১৫ মিনিট পর চাপ কমে যায়।
ভিড়ের সময় এড়িয়ে চলুন — বেলা ১১টা–১টার ভিড় এড়িয়ে দুপুর ২টার পর বা সন্ধ্যায় চেষ্টা করলে দ্রুত ফলাফল পাবেন।
ব্রাউজার ক্যাশ পরিষ্কার করুন — পুরোনো ক্যাশের কারণে পেজ আটকে থাকতে পারে।
SMS ব্যবহার করুন — ওয়েবসাইটে একেবারেই ঢুকতে না পারলে `HSC <কোড> <রোল> 2026` লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠান।
ভিন্ন ব্রাউজার বা ডিভাইস — ক্রোমে না হলে ফায়ারফক্স বা অন্য ব্রাউজারে চেষ্টা করুন।
মনে রাখবেন, ফলাফল কোথাও পালিয়ে যাচ্ছে না — একদিন পরেও একইভাবে দেখা যাবে। তাই অযথা উদ্বিগ্ন না হয়ে ধৈর্য ধরুন।
অনেক পুরোনো ব্লগ ও ফেসবুক পোস্টে `eduboardresults.gov.bd` ঠিকানাটিকে ফলাফল দেখার ওয়েবসাইট হিসেবে উল্লেখ করা হয়। কিন্তু বর্তমানে এই সাইটটি কাজ করছে না — সেখানে গেলে পেজ খুলবে না বা ত্রুটি দেখাবে।
বিভ্রান্তির কারণ হলো নামের মিল: সঠিক সাইট `educationboardresults.gov.bd` (education দিয়ে শুরু), আর ডাউন সাইটটি `eduboardresults.gov.bd` (ed দিয়ে শুরু)। মাত্র কয়েকটি অক্ষরের পার্থক্য, কিন্তু ফলাফল একেবারেই আলাদা। তাই:
ফলাফল দেখুন শুধু educationboardresults.gov.bd অথবা eboardresults.com থেকে।
কোনো সাইটে `eduboardresults.gov.bd`-কে "কাজ করছে" বলে দাবি করতে দেখলে বুঝবেন তথ্যটি হালনাগাদ নয়।
বুকমার্ক করার সময় ঠিকানাটি দুবার মিলিয়ে নিন।
ফলাফল দেখতে গিয়ে "Invalid Roll Number" বা "রোল নম্বর সঠিক নয়" বার্তা এলে:
রোল নম্বর আবার মিলিয়ে নিন — প্রবেশপত্রের সঙ্গে হুবহু মিল আছে কি না দেখুন। ৬ সংখ্যার রোলের কোনো সংখ্যা বাদ পড়েছে বা বাড়তি ঢুকেছে কি না খেয়াল করুন।
ইংরেজি সংখ্যা ব্যবহার করুন — বাংলা সংখ্যায় (১২৩৪৫৬) লিখলে সিস্টেম চিনতে পারে না; ইংরেজিতে (123456) লিখুন।
স্পেস মুছে দিন — রোলের আগে-পিছে অদৃশ্য স্পেস থাকলে ত্রুটি হয়।
বোর্ড ও সাল মিলিয়ে নিন — ভুল বোর্ড বা ভুল সাল (2025-এর জায়গায় 2026) নির্বাচন করলেও এই বার্তা আসে।
রোলের ঘরে রেজিস্ট্রেশন নম্বর দেননি তো? — দুটি নম্বর গুলিয়ে ফেললে এই সমস্যা হয়।
সব ঠিক থাকার পরও না হলে — কিছুক্ষণ পর আবার চেষ্টা করুন; সার্ভারের সাময়িক ত্রুটিতেও এমন বার্তা আসতে পারে। তবু না হলে কলেজ অফিসে যোগাযোগ করুন।
ফলাফলের ফরমে ছবিতে দেখানো অক্ষর/সংখ্যা (CAPTCHA) পূরণ করতে হয় — এটি বট প্রতিরোধের জন্য। সমস্যা হলে:
ছবির অক্ষরগুলো মনোযোগ দিয়ে দেখুন — বড় হাতের-ছোট হাতের পার্থক্য খেয়াল করুন।
বুঝতে না পারলে ছবির পাশের "রিফ্রেশ" বাটনে ক্লিক করে নতুন কোড আনুন।
কোডের ঘরে অতিরিক্ত স্পেস দেবেন না।
বারবার ভুল হলে পেজটি রিলোড করে নতুন করে চেষ্টা করুন।
চশমা পরা থাকলে ছবিটি জুম করে দেখুন।
ক্যাপচা মিলে গেলেই "View Result" বাটন কাজ করবে। এটি নিরাপত্তার অংশ, তাই বিরক্ত না হয়ে ধৈর্য ধরে পূরণ করুন।
