প্রধান শিক্ষক
০২ নভেম্বর, ২০২৬ ০১:৪৯ অপরাহ্ণ
এইচএসসি বোর্ড চ্যালেঞ্জ করার নিয়ম ২০২৬ | HSC Board Challenge Apply Online
📌 এইচএসসি ২০২৬ বোর্ড চ্যালেঞ্জ করুন
📌 এক ক্লিকে এইচএসসি বোর্ড চ্যালেঞ্জ করুন
📌 এইচএসসি বোর্ড চ্যালেঞ্জ করুন এক ক্লিকে
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে ৩১ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার সকাল ১১টায়। ফল দেখে অনেক শিক্ষার্থীর মন খারাপ। কারো এক বিষয়ে ফেল এসেছে, কারো গ্রেড আশার চেয়ে অনেক কম। এমন হলে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। শিক্ষা বোর্ড তোমাকে একটা সুযোগ দিয়েছে — বোর্ড চ্যালেঞ্জ বা ফল পুনঃনিরীক্ষণ (Re-scrutiny)। এই প্রক্রিয়ায় তোমার খাতা আবার যাচাই করা হয়। ভুল ধরা পড়লে নম্বর বেড়ে যায়, গ্রেড বদলে যায়।
এই লেখায় জানবে — বোর্ড চ্যালেঞ্জ আসলে কী, কারা আবেদন করতে পারবে, ২০২৬ সালের আবেদনের তারিখ ও ফি, অনলাইনে ধাপে ধাপে আবেদনের নিয়ম, ফি দেওয়ার মাধ্যম, আবেদনে ভুল হলে কী করবে, আর আবেদনের পর কী ঘটে। সব তথ্য বোর্ডের অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তি থেকে নেওয়া।
বোর্ড চ্যালেঞ্জ বা ফল পুনঃনিরীক্ষণ আসলে কী
বোর্ড চ্যালেঞ্জের অফিসিয়াল নাম "ফল পুনঃনিরীক্ষণ" (Re-scrutiny)। অনেকে একে "খাতা চ্যালেঞ্জ" বা "খাতা কল"ও বলে। সহজ ভাষায়, তুমি বোর্ডকে বলছ — "আমার খাতাটা আরেকবার দেখো, কোথাও ভুল হয়েছে কি না।"
একটা ভুল ধারণা আগে ভেঙে দিই। পুনঃনিরীক্ষণ মানে খাতা নতুন করে কাটা নয়। পরীক্ষক তোমার উত্তর আবার পড়ে নতুন নম্বর দেবেন না। তাহলে কী যাচাই করা হয়? চারটা জিনিস:
তোমার খাতার সব উত্তরে নম্বর দেওয়া হয়েছে কি না (কোনো উত্তর বাদ পড়ল কি না)
নম্বরগুলো ঠিকভাবে যোগ করা হয়েছে কি না (যোগে ভুল হলো কি না)
খাতার নম্বর নম্বরপত্রে (মার্কশিটে) ঠিকভাবে তোলা হয়েছে কি না
বহুনির্বাচনি (MCQ) অংশের OMR শিট মেশিনে ঠিকমতো পড়া হয়েছে কি না
এই চারটার কোনোটায় ভুল পাওয়া গেলে বোর্ড তোমার নম্বর সংশোধন করে দেবে। নম্বর বাড়লে গ্রেডও বাড়বে। তবে মনে রেখো — ভুল না পাওয়া গেলে ফল আগের মতোই থাকবে। আর ফি কোনো অবস্থাতেই ফেরত পাবে না।
২০২৬ সালে বোর্ড চ্যালেঞ্জের গুরুত্বপূর্ণ তারিখ এক নজরে
বিষয় | তথ্য |
ফল প্রকাশ | ৩১ অক্টোবর ২০২৬ (শনিবার), সকাল ১১টা |
আবেদন শুরু | ১ নভেম্বর ২০২৬ (রোববার) |
আবেদনের শেষ তারিখ | ৭ নভেম্বর ২০২৬ (শনিবার) |
আবেদন মাধ্যম | শুধু অনলাইন — rescrutiny.eduboardresults.gov.bd |
প্রতি পত্রের ফি | ১৫০ টাকা |
