সহকারী শিক্ষক
২০ অক্টোবর, ২০২৬ ০১:২৫ পূর্বাহ্ণ
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতির (ইনপুট আউটপুট ডিভাইস)
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ ষষ্ঠ
বিষয়ঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
অধ্যায়ঃ অধ্যায়-২
ষষ্ঠ শ্রেণির দ্বিতীয় অধ্যায়ের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতির ইনপুট আউটপুট ডিভাইস সম্পর্কে এই প্রেজেন্টেশনে আলোচনা করা হয়েছে।
কম্পিউটারের যে সকল যন্ত্রের মাধ্যমে তথ্য দেওয়া যায় সেগুলো ইনপুট ডিভাইস।
ইনপুট ডিভাইস সমূহঃ
১. কীবোর্ড (Keyboard): এটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ইনপুট ডিভাইস। এর মাধ্যমে লেখালেখি করা, নম্বর টাইপ করা এবং কম্পিউটারে বিভিন্ন কমান্ড দেওয়া হয়।
২. মাউস (Mouse): এটি একটি পয়েন্টিং ডিভাইস। স্ক্রিনের কার্সার নড়াচড়া করতে, ফাইল বা ফোল্ডার সিলেক্ট করতে এবং ক্লিক করতে এটি ব্যবহৃত হয়।
৩. স্ক্যানার (Scanner): কোনো কাগজ, ছবি বা ডকুমেন্টসকে ডিজিটাল কপিতে রূপান্তর করে কম্পিউটারে ইনপুট দেওয়ার জন্য এটি ব্যবহার করা হয়।
৪. মাইক্রোফোন (Microphone): কথা, গান বা যেকোনো শব্দ কম্পিউটারে রেকর্ড বা ইনপুট করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয়।
৫. ওয়েবক্যাম (Webcam): ভিডিও কল করা, ছবি তোলা বা ভিডিও রেকর্ডের জন্য এটি ভিডিও ইনপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
৬. জয়স্টিক (Joystick): সাধারণত ভিডিও গেম খেলার সময় দিক নির্দেশনা বা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য এটি ব্যবহৃত হয়।
৭. বারকোড রিডার (Barcode Reader): বিভিন্ন পণ্যের গায়ে থাকা বারকোড স্ক্যান করে তার তথ্য কম্পিউটারে পাঠাতে এটি ব্যবহৃত হয় (যেমন সুপারশপে)।
৮. টাচ স্ক্রিন (Touch Screen): স্ক্রিনে আঙুল বা স্পর্শের মাধ্যমে সরাসরি নির্দেশ দেওয়ার ব্যবস্থা (যেমন ল্যাপটপ বা স্মার্টফোনের স্ক্রিন)।
৯. ডিজিটাল পেন বা স্টাইলাস (Stylus / Digital Pen): গ্রাফিক্স ট্যাবলেট বা টাচ স্ক্রিনে নিখুঁতভাবে আঁকা বা লেখার কাজে এটি ব্যবহৃত হয়।
কম্পিউটারের যে সকল যন্ত্রের বা ডিভাইসের মাধ্যমে আউটপুট পাওয়া যায় সেগুলো হলো আউটপুট ডিভাইস।
আউটপুট ডিভাইস সমূহঃ
১. মনিটর (Monitor): এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আউটপুট ডিভাইস। কম্পিউটারের সমস্ত ভিজ্যুয়াল ডিসপ্লে, ছবি, ভিডিও এবং টেক্সট মনিটরের পর্দায় প্রদর্শিত হয়।
২. প্রিন্টার (Printer): কম্পিউটারের যেকোনো ডিজিটাল ডকুমেন্ট বা ছবি কাগজে প্রিন্ট (হার্ড কপি) করার জন্য এটি ব্যবহৃত হয়।
৩. স্পিকার (Speaker): কম্পিউটার থেকে আসা যেকোনো ধরনের শব্দ বা অডিও শোনার জন্য স্পিকার ব্যবহার করা হয়।
৪. হেডফোন বা ইয়ারফোন (Headphone / Earphone): এটি এক ধরনের ব্যক্তিগত সাউন্ড আউটপুট ডিভাইস, যার মাধ্যমে অন্যকে বিরক্ত না করে একা একা অডিও বা কল শোনা যায়।
৫. প্রজেক্টর (Projector): কম্পিউটারের স্ক্রিনটিকে বড় কোনো দেয়াল বা পর্দার ওপর প্রজেক্ট বা প্রদর্শন করার জন্য এটি ব্যবহৃত হয় (যেমন প্রেজেন্টেশন বা সিনেমা দেখার সময়)।
৬. প্লটার (Plotter): এটি প্রিন্টারের মতোই একটি ডিভাইস, যা সাধারণত বড় আকারের আর্কিটেকচারাল ডিজাইন, ব্লু-প্রিন্ট, ব্যানার বা পোস্টার প্রিন্ট করার জন্য ব্যবহার করা হয়।