রেজিস্ট্রেশন কার্ড হারিয়ে গেলে বা নম্বর মনে না থাকলে:
প্রথমে কলেজ অফিসে যোগাযোগ করুন — তাদের রেজিস্টারে আপনার রেজিস্ট্রেশন নম্বর সংরক্ষিত থাকে।
সহপাঠীদের জিজ্ঞেস করুন — একই কলেজের রেজিস্ট্রেশন নম্বর সাধারণত কাছাকাছি সিরিজের হয়, তবে এটি শুধু ধারণা পেতে সাহায্য করে, নিশ্চিত নম্বর কলেজই দেবে।
রেজিস্ট্রেশন নম্বর না পাওয়া পর্যন্ত eboardresults.com সাইটে শুধু রোল নম্বর দিয়ে বা ১৬১৪০ নম্বরে SMS পাঠিয়ে ফলাফল দেখুন।
ভবিষ্যতের জন্য রেজিস্ট্রেশন নম্বরের ছবি তুলে মোবাইলে ও ইমেইলে সংরক্ষণ করুন।
রেজিস্ট্রেশন নম্বর ছাড়া educationboardresults.gov.bd সাইটে ফলাফল দেখা যায় না — তাই নম্বরটি দ্রুত সংগ্রহ করে নিন।
বেশিরভাগ শিক্ষার্থী মোবাইল ফোন দিয়েই ফলাফল দেখেন। মোবাইলে সেরা অভিজ্ঞতার জন্য:
ক্রোম বা ফায়ারফক্স ব্রাউজার ব্যবহার করুন (ফেসবুকের ইন-অ্যাপ ব্রাউজার এড়িয়ে চলুন — সেখানে ফরম ঠিকমতো কাজ নাও করতে পারে)।
educationboardresults.gov.bd বা eboardresults.com ঠিকানায় যান।
ফরমের ঘরগুলোতে রোল-রেজিস্ট্রেশন নম্বর সাবধানে টাইপ করুন — মোবাইলে অটো-কারেক্ট ভুল সংখ্যা বসিয়ে দিতে পারে, তাই পাঠানোর আগে দুবার দেখুন।
ক্যাপচা পূরণ করে View Result চাপুন।
ফলাফল এলে স্ক্রিনশট নিয়ে রাখুন।
মোবাইল ডেটা ধীর হলে ওয়াইফাই ব্যবহার করুন। আর সবচেয়ে সহজ মোবাইল উপায় তো SMS — ইন্টারনেট ছাড়াই `HSC <কোড> <রোল> 2026` লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠান।
সংক্ষেপে: শিক্ষা বোর্ডের কোনো অফিসিয়াল মোবাইল অ্যাপ নেই। প্লে স্টোরে "HSC Result 2026" নামে যেসব অ্যাপ পাবেন সেগুলো তৃতীয় পক্ষের তৈরি — এগুলোর কোনোটির সঙ্গেই শিক্ষা বোর্ডের আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক নেই।
এই অ্যাপগুলোর ঝুঁকি:
ভুল বা বানোয়াট ফলাফল দেখাতে পারে।
আপনার রোল নম্বরসহ ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করে অপব্যবহার করতে পারে।
অতিরিক্ত বিজ্ঞাপন ও ম্যালওয়্যারের ঝুঁকি থাকে।
তাই অ্যাপের বদলে মোবাইল ব্রাউজারে অফিসিয়াল দুটি ওয়েবসাইট ব্যবহার করুন — নিরাপদ ও নির্ভুল।
কম্পিউটার বা ল্যাপটপে ফলাফল দেখা মোবাইলের চেয়ে সুবিধাজনক, বিশেষ করে মার্কশিট ডাউনলোড ও প্রিন্টের জন্য:
ক্রোম/ফায়ারফক্স/এজ ব্রাউজার খুলুন।
বোর্ড, পরীক্ষা (HSC/Alim), সাল (2026) নির্বাচন করে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিন।
ক্যাপচা পূরণ করে View Result ক্লিক করুন।
মার্কশিটসহ ফলাফল এলে Ctrl+P চেপে PDF হিসেবে সেভ করুন বা প্রিন্ট নিন।
কম্পিউটারে একসাথে একাধিক রোলের ফলাফল দেখা সহজ — শিক্ষকরা EIIN দিয়ে পুরো কলেজের ফলাফল বের করে প্রিন্ট নিতে পারেন। সাইবার ক্যাফে থেকে ফলাফল দেখলে কাজ শেষে ব্রাউজার হিস্ট্রি মুছে দিন, যাতে আপনার তথ্য অন্যের হাতে না যায়।
ফলাফলের মৌসুমে প্রতারকরা সক্রিয় হয়। সতর্ক থাকুন:
"টাকার বিনিময়ে রেজাল্ট বদলে দেব" — এটি ১০০% প্রতারণা। বোর্ডের ফলাফল কোনো ব্যক্তি বদলাতে পারে না। টাকা চাওয়া মাত্রই বুঝবেন প্রতারক।
ফেসবুকে রোল নম্বর চাওয়া পেজ — "ইনবক্সে রোল পাঠান, রেজাল্ট দেখে দিচ্ছি" — আপনার তথ্য সংগ্রহের ফাঁদ হতে পারে।
ভুয়া ওয়েবসাইট — অফিসিয়াল দুটি সাইট ছাড়া অন্য কোনো সাইটে রোল-রেজিস্ট্রেশন নম্বর দেবেন না। সাইটের ঠিকানা ভালোভাবে মিলিয়ে নিন।
ভুয়া SMS — বোর্ড কখনো আগাম ফলাফল জানিয়ে SMS পাঠায় না। "আপনার রেজাল্ট প্রস্তুত, লিংকে ক্লিক করুন" ধরনের বার্তা এলে ক্লিক করবেন না।
বোর্ড চ্যালেঞ্জের নামে প্রতারণা — চ্যালেঞ্জের ফি শুধু অফিসিয়াল পোর্টালেই দিন; কোনো ব্যক্তির বিকাশ নম্বরে নয়।
সন্দেহজনক কিছু চোখে পড়লে কলেজের শিক্ষক বা অভিভাবককে জানান।
সব গুরুত্বপূর্ণ তারিখ এক জায়গায়:
ঘটনা | তারিখ |
এইচএসসি ও সমমান ফলাফল প্রকাশ | ৩১ অক্টোবর ২০২৬ (বেলা ১১টা) |
বোর্ড চ্যালেঞ্জ (পুনঃনিরীক্ষণ) আবেদন | ১–৭ নভেম্বর ২০২৬ |
পুনঃনিরীক্ষণের পোর্টাল চালু | ১ নভেম্বর ২০২৬ থেকে |
অনলাইন মার্কশিট প্রাপ্যতা | ফলাফল প্রকাশের দিন থেকেই |
কলেজ থেকে মূল মার্কশিট বিতরণ | ফলাফলের কয়েক দিন পর (কলেজভেদে) |
মূল সনদপত্র বিতরণ | কয়েক মাস পর (বোর্ড থেকে কলেজের মাধ্যমে) |
২০২৫ সালে পুনঃনিরীক্ষণের ফি ছিল প্রতি পত্র ১৫০ টাকা — ২০২৬ সালের ফি ১ নভেম্বর পোর্টাল চালু হলে জানা যাবে। তারিখগুলো মোবাইলের ক্যালেন্ডারে রিমাইন্ডার দিয়ে রাখুন, বিশেষ করে বোর্ড চ্যালেঞ্জের ১–৭ নভেম্বর সময়সীমা।
আজ ৩১ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার বেলা ১১টায় সারাদেশে একযোগে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। ফলাফল প্রকাশের তারিখ নিয়ে বিস্তারিত এই পোস্টে আগেই জানানো হয়েছিল।
দুটি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট আছে: educationboardresults.gov.bd (প্রধান সাইট) এবং eboardresults.com (বিকল্প সাইট)। দুটিতেই ফলাফল বিনামূল্যে দেখা যায়।
১৬১৪০। ফরম্যাট: `HSC <বোর্ড কোড> <রোল> 2026` (যেমন: `HSC DHA 123456 2026`)। ১৬২২২ নম্বরটি এখন আর কাজ করে না — সেখানে পাঠাবেন না।
প্রতি এসএমএসে প্রায় ২.৫০ টাকা। পাঠানোর আগে মোবাইলে পর্যাপ্ত ব্যালেন্স রাখুন।
eboardresults.com সাইটে Result Type থেকে মার্কশিট/বিস্তারিত অপশন বেছে নিয়ে রোল নম্বর দিলেই প্রতিটি বিষয়ের নম্বরসহ ফলাফল দেখা যাবে। মার্কশিট PDF হিসেবে ডাউনলোডও করা যায়।
হ্যাঁ। eboardresults.com সাইটে শুধু রোল নম্বর দিয়েই ফলাফল দেখা যায়, আর ১৬১৪০ নম্বরে SMS পাঠাতেও রেজিস্ট্রেশন নম্বর লাগে না। তবে educationboardresults.gov.bd সাইটে রেজিস্ট্রেশন নম্বর বাধ্যতামূলক।
ফলাফল প্রকাশের দিন সার্ভারে প্রচুর চাপ থাকে। বিকল্প সাইট চেষ্টা করুন, ১০–১৫ মিনিট পর আবার চেষ্টা করুন, অথবা ১৬১৪০ নম্বরে SMS পাঠান। ভিড় কমে গেলে (দুপুরের পর) সহজে ঢুকতে পারবেন।
১ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত শুধুমাত্র অনলাইনে আবেদন করা যাবে। পোর্টাল: rescrutiny.eduboardresults.gov.bd। ২০২৫ সালে ফি ছিল প্রতি পত্র ১৫০ টাকা; ২০২৬ সালের ফি পোর্টাল চালু হলে জানা যাবে।
শুধু ফেল করা বিষয়ে পরের বছর পরিপূরক পরীক্ষা দেওয়া যাবে — পুরো পরীক্ষা আবার দিতে হবে না। বিস্তারিত নিয়ম কলেজ থেকে জেনে নিন।
প্রাথমিক আবেদনে অনলাইন মার্কশিট সাধারণত গ্রহণ করা হয়, তবে চূড়ান্ত ভর্তির সময় কলেজ থেকে সংগৃহীত মূল মার্কশিট ও সনদপত্র জমা দিতে হয়।
দ্রুত কলেজ অফিসে জানান। বোর্ডে সংশোধনীর আবেদন করার নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া আছে — দেরি না করে কলেজের মাধ্যমে আবেদন করুন।
বোর্ডের পক্ষ থেকে ২০২৬ সালের পাসের হার এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। ২০২৫ সালে পাসের হার ছিল ৫৮.৮৩ শতাংশ।
বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি সাধারণত ফলাফল প্রকাশের কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আসতে শুরু করে। নিয়মিত সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট ও নোটিশ বোর্ডে নজর রাখুন, যাতে কোনো আবেদনের সময়সীমা মিস না হয়।
না, একদমই না। একই রোল নম্বর দিয়ে যতবার খুশি ফলাফল দেখা যায় — এতে ফলাফলের কোনো পরিবর্তন হয় না এবং কোনো চার্জও কাটে না (শুধু প্রতিটি SMS-এর জন্য নির্ধারিত চার্জ প্রযোজ্য)।
এইচএসসি রেজাল্ট ২০২৬ দেখার প্রতিটি উপায় এখন আপনার জানা — অনলাইনে দুটি ওয়েবসাইট, ১৬১৪০ নম্বরে SMS, মার্কশিট ডাউনলোড, EIIN দিয়ে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল, ১১টি বোর্ডের আলাদা নির্দেশনা, আর প্রতিটি সাধারণ সমস্যার সমাধান। ফলাফল যেমনই হোক, মনে রাখুন — এটি একটি মাইলফলক, গন্তব্য নয়। ভালো ফলাফল হলে লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যান, আর আশানুরূপ না হলে বোর্ড চ্যালেঞ্জ (১–৭ নভেম্বর) বা পরিপূরক পরীক্ষার পথ খোলা আছে।
এই পোস্টটি বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করুন, যাতে তারাও সহজে ফলাফল দেখতে পারে। ফলাফল ও পরবর্তী ধাপ নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে জানান। সবার জন্য শুভকামনা!
ফলাফল প্রকাশের দিন যেন কোনো ঝামেলা না হয়, সকালে এই চেকলিস্ট মিলিয়ে নিন:
রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর হাতের কাছে রাখুন — প্রবেশপত্র ও রেজিস্ট্রেশন কার্ডের ছবি মোবাইলে তুলে রাখুন, অথবা নম্বর দুটি নোট অ্যাপে লিখে রাখুন।