ফল প্রকাশ (সম্ভাব্য) | ২৭ নভেম্বর ২০২৬ |
ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক জেসমিন তাসলিমা বানু স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে (৩০ অক্টোবর ২০২৬) এই তারিখ ও নিয়ম জানানো হয়েছে। সব শিক্ষা বোর্ডের জন্য একই নিয়ম প্রযোজ্য।
আরও দেখুন: এইচএসসি রেজাল্ট ২০২৬ দেখার নিয়ম
কারা বোর্ড চ্যালেঞ্জের আবেদন করতে পারবে
২০২৬ সালের এইচএসসি, আলিম, এইচএসসি (ভোকেশনাল) ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেওয়া যেকোনো শিক্ষার্থী আবেদন করতে পারবে। বোর্ডভেদে কোনো পার্থক্য নেই — ঢাকা, রাজশাহী, কুমিল্লা, যশোর, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ, মাদ্রাসা ও কারিগরি — সব বোর্ডের শিক্ষার্থীদের জন্য একই পোর্টাল, একই নিয়ম।
তবে সবার আবেদন করা উচিত নয়। নিচের টেবিল দেখে সিদ্ধান্ত নাও:
তোমার অবস্থা | আবেদন করা উচিত? |
যে বিষয়ে ফেল করেছ, সেখানে পাস করার মতো লিখেছিলে | হ্যাঁ, অবশ্যই করো |
কোনো বিষয়ের গ্রেড প্রত্যাশার চেয়ে অনেক কম এসেছে | হ্যাঁ, করা যায় |
মাত্র ১-২ নম্বরের জন্য পরের গ্রেড বা জিপিএ-৫ মিস হয়েছে | হ্যাঁ, চেষ্টা করে দেখো |
সব বিষয়েই একটু একটু কম এসেছে, কিন্তু বড় অমিল নেই | সাধারণত লাভ হয় না |
উত্তর আবার নতুন করে কাটাতে চাও | না — পুনঃনিরীক্ষণে এটা হয় না |
একটা সত্য কথা জেনে রাখো। প্রতি বছর হাজার হাজার শিক্ষার্থী আবেদন করে, কিন্তু বেশিরভাগের ফলে কোনো পরিবর্তন হয় না। পরিবর্তন হয় তাদেরই, যাদের খাতায় সত্যিই গণনা বা এন্ট্রির ভুল ছিল। তাই আবেগে সব বিষয়ে আবেদন না করে ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নাও।
আবেদনের আগে যা যা লাগবে
অনলাইনে আবেদন করতে বসার আগে এই জিনিসগুলো হাতের কাছে রাখো:
এইচএসসি পরীক্ষার রোল নম্বর (প্রবেশপত্র থেকে)
রেজিস্ট্রেশন নম্বর (প্রবেশপত্র বা রেজিস্ট্রেশন কার্ড থেকে)
তোমার শিক্ষা বোর্ডের নাম (যেমন: ঢাকা, কুমিল্লা)
একটা সচল মোবাইল নম্বর — এই নম্বরে ফলাফলের SMS আসবে, তাই বন্ধ থাকা বা ভুল নম্বর দিও না
ফি দেওয়ার জন্য বিকাশ/নগদ/রকেট/উপায়ে টাকা অথবা সোনালী সেবার ব্যবস্থা
কোন কোন বিষয়ের কোন কোন পত্রে আবেদন করবে, তার তালিকা (আগে থেকে ঠিক করে রাখো)
অনলাইনে বোর্ড চ্যালেঞ্জের আবেদন — ধাপে ধাপে
পুরো আবেদন অনলাইনে হয়। বোর্ড অফিসে গিয়ে বা হাতে লিখে (ম্যানুয়ালি) কোনো আবেদন নেওয়া হয় না। ঘরে বসে মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করো:
