শ্রেণি: পঞ্চম
বিষয়: প্রাথমিক গণিত
অধ্যায়: ৮ — পরিমাপ
পাঠের বিষয়: পরিমাপ
পরিমাপ আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কোনো বস্তুর দৈর্ঘ্য, ওজন, ধারণক্ষমতা বা কোনো কিছুর পরিমাণ নির্ণয় করার প্রক্রিয়াকে পরিমাপ বলে। আমরা প্রতিদিন বিভিন্ন কাজে পরিমাপ ব্যবহার করি। যেমন—কাপড়ের দৈর্ঘ্য মাপতে মিটার, চালের ওজন মাপতে কিলোগ্রাম এবং পানির পরিমাণ মাপতে লিটার ব্যবহার করি।
দৈর্ঘ্য পরিমাপ
কোনো বস্তুর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ বা দূরত্ব পরিমাপের জন্য বিভিন্ন একক ব্যবহার করা হয়। যেমন—মিলিমিটার (মিমি), সেন্টিমিটার (সেমি), মিটার (মি) ও কিলোমিটার (কিমি)।
-
১০ মিলিমিটার = ১ সেন্টিমিটার
-
১০০ সেন্টিমিটার = ১ মিটার
-
১০০০ মিটার = ১ কিলোমিটার
ছোট দৈর্ঘ্য মাপার জন্য সেন্টিমিটার বা মিলিমিটার এবং বড় দূরত্ব মাপার জন্য কিলোমিটার ব্যবহার করা হয়।
ওজন পরিমাপ
কোনো বস্তুর ভর বা ওজন পরিমাপের জন্য গ্রাম (গ্রাম) ও কিলোগ্রাম (কেজি) ব্যবহার করা হয়।
যেমন, একটি কলমের ওজন গ্রামে এবং এক বস্তা চালের ওজন কিলোগ্রামে প্রকাশ করা হয়।
ধারণক্ষমতা পরিমাপ
কোনো পাত্রে কতটুকু তরল পদার্থ রাখা যায়, তা পরিমাপ করতে লিটার ও মিলিলিটার ব্যবহার করা হয়।
যেমন, পানির বোতল, দুধের প্যাকেট বা তেলের পরিমাণ লিটার বা মিলিলিটারে প্রকাশ করা হয়।
একক পরিবর্তন
একক পরিবর্তনের সময় মনে রাখতে হবে—বড় একক থেকে ছোট এককে গেলে গুণ করতে হয় এবং ছোট একক থেকে বড় এককে গেলে ভাগ করতে হয়।
উদাহরণ:
২ মিটার = ২ × ১০০ = ২০০ সেন্টিমিটার
৩০০০ গ্রাম = ৩০০০ ÷ ১০০০ = ৩ কিলোগ্রাম
উপসংহার
সঠিকভাবে পরিমাপ করতে হলে উপযুক্ত একক ও পরিমাপের যন্ত্র নির্বাচন করা প্রয়োজন। পরিমাপের জ্ঞান ব্যবহার করে আমরা দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন হিসাব সহজে ও নির্ভুলভাবে করতে পারি।