মোবাইলে ব্যালেন্স রাখুন — SMS-এ ফলাফল দেখার পরিকল্পনা থাকলে কমপক্ষে ১০ টাকা ব্যালেন্স রাখুন।
দুটি ওয়েবসাইট বুকমার্ক করুন — educationboardresults.gov.bd ও eboardresults.com ব্রাউজারে বুকমার্ক করে রাখুন।
বোর্ড কোড মনে রাখুন — আপনার বোর্ডের ৩ অক্ষরের কোড (যেমন DHA) লিখে রাখুন, SMS-এর সময় ভুল না হয়।
ইন্টারনেট পরীক্ষা করুন — মোবাইল ডেটা বা ওয়াইফাই ঠিকমতো কাজ করছে কি না আগেই দেখে নিন।
বিকল্প পরিকল্পনা রাখুন — ওয়েবসাইটে না ঢুকতে পারলে SMS, SMS-এ দেরি হলে পরে আবার চেষ্টা — আগে থেকেই ঠিক করে রাখুন কোন পথে যাবেন।
শান্ত থাকুন — বেলা ১১টায় ফলাফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই দেখতে হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই; বিকেল বা সন্ধ্যায় দেখলেও ফলাফল একই থাকবে।
এই প্রস্তুতি থাকলে ফলাফলের দিন অযথা দৌড়ঝাঁপ বা উদ্বেগ এড়ানো যায়।
সন্তানের ফলাফলের দিন অভিভাবকের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কয়েকটি পরামর্শ:
চাপ দেবেন না — ফলাফল প্রকাশের আগের রাতে ও সকালে সন্তানকে স্বাভাবিক রাখুন। "কী হবে" ধরনের প্রশ্নে উদ্বেগ বাড়ে।
ফলাফল যেমনই হোক, পাশে থাকুন — ভালো ফলাফলে প্রশংসা করুন; খারাপ হলে দোষারোপ না করে পরবর্তী পথ (বোর্ড চ্যালেঞ্জ, পরিপূরক পরীক্ষা) নিয়ে আলোচনা করুন।
তুলনা করবেন না — পাড়া-প্রতিবেশী বা আত্মীয়ের সন্তানের সঙ্গে তুলনা সন্তানের আত্মবিশ্বাস ভেঙে দেয়।
নিজে ফলাফল দেখে দিন — সন্তান উদ্বিগ্ন থাকলে অভিভাবক নিজে ওয়েবসাইট বা SMS দিয়ে ফলাফল দেখে তাকে জানান।
মানসিক স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিন — ফলাফল খারাপ হলে সন্তান ভেঙে পড়তে পারে; তাকে একা রাখবেন না, প্রয়োজনে শিক্ষক বা কাউন্সেলরের সাহায্য নিন।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় সাহায্য করুন — ভর্তি, বোর্ড চ্যালেঞ্জ বা বিকল্প ক্যারিয়ার পথ বেছে নিতে সন্তানের পাশে থাকুন।
রেজাল্ট প্রকাশের তারিখ: ৩১ অক্টোবর ২০২৬
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল ২০২৬ আজ ৩১ অক্টোবর ২০২৬ প্রকাশিত হচ্ছে। দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এইচএসসি, আলিম ও সমমান পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা অনলাইনে শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে তাদের ফলাফল দেখতে পারবে।
শিক্ষার্থীরা রোল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে অনলাইনে ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবে। এছাড়া মোবাইল ফোনে এসএমএস পাঠিয়েও এইচএসসি রেজাল্ট ২০২৬ জানা যাবে। ফলাফল প্রকাশের পর অনলাইনে বিষয়ভিত্তিক নম্বরসহ মার্কশিট ডাউনলোড করার সুযোগ থাকবে।