ধাপ ১ — পোর্টালে প্রবেশ করো: rescrutiny.eduboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে যাও। এটাই বোর্ডের অফিসিয়াল পুনঃনিরীক্ষণ পোর্টাল। ভুয়া সাইট থেকে সাবধান থাকো।
ধাপ ২ — তথ্য দাও: নির্ধারিত ঘরে তোমার রোল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর লেখো। ড্রপডাউন তালিকা থেকে তোমার শিক্ষা বোর্ড বেছে নাও। তারপর "জমা দিন" বা "সাবমিট" বোতামে ক্লিক করো।
ধাপ ৩ — মোবাইল নম্বর দাও: এমন একটা মোবাইল নম্বর দাও যেটা তোমার হাতে থাকে। নিশ্চিত করতে নম্বরটা আবার লিখতে হতে পারে। পুনঃনিরীক্ষণের ফল বের হলে এই নম্বরেই SMS পাঠানো হবে।
ধাপ ৪ — বিষয় নির্বাচন করো: পরের স্ক্রিনে তোমার বিষয়ভিত্তিক ফলাফল দেখা যাবে। যে যে বিষয় বা পত্রের খাতা চ্যালেঞ্জ করতে চাও, সেগুলো টিক দিয়ে নির্বাচন করো। মনে রেখো — বাংলা, ইংরেজি, পদার্থবিজ্ঞানের মতো দ্বিপত্র (দুই পত্রের) বিষয়ে দুই পত্রের জন্যই আলাদা করে আবেদন করতে হবে। শুধু এক পত্রে আবেদন করলে চলবে না।
ধাপ ৫ — ফি পরিশোধ করো: "ফি প্রদান করুন" বোতামে ক্লিক করলে মোট কত টাকা দিতে হবে দেখা যাবে। বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায় বা সোনালী সেবার মাধ্যমে ফি পরিশোধ করো। পোর্টালের "পে" বা "হেল্প" বোতামে ক্লিক করলে পেমেন্টের বিস্তারিত নিয়ম দেখা যাবে।
ধাপ ৬ — আবেদন জমা দাও: ফি দেওয়ার পর আবার আবেদন পোর্টালে ফিরে এসে "জমা দিন" বোতামে ক্লিক করো। এই ক্লিকের পরেই তোমার আবেদন সম্পূর্ণ হবে। পেমেন্টের কনফার্মেশন SMS টা ফলাফল না আসা পর্যন্ত রেখে দাও।
বোর্ড চ্যালেঞ্জের ফি — হিসাবসহ
প্রতি পত্রের (প্রতি পেপারের) ফি ১৫০ টাকা। এটা ২০২৬ সালের নির্ধারিত ফি। কয়েকটা উদাহরণ দেখো:
কীসের জন্য আবেদন | পত্র সংখ্যা | মোট ফি |
আইসিটি (এক পত্রের বিষয়) | ১ | ১৫০ টাকা |
ইংরেজি (১ম ও ২য় পত্র) | ২ | ৩০০ টাকা |
পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন (দুটোরই দুই পত্র) | ৪ | ৬০০ টাকা |
বাংলা, ইংরেজি ও আইসিটি | ৫ | ৭৫০ টাকা |
ফি দেওয়া যায় বিকাশ, নগদ, ডাচ-বাংলা ব্যাংকের রকেট, উপায় ও সোনালী সেবার মাধ্যমে। একটা জরুরি কথা — ফি একবার জমা দিলে সেটা আর ফেরত পাবে না। ফল বদলাক বা না বদলাক, টাকা ফেরতের কোনো নিয়ম নেই। তাই শুধু সেই বিষয়গুলোতেই আবেদন করো যেখানে সত্যিই ভুল হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
আবেদনে ভুল হলে বা বিষয় বদলাতে চাইলে কী করবে
অনেকের মনে প্রশ্ন — আবেদন করার পর কি বিষয় বদলানো যায়? উত্তরটা দুই ভাগে:
ফি দেওয়ার আগে: পোর্টালে "মুছে ফেলুন" বোতামে ক্লিক করে নির্বাচিত বিষয় বদলাতে বা বাতিল করতে পারবে। যেসব বিষয়ের ফি এখনো দাওনি, সেগুলো প্রত্যাহার করা যায়।
ফি দেওয়ার পর: একবার ফি জমা দিয়ে আবেদন সাবমিট করলে সেই বিষয় আর বাতিল করা যায় না। তবে সুখবর আছে — নতুন করে অন্য কোনো বিষয় যোগ করতে চাইলে সেটা পারবে। আগের মোবাইল নম্বরটাই ব্যবহার করতে হবে, নতুন নম্বর দেওয়ার দরকার নেই। অর্থাৎ, ফি দেওয়ার পর বিষয় কমানো যায় না, কিন্তু বাড়ানো যায়।
আবেদনের পর কী ঘটে — পুরো প্রক্রিয়া
আবেদন শেষ হলেই কাজ শেষ নয়। এরপর বোর্ডের ভেতরে একটা লম্বা প্রক্রিয়া চলে। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির কর্মপরিকল্পনা (২০২৬) অনুযায়ী ধাপগুলো এই রকম:
তারিখ | কী হবে |
১–৭ নভেম্বর | অনলাইনে আবেদন গ্রহণ |
৮ নভেম্বর | বুয়েট থেকে আবেদনের তথ্য সংগ্রহ |
৯ নভেম্বর | কম্পিউটার সেল থেকে উত্তরপত্রের তালিকা সংশ্লিষ্ট শাখায় পাঠানো |
৯–১২ নভেম্বর | পুনর্মূল্যায়নের পরীক্ষক নিয়োগ ও প্রধান পরীক্ষকদের থেকে উত্তরপত্র সংগ্রহ |
১৩–১৯ নভেম্বর | পরীক্ষকদের ব্রিফিং ও উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের কাজ |
২০ নভেম্বর | নম্বর বদলানো উত্তরপত্র কম্পিউটার সেলে পাঠানোর শেষ তারিখ |
২১–২৩ নভেম্বর | কম্পিউটার সেলে বদলানো নম্বর এন্ট্রি ও লিথোকোড যাচাই |
২৪–২৬ নভেম্বর | পরিবর্তিত উত্তরপত্রের চূড়ান্ত যাচাই |
২৭ নভেম্বর | পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ |
অর্থাৎ, আবেদনের পর প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে তোমার খাতা যাচাইয়ের কাজ চলবে। ২৭ নভেম্বর ফল প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে।
বোর্ড চ্যালেঞ্জ করলে নম্বর কমে যেতে পারে কি
এটা সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞাসা করা প্রশ্ন। সৎ উত্তর হলো — হ্যাঁ, তাত্ত্বিকভাবে সম্ভব। পুনঃনিরীক্ষণে যদি দেখা যায় তোমার মোট নম্বর আসলে বেশি ধরা হয়েছিল (যোগে ভুলে বেশি উঠেছিল), তাহলে বোর্ড সেটা সংশোধন করে নম্বর কমিয়ে দিতে পারে। তখন গ্রেডও কমতে পারে।
তবে বাস্তবে এটা খুবই বিরল। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তিনটার একটা হয় — নম্বর বাড়ে, অথবা একই থাকে। নম্বর কমার ঘটনা হাতে গোনা। আর একটা কথা — সংশোধনের পর যে ফলাফলই আসুক, সেটাই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। আগের ফল ধরে রাখার নিশ্চয়তা নেই। তাই আবেদনের আগে এই ঝুঁকিটা মাথায় রেখো।
আরও দেখুন: এইচএসসি রেজাল্ট ২০২৬ — সম্পূর্ণ গাইড
যে ভুলগুলোতে টাকা নষ্ট হয় — সাবধান!
দ্বিপত্র বিষয়ে এক পত্রে আবেদন: বাংলা বা ইংরেজির শুধু ১ম পত্রে আবেদন করলে পুরো বিষয়ের যাচাই হয় না। দুই পত্রেই আবেদন করো।
ভুল মোবাইল নম্বর: ফলাফলের SMS ওই নম্বরেই যাবে। বন্ধ সিম বা অন্যের নম্বর দিলে ফল জানতে পারবে না।
শেষ তারিখের অপেক্ষা: ৭ নভেম্বর রাতে সার্ভার ব্যস্ত থাকে। ৫–৬ নভেম্বরের মধ্যে আবেদন শেষ করো।
সব বিষয়ে আবেদন: এতে টাকা নষ্ট ছাড়া লাভ হয় না। শুধু সন্দেহজনক বিষয়ে করো।
দালালের ফাঁদ: কেউ যদি টাকার বিনিময়ে ফল বদলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়, সেটা প্রতারণা। বোর্ডের বাইরে কারো কাছে টাকা দিও না।
ভুয়া ওয়েবসাইট: শুধু rescrutiny.eduboardresults.gov.bd-তেই আবেদন করো। মিল আছে এমন অন্য সাইটে তথ্য দিও না।
আলিম ও ভোকেশনাল পরীক্ষার্থীদের জন্য
মাদ্রাসা বোর্ডের আলিম ও কারিগরি বোর্ডের এইচএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার্থীদের জন্যও একই নিয়ম। একই পোর্টালে গিয়ে পরীক্ষা হিসেবে "আলিম" বা সমমান সিলেক্ট করে আবেদন করতে হবে। ফি ও তারিখ সব বোর্ডের জন্য এক।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
প্রশ্ন: বোর্ড চ্যালেঞ্জের আবেদন কি SMS-এ করা যায়?
উত্তর: না। ২০২৬ সালে আবেদন শুধু অনলাইন পোর্টালেই নেওয়া হয়। আগের RSC ফরম্যাটের SMS আবেদন পদ্ধতি এখন বন্ধ। তবে ফি পরিশোধে মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করা যায়।
প্রশ্ন: এক বিষয়ে ফেল করেছি, চ্যালেঞ্জে পাস আসলে কী হবে?
উত্তর: পুনঃনিরীক্ষণে নম্বর বেড়ে পাস নম্বর পার হলে তোমার ফল সংশোধন করে পাস দেখানো হবে। তখন সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা দেওয়ার দরকার হবে না।
প্রশ্ন: আবেদন ফি কি ফেরত পাবো?
উত্তর: না। কোনো অবস্থাতেই ফি ফেরত দেওয়া হয় না — ফল বদলাক বা না বদলাক।
প্রশ্ন: ফল কবে পাবো?
উত্তর: আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী ২৭ নভেম্বর ২০২৬ ফল প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে। ফল প্রকাশ হলে তোমার দেওয়া মোবাইল নম্বরে SMS যাবে।
প্রশ্ন: চ্যালেঞ্জের ফল কোথায় দেখবো?
উত্তর: ফল প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে শুধু যাদের ফল বদলেছে তাদের তালিকা (PDF) প্রকাশ করা হয়। এছাড়া educationboardresults.gov.bd-তে রোল-রেজিস্ট্রেশন দিয়ে সংশোধিত ফল দেখা যায়।
প্রশ্ন: গ্রেড বাড়লে কি নতুন মার্কশিট পাবো?
উত্তর: হ্যাঁ। ফল সংশোধন হলে বোর্ড সংশোধিত নম্বরপত্র ইস্যু করে। নিজ কলেজে যোগাযোগ করে সংগ্রহ করতে হবে।
৩
৪ মন্তব্য