Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৯:২৩ অপরাহ্ণ

সামাজিক বনায়ন
সামাজিক বনায়ন হলো স্থানীয় জনগণকে, বিশেষ করে গ্রামীণ দরিদ্র ও ভূমিহীন মানুষকে সম্পৃক্ত করে পরিকল্পিতভাবে গাছ লাগানো, রক্ষণাবেক্ষণ ও তার সুফল ভোগ করার একটি সমন্বিত পদ্ধতি। জাতিসংঘের মতে, এটি এমন এক ধরনের বন ব্যবস্থাপনা যার সাথে গ্রামীণ জনগোষ্ঠী সরাসরি জড়িত এবং এর মাধ্যমে মানুষ তাদের জীবিকা, জ্বালানি ও কাঠ সংগ্রহ করে। [1, 2]
নিচে সামাজিক বনায়ন সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেওয়া হলো:
১. বনায়নের স্থান
দেশের বিভিন্ন পরিত্যক্ত জমি, রাস্তার ধার, রেললাইনের পাশ, খালের পাড়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চত্বর, গ্রামীণ মাঠ ও বসতভিটার চারপাশের খালি জায়গায় সাধারণত এই বনায়ন করা হয়। বাংলাদেশ সরকারের বন অধিদপ্তর দেশজুড়ে এ ধরনের প্রকল্প পরিচালনা করে থাকে। [1, 2]
২. অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন
সামাজিক বনায়নের মূল লক্ষ্য হলো গ্রামীণ দরিদ্র, বিধবা ও দুস্থ মানুষের সামাজিক ও অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করা। এই বনের গাছ বড় হওয়ার পর তা বিক্রির লভ্যাংশ অংশীদারদের মধ্যে বণ্টন করা হয়, যা অনেক পরিবারকে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখায় ও সচ্ছলতা আনে। [1, 2]
৩. পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা
প্রাকৃতিক ভারসাম্যহীনতা, পরিবেশ দূষণ ও মরুপ্রক্রিয়া থেকে দেশকে রক্ষা করতে এই বনায়ন দারুণ ভূমিকা রাখে। এটি বায়ুমণ্ডলকে বিশুদ্ধ ও শীতল রাখতে সাহায্য করে এবং ভালো বৃষ্টিপাতে অবদান রাখে। [1, 2]
৪. বনায়নের প্রকারভেদ

সামাজিক বনায়ন বিভিন্ন উপায়ে হতে পারে, যেমন—অংশীদারিত্ব বনায়ন, গ্রামীণ বা পল্লী বনায়ন, কমিটি বনায়ন এবং স্বনির্ভর বনায়ন। [1]
মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট