Loading..

প্রেজেন্টেশন

রিসেট

৩০ জুন, ২০২৬ ০১:১৩ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশের জনসংখ্যা ও জনসম্পদ

(অধ্যায় ১৪: বাংলাদেশের জনসংখ্যা ও জনসম্পদ) মূল বক্তব্য  নিচে সারসংক্ষেপ আকারে তুলে ধরা হলো:

১. এই উপস্থাপনাটি পঞ্চম শ্রেণির 'বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়' বিষয়ের চতুর্দশ অধ্যায়ের "বাংলাদেশের জনসংখ্যা ও জনসম্পদ" সম্পর্কিত। ২. মানুষ বিভিন্ন কাজে দক্ষতা অর্জন করে যখন দেশের উন্নয়নে অবদান রাখে, তখন তাকে 'জনসম্পদ' বলা হয়। ৩. আমাদের চারপাশে ডাক্তার, শিক্ষক, ইঞ্জিনিয়ার, আইনজীবী, নার্স এবং পোশাক ডিজাইনারসহ বিভিন্ন ধরনের দক্ষ পেশাজীবী মানুষ রয়েছেন। ৪. কারিগরি, বৃত্তিমূলক, স্বাস্থ্য, প্রকৌশল, কৃষি ও সাধারণ শিক্ষার মাধ্যমে দেশের বিশাল জনসংখ্যাকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব। ৫. বৃত্তিমূলক শিক্ষার মাধ্যমে ইলেকট্রিশিয়ান, ওয়েল্ডার বা মোবাইল মেরামতকারী এবং কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার ও মেডিকেল টেকনিশিয়ানের মতো দক্ষ জনসম্পদ তৈরি হয়। ৬. বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রধান শিল্প 'পোশাক তৈরি কারখানা'-র জন্য ডিজাইনার, কাটিং মাস্টার, সেলাই কর্মী ও কারখানা ম্যানেজার অত্যন্ত প্রয়োজনীয় জনসম্পদ। ৭. মালেয়শিয়াসহ বিভিন্ন দেশে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানির জন্য বিদ্যুৎ ও যন্ত্রপাতি পরিচালনাকারী এবং বিদেশী ভাষা বিশেষজ্ঞের মতো দক্ষ জনবল প্রয়োজন। ৮. দেশের জনসংখ্যাকে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করা সম্ভব হলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়, বেকারত্ব হ্রাস পায় এবং মানুষের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পায়। ৯. বিদেশে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি করার মাধ্যমে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা যায় এবং এটি দেশে বিদেশী বিনিয়োগ বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ১০. সর্বোপরি, বাংলাদেশ একটি জনবহুল দেশ হওয়ায় এদেশের জনসংখ্যাকে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জনসম্পদে রূপান্তর করতে পারলে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে

মন্তব্য করুন