বিষয় | বিস্তারিত তথ্য |
পরীক্ষার নাম | এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬ |
ফলাফল প্রকাশের তারিখ | ৩১ অক্টোবর ২০২৬ |
ফলাফল প্রকাশের সময় | সকাল ১১:০০টা |
ফলাফল প্রকাশের স্থান | আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট, ঢাকা |
শিক্ষা বোর্ড | ১১টি |
মোট পরীক্ষার্থী | ১২,৭০,৫৮৩ জন |
ফলাফল দেখার মাধ্যম | অনলাইন, এসএমএস ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান |
শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীরা একযোগে অনলাইন ও এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল জানতে পারবে।
শিক্ষার্থীরা নিচের ওয়েবসাইটগুলো থেকে সরাসরি এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল দেখতে পারবে।
অনলাইনে রেজাল্ট দেখার অফিসিয়াল লিংক
১. Education Board Result
২. eduboardresults
৩. Web Based Result Publication System
অনলাইনে এইচএসসি রেজাল্ট ২০২৬ দেখতে শিক্ষার্থীদের নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে হবে:
প্রথমে Education Board Results ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন।
Examination অপশন থেকে HSC/Alim/Equivalent নির্বাচন করুন।
Year অপশন থেকে 2026 নির্বাচন করুন।
নিজের Education Board নির্বাচন করুন।
Roll Number ঘরে এইচএসসি পরীক্ষার রোল নম্বর লিখুন।
Registration Number ঘরে রেজিস্ট্রেশন নম্বর লিখুন।
প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা কোড পূরণ করে Submit করুন।
পর্দায় আপনার এইচএসসি রেজাল্ট ২০২৬ প্রদর্শিত হবে।
ফলাফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীরা অনলাইনে ফলাফল দেখতে এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিষয়ভিত্তিক নম্বরসহ মার্কশিট সংগ্রহ করতে পারবে।
যেসব শিক্ষার্থী ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবে না, তারা মোবাইল ফোন থেকে এসএমএস পাঠিয়ে ফলাফল জানতে পারবে।
এসএমএস ফরম্যাট:
উদাহরণ: ঢাকা বোর্ডের একজন শিক্ষার্থীর জন্য
যেভাবে পাঠাবেন
Message অপশনে উপরের ফরম্যাট লিখুন।
16140 নম্বরে SMS পাঠান।
ফিরতি এসএমএসে আপনার ফলাফল জানতে পারবেন।
SMS ফরম্যাট কপি করুন
বোর্ডের নামের প্রথম তিনটি ইংরেজি অক্ষর ব্যবহার করতে হবে। যেমন:
শিক্ষা বোর্ড | SMS কোড |
ঢাকা | DHA |
রাজশাহী | RAJ |
কুমিল্লা | COM |
যশোর | JES |
চট্টগ্রাম | CHI |
বরিশাল | BAR |
সিলেট | SYL |
দিনাজপুর | DIN |
ময়মনসিংহ | MYM |
মাদ্রাসা | MAD |
কারিগরি | TEC |
এসএমএস পদ্ধতি ও নম্বর: আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির প্রকাশিত নির্দেশনা।
এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীরা অনলাইনে নিজেদের মার্কশিট সংগ্রহ করতে পারবে। মার্কশিটে সাধারণত বিষয়ভিত্তিক গ্রেড, GPA এবং পরীক্ষার ফলাফল সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায়।
মার্কশিট ডাউনলোড করতে:
Web Based Result ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন।
Examination, Year ও Board নির্বাচন করুন।
Result Type থেকে Individual Result নির্বাচন করুন।
Roll ও Registration Number লিখুন।
প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা কোড পূরণ করুন।
Submit করে ফলাফল দেখুন।
ব্রাউজারের Print অপশন ব্যবহার করে মার্কশিট PDF হিসেবে সংরক্ষণ করুন।
যেসব শিক্ষার্থী প্রকাশিত ফলাফলে সন্তুষ্ট নয় অথবা ফলাফলে কোনো অসংগতি রয়েছে বলে মনে করে, তারা উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করতে পারবে।
আবেদন শুরু: ১ নভেম্বর ২০২৬
আবেদনের শেষ তারিখ: ৭ নভেম্বর ২০২৬
আবেদন পদ্ধতি: অনলাইনে
বিস্তারিত নির্দেশনা: সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হবে।
১. এইচএসসি রেজাল্ট ২০২৬ কবে প্রকাশিত হবে?
৩১ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার সকাল ১১টায় এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
২. এইচএসসি রেজাল্ট দেখার ওয়েবসাইট কোনটি?
শিক্ষার্থীরা educationboardresults.gov.bd এবং eduboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে ফলাফল দেখতে পারবে।
৩. শুধু রোল নম্বর দিয়ে কি রেজাল্ট দেখা যাবে?
ওয়েবসাইটের নির্ধারিত Individual Result পদ্ধতিতে রোল নম্বরের পাশাপাশি রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্রয়োজন।
৪. মোবাইলে এসএমএস দিয়ে কি রেজাল্ট দেখা যাবে?
হ্যাঁ। HSC DHA 123456 2026 লিখে 16140 নম্বরে পাঠালে ফিরতি এসএমএসে ফলাফল পাওয়া যাবে।
৫. এইচএসসি মার্কশিট ২০২৬ কোথায় পাওয়া যাবে?
ফলাফল প্রকাশের পর Web Based Result ওয়েবসাইট থেকে বিষয়ভিত্তিক ফলাফলসহ মার্কশিট দেখা ও প্রিন্ট করা যাবে।
৬. এইচএসসি বোর্ড চ্যালেঞ্জ কবে শুরু হবে?
১ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে।
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল ২০২৬ দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে একযোগে প্রকাশ করা হবে। শিক্ষার্থীদের ফলাফল জানার জন্য নির্ধারিত সময়ের পর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ওয়েবসাইটে অতিরিক্ত চাপের কারণে ফলাফল দেখতে সমস্যা হলে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে পুনরায় চেষ্টা করুন অথবা এসএমএস পদ্ধতি ব্যবহার করুন।
সকল শিক্ষার্থীর জন্য রইল আন্তরিক শুভকামনা।
মনে রাখবেন, একটি পরীক্ষার ফলাফল সন্তানের পুরো ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে না — আপনার সমর্থনই তার সবচেয়ে বড় শক্তি।
১৮
২৯ মন্তব্য